২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

কেশপুর কলেজের উদ্যোগে বাল্য বিবাহ সচেতনতা শিবির

নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা মহামারীর পরবর্তীকালে নতুন মহামারী বাল্য বিবাহ। বাল্য বিবাহ বন্ধের আরজি নিয়ে প্রচার শুরু করল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি কেশপুর কলেজও। সুকুমার সেনগুপ্ত মহাবিদ্যালয়ের উদ্যোগে বাল্য বিবাহ সচেতনতা শিবির অনুষ্ঠিত হলো আল মদিনা একাডেমী ও চড়কা আকবরি উচ্চবিদ্যালয়ে। এদিন উপস্থিত ছিলেন কেশপুর কলেজের অধ্যক্ষ দীপক কুমার ভুঁইঞা, অধ্যাপক ডঃ শান্তনু পাণ্ডা, অন্বেষা ব্যানার্জি, সেক আনোয়ার আলি, সেক নাজিম আহমেদ, মোতাহার হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রমুখ।

অধ্যাপক ডঃ শান্তনু পাণ্ডা বলেন, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুযায়ী, বাল্যবিবাহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বাল্যবিবাহের কুফল এবং আইন ও এর শাস্তি সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসনকে উদ্যোগী হতে হবে। স্কুলের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের নিয়ে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

করোনা পরবর্তী সময়ে স্কুলছুটের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে বাল্যবিবাহের প্রবণতা বেড়েছে। বাল্যবিবাহ রোধে নাবালিকাদের সচেতনতা বাড়াতে প্রশাসনের তরফে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্লক প্রশাসন ও থানার পক্ষ থেকে নিয়মিত ভাবে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে গিয়ে বাল্যবিবাহের সচেতনতার প্রচার চলছে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কেশপুর কলেজের উদ্যোগে বাল্য বিবাহ সচেতনতা শিবির

আপডেট : ৪ অগাস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা মহামারীর পরবর্তীকালে নতুন মহামারী বাল্য বিবাহ। বাল্য বিবাহ বন্ধের আরজি নিয়ে প্রচার শুরু করল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি কেশপুর কলেজও। সুকুমার সেনগুপ্ত মহাবিদ্যালয়ের উদ্যোগে বাল্য বিবাহ সচেতনতা শিবির অনুষ্ঠিত হলো আল মদিনা একাডেমী ও চড়কা আকবরি উচ্চবিদ্যালয়ে। এদিন উপস্থিত ছিলেন কেশপুর কলেজের অধ্যক্ষ দীপক কুমার ভুঁইঞা, অধ্যাপক ডঃ শান্তনু পাণ্ডা, অন্বেষা ব্যানার্জি, সেক আনোয়ার আলি, সেক নাজিম আহমেদ, মোতাহার হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রমুখ।

অধ্যাপক ডঃ শান্তনু পাণ্ডা বলেন, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুযায়ী, বাল্যবিবাহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বাল্যবিবাহের কুফল এবং আইন ও এর শাস্তি সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসনকে উদ্যোগী হতে হবে। স্কুলের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের নিয়ে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

করোনা পরবর্তী সময়ে স্কুলছুটের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে বাল্যবিবাহের প্রবণতা বেড়েছে। বাল্যবিবাহ রোধে নাবালিকাদের সচেতনতা বাড়াতে প্রশাসনের তরফে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্লক প্রশাসন ও থানার পক্ষ থেকে নিয়মিত ভাবে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে গিয়ে বাল্যবিবাহের সচেতনতার প্রচার চলছে।