২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

গলসিতে ডাকাতির বাহাত্তর ঘন্টা মধ্যে গ্রেপ্তার ডাকাতদল, উদ্ধার সব ছিনতাই সামগ্রী

আজিজুর রহমান,গলসি : ডাকাতি কান্ডে বড়সড় সাফল্য পেল গলসি থানা। ঘটনার বাহাত্তর ঘন্টার মধ্যে ডাকাতি কান্ডে অভিযুক্ত সহ ছিনতাই হয়ে যাওয়া সমগ্র জিনিসপত্র উদ্ধার করলো পুলিশ। তদন্তে নেমে ছিনতাইয়ের রাতে গলসির ছালালপুর গ্রাম থেকে ইব্রাহিম মল্লিক ওরফে রিপন নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে হেপাজতে নিয়ে ডাকাতি চক্রের মুল দুই অভিযুক্তকে মুর্শিদাবাদের সালার থানা এলাকার একটি লজ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই রাতেই তাদের সাথে সেখানকার আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন মহম্মদ আলী সেখ ওরফে কচি, জিয়ারুল সেখ, রতন সেখ ও বিপ্লব কর্মকার। কচির বাড়ি গলসি থানার শশঙ্গা গ্রামে ও ভাতার থানার বামসোড় গ্রামের বাসিন্দা হলেন জিয়ারুল। তাছাড়াও মুর্শিদাবাদ জেলার সালার থানা এলাকার বাসিন্দা রতন সেখ ও বিপ্লব কর্মকার। সেখানে বিপ্লব একটি সোনার দোকান আছে। পুলিশ তাদের কাছ থেকে চার ভরি সোনা, আড়াই কেজি রূপার গহনা এবং নগদ দুই লক্ষ সাতাত্তর হাজার টাকা উদ্ধার করেছে। পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত ইং ২০ শে অক্টোবর তারিখে প্রায় ৭.২০ নাগাদ ভুঁড়ির হাই স্কুল এলাকার দোকান মালিক সৈকত মোল্লা দোকান বন্ধ করে ছালালপুর গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইকে তার সাথে একটি ব্যাগে, প্রায় ০৪ ভরি সোনার অলঙ্কার, কিছু রুপোর গয়না এবং নগদ ত্রিশ হাজার টাকা ছিল। তিনি সন্ধ্যা ৭.৩৫ সাতটা পয়ত্রিশ নাগাদ ইটারু গ্রামের হোট্টে ক্যানেলের কালভার্টে কাছে এলে একটি কালো রঙের পালসার বাইক নিয়ে দুই ব্যক্তি আচমকা তার পথ আটকায়। ফলে তিনি ভারসাম্যহীন হয়ে মাটিতে পড়ে যান। তারপরে তাকে মারধর করে তার সঙ্গে থাকা অলঙ্কার সহ টাকার ব্যাগটি জোর করে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই সময় চাঁদের আলোতে তিনি মোটর সাইকেলের নম্বরটি চিহ্নিত করে পুলিশে খবর দেয়। তারপরই পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। তদন্ত নেমে কিছুক্ষণের মধ্যে ইব্রাহিম মল্লিক ওরফে রিপন নামে এক ব্যাক্তিগতকে গ্রেপ্তার করে। মুল অভিযুক্তরা মুর্শিদাবাদের সালার এলাকায় পালিয়ে গিয়ে গা ঢাকা দেয়। রিপনকে হেফাজতে নিয়ে ওই চক্রের মুল দুই অভিযুক্তের খোঁজ পায় পুলিশ। পুলিশ তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। ডাকাতির ৭২ ঘন্টার মধ্যেই ছিনতাই হয়ে যাওয়া জিনিসপত্র সহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। গলসি পুলিশের সতস্ফুর্ত কাজে খুশি হয়েছেন দোকান মালিক শওকত মোল্লা।

ছবি, আজিজুর রহমান, গলসি

গলসি থানায় গ্রেপ্তার হওয়া ডাকাল দল

উদ্ধার হওয়া গহনা ও নগদ টাকা

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গলসিতে ডাকাতির বাহাত্তর ঘন্টা মধ্যে গ্রেপ্তার ডাকাতদল, উদ্ধার সব ছিনতাই সামগ্রী

