২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

‘খাদ্যশ্রী’ ভবনের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিনিধি : কাল নবান্ন সভাঘর থেকে ‘খাদ্যশ্রী’ ভবনের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ভবন খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের প্রধান কার্যালয় হিসেবে কাজ করবে। প্রতি বছর ২৬শে ফেব্রুয়ারী খাদ্যসাথী দিবস পালন করে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর মস্তিষ্কপ্রসূত খাদ্যসাথী প্রকল্প ২০১৬ সালের এই দিনে সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

খাদ্যসাথী প্রকল্প বাংলার এক অনন্য এবং অন্যতম সফল প্রকল্প। গত আট বছরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার খাদ্য সুরক্ষার দিক থেকে অনেক উন্নতি করেছে।

রাজ্যের প্রায় ৯ কোটি মানুষকে ২টাকা কিলো দরে চাল দেওয়া হয়। ১০০ শতাংশ রেশন কার্ডের ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে।

এখন বাংলার কোটি কোটি মানুষকে পুষ্টিকর খাবারের জন্য দুশ্চিন্তা করতে হয়না। জঙ্গলমহলের বাসিন্দাদের জন্য, সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক চাষিদের, আয়লায় ক্ষতিগ্রস্থদের, বন্ধ চা বাগানের শ্রমিক ও অশ্রমিকদের, পাহাড়ের বাসিন্দাদের, টোটো জাতিদের ও অন্যান্য গৃহহীনদের জন্য বিশেষ খাদ্য প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে।

২০১৪-১৫ অর্থবর্ষ থেকে ভয়াবহ ভাবে অপুষ্ট ৫২০০জনকে বিনামূল্যে পুষ্টিগত সহায়তা করা হচ্ছে। মাসিক প্যাকেজে থাকে ৫ কিলো চাল, ২.৫ কিলো গম এবং ১ কিলো ছোলার ডাল।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘খাদ্যশ্রী’ ভবনের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আপডেট : ১৭ অগাস্ট ২০১৯, শনিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি : কাল নবান্ন সভাঘর থেকে ‘খাদ্যশ্রী’ ভবনের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ভবন খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের প্রধান কার্যালয় হিসেবে কাজ করবে। প্রতি বছর ২৬শে ফেব্রুয়ারী খাদ্যসাথী দিবস পালন করে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর মস্তিষ্কপ্রসূত খাদ্যসাথী প্রকল্প ২০১৬ সালের এই দিনে সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

খাদ্যসাথী প্রকল্প বাংলার এক অনন্য এবং অন্যতম সফল প্রকল্প। গত আট বছরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার খাদ্য সুরক্ষার দিক থেকে অনেক উন্নতি করেছে।

রাজ্যের প্রায় ৯ কোটি মানুষকে ২টাকা কিলো দরে চাল দেওয়া হয়। ১০০ শতাংশ রেশন কার্ডের ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে।

এখন বাংলার কোটি কোটি মানুষকে পুষ্টিকর খাবারের জন্য দুশ্চিন্তা করতে হয়না। জঙ্গলমহলের বাসিন্দাদের জন্য, সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক চাষিদের, আয়লায় ক্ষতিগ্রস্থদের, বন্ধ চা বাগানের শ্রমিক ও অশ্রমিকদের, পাহাড়ের বাসিন্দাদের, টোটো জাতিদের ও অন্যান্য গৃহহীনদের জন্য বিশেষ খাদ্য প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে।

২০১৪-১৫ অর্থবর্ষ থেকে ভয়াবহ ভাবে অপুষ্ট ৫২০০জনকে বিনামূল্যে পুষ্টিগত সহায়তা করা হচ্ছে। মাসিক প্যাকেজে থাকে ৫ কিলো চাল, ২.৫ কিলো গম এবং ১ কিলো ছোলার ডাল।