২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

অতিরিক্ত জেলাশাসকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর রিহ্যাবিলেটেশন সেন্টার ফর চিলড্রেন (MRCC) পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক অখণ্ড মেদিনীপুর জেলার প্রথম একশো শতাংশ দৃষ্টিহীন আই এ এস অফিসার(IAS) ও পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক(ADM) কেমপাহোন্নাইয়ার( Shri Kempahonnaiah) চেম্বারে গিয়ে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করে পুস্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সভাপতি চিত্তরঞ্জন মুখার্জী , কোষাধক্ষ্য অনাদি কুমার জানা , সহ সম্পাদক অমিত কুমার সাহু , একাডেমিক এডমিনিস্টেটর নন্দদুলাল ভট্টাচার্য্য , শিক্ষক সঞ্জয় কুন্ডু।

উল্লেখ্য কর্ণাটকের টুমকুর জেলার এই প্রতিভাবান মানুষটি মাত্রা ৯ বছর বয়সে তৃতীয় শ্রেণিতে পাড়ার সময় তিনি সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন হয়ে যান। তারপর স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এর পড়া শেষ করে ইউ জি সি নেট পরীক্ষায় পাশ করে করে অধ্যাপনার কাজে যোগদান করেন। স্ত্রী অচিন্ত্যা দিনে দশ ঘন্টা করে সময় দিয়ে স্বামীকে পড়তে সহযোগিতা করতেন। ২০১৬ সালে ইউ পি এস সি উর্ত্তীর্ণ হয়ে ২০১৭ সালে পশ্চিম বঙ্গ ক্যাডার হিসাবে যোগদান করেন। প্রথমে হুগলিতে পরে রাজ্যের নারী-শিশু ও সমাজ কল্যাণ দপ্তরে ও এস ডি এবং সেখান থেকে গত বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই তিনি মেদিনীপুর কালেক্টরেটে এসে যোগদান করেন। তার সুমিষ্ট ব্যবহারে এম আর সি সি সংস্থার সবাই অবিভূত।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অতিরিক্ত জেলাশাসকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট : ৩ অগাস্ট ২০২১, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর রিহ্যাবিলেটেশন সেন্টার ফর চিলড্রেন (MRCC) পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক অখণ্ড মেদিনীপুর জেলার প্রথম একশো শতাংশ দৃষ্টিহীন আই এ এস অফিসার(IAS) ও পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক(ADM) কেমপাহোন্নাইয়ার( Shri Kempahonnaiah) চেম্বারে গিয়ে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করে পুস্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সভাপতি চিত্তরঞ্জন মুখার্জী , কোষাধক্ষ্য অনাদি কুমার জানা , সহ সম্পাদক অমিত কুমার সাহু , একাডেমিক এডমিনিস্টেটর নন্দদুলাল ভট্টাচার্য্য , শিক্ষক সঞ্জয় কুন্ডু।

উল্লেখ্য কর্ণাটকের টুমকুর জেলার এই প্রতিভাবান মানুষটি মাত্রা ৯ বছর বয়সে তৃতীয় শ্রেণিতে পাড়ার সময় তিনি সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন হয়ে যান। তারপর স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এর পড়া শেষ করে ইউ জি সি নেট পরীক্ষায় পাশ করে করে অধ্যাপনার কাজে যোগদান করেন। স্ত্রী অচিন্ত্যা দিনে দশ ঘন্টা করে সময় দিয়ে স্বামীকে পড়তে সহযোগিতা করতেন। ২০১৬ সালে ইউ পি এস সি উর্ত্তীর্ণ হয়ে ২০১৭ সালে পশ্চিম বঙ্গ ক্যাডার হিসাবে যোগদান করেন। প্রথমে হুগলিতে পরে রাজ্যের নারী-শিশু ও সমাজ কল্যাণ দপ্তরে ও এস ডি এবং সেখান থেকে গত বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই তিনি মেদিনীপুর কালেক্টরেটে এসে যোগদান করেন। তার সুমিষ্ট ব্যবহারে এম আর সি সি সংস্থার সবাই অবিভূত।