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, রবিবার

আজিজুর রহমান,গলসি : ডাকাতি কান্ডে বড়সড় সাফল্য পেল গলসি থানা। ঘটনার বাহাত্তর ঘন্টার মধ্যে ডাকাতি কান্ডে অভিযুক্ত সহ ছিনতাই হয়ে যাওয়া সমগ্র জিনিসপত্র উদ্ধার করলো পুলিশ। তদন্তে নেমে ছিনতাইয়ের রাতে গলসির ছালালপুর গ্রাম থেকে ইব্রাহিম মল্লিক ওরফে রিপন নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে হেপাজতে নিয়ে ডাকাতি চক্রের মুল দুই অভিযুক্তকে মুর্শিদাবাদের সালার থানা এলাকার একটি লজ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই রাতেই তাদের সাথে সেখানকার আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন মহম্মদ আলী সেখ ওরফে কচি, জিয়ারুল সেখ, রতন সেখ ও বিপ্লব কর্মকার। কচির বাড়ি গলসি থানার শশঙ্গা গ্রামে ও ভাতার থানার বামসোড় গ্রামের বাসিন্দা হলেন জিয়ারুল। তাছাড়াও মুর্শিদাবাদ জেলার সালার থানা এলাকার বাসিন্দা রতন সেখ ও বিপ্লব কর্মকার। সেখানে বিপ্লব একটি সোনার দোকান আছে। পুলিশ তাদের কাছ থেকে চার ভরি সোনা, আড়াই কেজি রূপার গহনা এবং নগদ দুই লক্ষ সাতাত্তর হাজার টাকা উদ্ধার করেছে। পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত ইং ২০ শে অক্টোবর তারিখে প্রায় ৭.২০ নাগাদ ভুঁড়ির হাই স্কুল এলাকার দোকান মালিক সৈকত মোল্লা দোকান বন্ধ করে ছালালপুর গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইকে তার সাথে একটি ব্যাগে, প্রায় ০৪ ভরি সোনার অলঙ্কার, কিছু রুপোর গয়না এবং নগদ ত্রিশ হাজার টাকা ছিল। তিনি সন্ধ্যা ৭.৩৫ সাতটা পয়ত্রিশ নাগাদ ইটারু গ্রামের হোট্টে ক্যানেলের কালভার্টে কাছে এলে একটি কালো রঙের পালসার বাইক নিয়ে দুই ব্যক্তি আচমকা তার পথ আটকায়। ফলে তিনি ভারসাম্যহীন হয়ে মাটিতে পড়ে যান। তারপরে তাকে মারধর করে তার সঙ্গে থাকা অলঙ্কার সহ টাকার ব্যাগটি জোর করে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই সময় চাঁদের আলোতে তিনি মোটর সাইকেলের নম্বরটি চিহ্নিত করে পুলিশে খবর দেয়। তারপরই পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। তদন্ত নেমে কিছুক্ষণের মধ্যে ইব্রাহিম মল্লিক ওরফে রিপন নামে এক ব্যাক্তিগতকে গ্রেপ্তার করে। মুল অভিযুক্তরা মুর্শিদাবাদের সালার এলাকায় পালিয়ে গিয়ে গা ঢাকা দেয়। রিপনকে হেফাজতে নিয়ে ওই চক্রের মুল দুই অভিযুক্তের খোঁজ পায় পুলিশ। পুলিশ তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। ডাকাতির ৭২ ঘন্টার মধ্যেই ছিনতাই হয়ে যাওয়া জিনিসপত্র সহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। গলসি পুলিশের সতস্ফুর্ত কাজে খুশি হয়েছেন দোকান মালিক শওকত মোল্লা।

ছবি, আজিজুর রহমান, গলসি

গলসি থানায় গ্রেপ্তার হওয়া ডাকাল দল

উদ্ধার হওয়া গহনা ও নগদ টাকা