১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

কলকাতা কর্পোরেশনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন কলকাতা পৌরসভা মেয়র ফিরহাদ হাকিম

নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় খাটাল তুলে দেওয়া হয়েছে। এইসব দানকুনিতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কলকাতায় খাটাল আইনত থাকা উচিত নয়। অনেকদিন থেকে রয়েছে।

বন আইন খুব কঠোর। যারা গাছ কাটল গ্রেফতার করা হবে। যদি কেউ বেআইনি গাছ কেটে থাকে তাহলে গ্রেফতারি হতে পারে এবং জরিমানা হতে পারে।

আমাদের এক নম্বর বোরোতে মিটার বসানো হয়েছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে জলের প্রেসার কমে গেছে। সেটা ডি জি জল বিভাগ গিয়ে পরিস্তিতি খুঁটিয়ে দেখবেন বলে জানান মেয়র।

আগে ১৩০০ ছিল এখন কমে ১০০০ সংখ্যায় নেমেছে। নতুন করে বৃষ্টি নাহলে এটা ৫০০ হয়ে যাবে। যেদিন মানুষ বুঝে যাবেন সেদিন এটা শূন্যে হয়ে যাবে বলে জানান মেয়র ডেঙ্গু নিয়ে বলেন মেয়র।

পৌরসভায় কর্মী অভাব রয়েছে বলে স্বীকার করলেন মেয়র। আগে টাইপ রাইটার ছিল। কিন্তু এখন এত কর্মী লাগে না। আযথা লোক না নিয়ে যদি সেই টাকা আলো জলের জন্য ব্যাবহার করা হবে বলে জানান মেয়র।

দয়া করে প্যান্ডেল গুলো খুলে ফেলুন। গর্ত গুলো কে খুলে দিন। এমন কি পুজোর বিজ্ঞাপন খুলে নিন। না খুললে আমরা তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা করব বলে জানান মেয়র। পূজো উদ্যোক্তা দের উদ্দেশে জানান মেয়র।

পার্ক সার্কাস মার্কেটে কালীঘাটে শিফট করব। তারা যদি জায়গায় ছেড়ে দেব তাহলে আমরা মার্কেটের কাজ করে দেব। আমরা পূর্নবাসন করতে চাইছি। যদি তারা না সরেন। তাহলে যদি মার্কেট ভেঙে পড়ে তাহলে আমরা আইনি ভাবে ব্যাবস্থা করব বলে হুশিয়ারি। কিছু দিনের জন্য যদি মার্কেট সেখানে যায়। তাহলে তাদের লাভ হবে। কালীঘাটের সামনে যারা ছিল তাদের হাজরা পার্কে জায়গায় দেওয়া হয়েছিল। যদি ভেঙে মারা যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ নেব বলে জানান মেয়র।

ফুড ইন্সপেক্টরহীন ময়নাগুড়ি পুরসভা, খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলকাতা কর্পোরেশনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন কলকাতা পৌরসভা মেয়র ফিরহাদ হাকিম

আপডেট : ৩ নভেম্বর ২০২৩, শুক্রবার

নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় খাটাল তুলে দেওয়া হয়েছে। এইসব দানকুনিতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কলকাতায় খাটাল আইনত থাকা উচিত নয়। অনেকদিন থেকে রয়েছে।

বন আইন খুব কঠোর। যারা গাছ কাটল গ্রেফতার করা হবে। যদি কেউ বেআইনি গাছ কেটে থাকে তাহলে গ্রেফতারি হতে পারে এবং জরিমানা হতে পারে।

আমাদের এক নম্বর বোরোতে মিটার বসানো হয়েছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে জলের প্রেসার কমে গেছে। সেটা ডি জি জল বিভাগ গিয়ে পরিস্তিতি খুঁটিয়ে দেখবেন বলে জানান মেয়র।

আগে ১৩০০ ছিল এখন কমে ১০০০ সংখ্যায় নেমেছে। নতুন করে বৃষ্টি নাহলে এটা ৫০০ হয়ে যাবে। যেদিন মানুষ বুঝে যাবেন সেদিন এটা শূন্যে হয়ে যাবে বলে জানান মেয়র ডেঙ্গু নিয়ে বলেন মেয়র।

পৌরসভায় কর্মী অভাব রয়েছে বলে স্বীকার করলেন মেয়র। আগে টাইপ রাইটার ছিল। কিন্তু এখন এত কর্মী লাগে না। আযথা লোক না নিয়ে যদি সেই টাকা আলো জলের জন্য ব্যাবহার করা হবে বলে জানান মেয়র।

দয়া করে প্যান্ডেল গুলো খুলে ফেলুন। গর্ত গুলো কে খুলে দিন। এমন কি পুজোর বিজ্ঞাপন খুলে নিন। না খুললে আমরা তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা করব বলে জানান মেয়র। পূজো উদ্যোক্তা দের উদ্দেশে জানান মেয়র।

পার্ক সার্কাস মার্কেটে কালীঘাটে শিফট করব। তারা যদি জায়গায় ছেড়ে দেব তাহলে আমরা মার্কেটের কাজ করে দেব। আমরা পূর্নবাসন করতে চাইছি। যদি তারা না সরেন। তাহলে যদি মার্কেট ভেঙে পড়ে তাহলে আমরা আইনি ভাবে ব্যাবস্থা করব বলে হুশিয়ারি। কিছু দিনের জন্য যদি মার্কেট সেখানে যায়। তাহলে তাদের লাভ হবে। কালীঘাটের সামনে যারা ছিল তাদের হাজরা পার্কে জায়গায় দেওয়া হয়েছিল। যদি ভেঙে মারা যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ নেব বলে জানান মেয়র।