২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে ‘হেল্পিং হার্টস’ মানুষের পাশে। পবিত্র ‘ঈদ’ উপলক্ষে ‘অন্ন’ ও ‘ইফতার’ সামগ্রী প্রদান

জাহির হোসেন মন্ডল, সোনারপুর : “ধর্ম যার যার – উৎসব সবার“। ঈদ হোক আনন্দের। আমার, আপনার, সবার। এই একই মন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে ‘হেল্পিং হার্টস’ পরিবার পৌঁছে গিয়েছিল সোনারপুর ও বারুইপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকার দুঃস্থ ও দরিদ্র মানুষ জন ও কোচি-কাচাদের কাছে।

এলাকার দুঃস্থ ও দরিদ্ররা যখন পবিত্র ঈদ উৎসবের আনন্দে মাতার অপেক্ষায়, তখন এই সংস্থাটি সেই সকল মানুষের মধ্যে সামান্য কিছু সংখ্যক মানুষের মুখে একটু হাসি ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করে।

 

রবিবার বেলা ১২টা নাগাদ তারা পৌয়ছে যায় সোনারপুর ও বারুইপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায়। সকল ধর্মের বেড়াজাল ভেঙে ও রোজাদার দের কথা মাথায় রেখে প্রায় ৫০ জনেরও বেশি মানুষ জনের হাতে তুলে দিতে সক্ষম হয়েছে ‘দুপুরের খাবার’ ও কিছু ‘ইফতার’ সামগ্রী। এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি আগের বছর এইরকম সময়ে এই একি এলাকাতে কিছু নতুন জামাকাপর ও খাদ্য সামগ্রী তুলেদিয়েছিল অসহায় মানুষদের হাতে।

উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির একঝাঁক সেনা সদস্য ও সদস্যারা। তাদের বক্তব্য এরকম কাজ তারা বারে বারে ভিন্ন ভিন্ন জাগায় করতে আগ্রহী। এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি বিগত দুবছর ধরে এরকম ভাবে মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যার জেরে তাদেরকে কারো থেকে সাধুবাদ আবার কারো থেকে লাঞ্চনার সম্মুখীন হতে হয়েছে বহুবার।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে ‘হেল্পিং হার্টস’ মানুষের পাশে। পবিত্র ‘ঈদ’ উপলক্ষে ‘অন্ন’ ও ‘ইফতার’ সামগ্রী প্রদান

আপডেট : ৩ জুন ২০১৯, সোমবার

জাহির হোসেন মন্ডল, সোনারপুর : “ধর্ম যার যার – উৎসব সবার“। ঈদ হোক আনন্দের। আমার, আপনার, সবার। এই একই মন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে ‘হেল্পিং হার্টস’ পরিবার পৌঁছে গিয়েছিল সোনারপুর ও বারুইপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকার দুঃস্থ ও দরিদ্র মানুষ জন ও কোচি-কাচাদের কাছে।

এলাকার দুঃস্থ ও দরিদ্ররা যখন পবিত্র ঈদ উৎসবের আনন্দে মাতার অপেক্ষায়, তখন এই সংস্থাটি সেই সকল মানুষের মধ্যে সামান্য কিছু সংখ্যক মানুষের মুখে একটু হাসি ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করে।

 

রবিবার বেলা ১২টা নাগাদ তারা পৌয়ছে যায় সোনারপুর ও বারুইপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায়। সকল ধর্মের বেড়াজাল ভেঙে ও রোজাদার দের কথা মাথায় রেখে প্রায় ৫০ জনেরও বেশি মানুষ জনের হাতে তুলে দিতে সক্ষম হয়েছে ‘দুপুরের খাবার’ ও কিছু ‘ইফতার’ সামগ্রী। এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি আগের বছর এইরকম সময়ে এই একি এলাকাতে কিছু নতুন জামাকাপর ও খাদ্য সামগ্রী তুলেদিয়েছিল অসহায় মানুষদের হাতে।

উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির একঝাঁক সেনা সদস্য ও সদস্যারা। তাদের বক্তব্য এরকম কাজ তারা বারে বারে ভিন্ন ভিন্ন জাগায় করতে আগ্রহী। এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি বিগত দুবছর ধরে এরকম ভাবে মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যার জেরে তাদেরকে কারো থেকে সাধুবাদ আবার কারো থেকে লাঞ্চনার সম্মুখীন হতে হয়েছে বহুবার।