২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

রাইপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নেই ইলেক্ট্রিসিটি! মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট বা টর্চ লাইট জ্বেলে চিকিৎসা করতে হচ্ছে চিকিৎসকদের

নিজস্ব সংবাদদাতা : রাইপুর গ্রামীণ হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরেই দফায় দফায় চলে যাচ্ছে ইলেক্ট্রিসিটি। অভিযোগ এ-ও যে, হাসপাতালে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় এক প্রকার বাধ্য হয়েই মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট বা টর্চ লাইট জ্বেলে চিকিৎসা করতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। এমনই ভয়াবহ অভিযোগ আনছেন খোদ রোগীরাই৷

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘ দু’বছর ধরে এই সমস্যায় ভুগছে এই হাসপাতাল। লোডশেডিংয়ের ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে টর্চের আলো বা ফোনের ফ্ল্যাশলাইটই একমাত্র ভরসা রায়পুর গ্রামীণ হাসপাতালের। জেনারেটর রয়েছে, কিন্তু তার তেলের টাকা না দেওয়ায় এখন সেটাও বন্ধ।এই বিষয় নিয়ে রায়পুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক রঞ্জন সর্দারকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, “আমার তরফ থেকে টাকা দেওয়া সম্ভব নয় এবং বিষয়টি সিএমওএইচ-কে বলেছি৷ কিন্তু তিনি এখনও পর্যন্ত ব্যবস্থা করেননি।”

 

বার বার বিদ্যুৎ যাওয়ার কারণে দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগী এবং রোগীর আত্মীয়দের অবস্থা। বাধ্য হয়ে মোবাইলের আলো কিংবা টর্চ জ্বালিয়ে তাদের থাকতে হয়। হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটছে দীর্ঘ প্রায় দেড় থেকে দু’বছর।অভিযোগ, সমস্যার সম্মুখীন হয়েও টনক নড়েনি রায়পুর গ্রামীণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। টনক নড়েনি প্রশাসনের। এই ভাবেই গড্ডালিকায় চলছে গ্রামীণ হাসপাতাল। রাইপুর হাসপাতালের ওপর বেশ কয়েকটি ব্লকের মানুষজন নির্ভরশীল। সমস্যার সন্মুখীন হয়ে এলাকার দিশেহারা মানুষ বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েছেন। তবে,আজও তার কোনও সুরাহা মেলেনি। এর সমাধান কী এবং কবেই বা মিলবে সুরাহা, তা নিয়ে চিন্তিত এলাকার মানুষ।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাইপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নেই ইলেক্ট্রিসিটি! মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট বা টর্চ লাইট জ্বেলে চিকিৎসা করতে হচ্ছে চিকিৎসকদের

আপডেট : ৭ অক্টোবর ২০২৩, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : রাইপুর গ্রামীণ হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরেই দফায় দফায় চলে যাচ্ছে ইলেক্ট্রিসিটি। অভিযোগ এ-ও যে, হাসপাতালে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় এক প্রকার বাধ্য হয়েই মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট বা টর্চ লাইট জ্বেলে চিকিৎসা করতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। এমনই ভয়াবহ অভিযোগ আনছেন খোদ রোগীরাই৷

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘ দু’বছর ধরে এই সমস্যায় ভুগছে এই হাসপাতাল। লোডশেডিংয়ের ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে টর্চের আলো বা ফোনের ফ্ল্যাশলাইটই একমাত্র ভরসা রায়পুর গ্রামীণ হাসপাতালের। জেনারেটর রয়েছে, কিন্তু তার তেলের টাকা না দেওয়ায় এখন সেটাও বন্ধ।এই বিষয় নিয়ে রায়পুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক রঞ্জন সর্দারকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, “আমার তরফ থেকে টাকা দেওয়া সম্ভব নয় এবং বিষয়টি সিএমওএইচ-কে বলেছি৷ কিন্তু তিনি এখনও পর্যন্ত ব্যবস্থা করেননি।”

 

বার বার বিদ্যুৎ যাওয়ার কারণে দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগী এবং রোগীর আত্মীয়দের অবস্থা। বাধ্য হয়ে মোবাইলের আলো কিংবা টর্চ জ্বালিয়ে তাদের থাকতে হয়। হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটছে দীর্ঘ প্রায় দেড় থেকে দু’বছর।অভিযোগ, সমস্যার সম্মুখীন হয়েও টনক নড়েনি রায়পুর গ্রামীণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। টনক নড়েনি প্রশাসনের। এই ভাবেই গড্ডালিকায় চলছে গ্রামীণ হাসপাতাল। রাইপুর হাসপাতালের ওপর বেশ কয়েকটি ব্লকের মানুষজন নির্ভরশীল। সমস্যার সন্মুখীন হয়ে এলাকার দিশেহারা মানুষ বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েছেন। তবে,আজও তার কোনও সুরাহা মেলেনি। এর সমাধান কী এবং কবেই বা মিলবে সুরাহা, তা নিয়ে চিন্তিত এলাকার মানুষ।