২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বিমানের যাত্রীরা করতালি দিয়ে ও চিৎকার করে অভিবাদন জানালো আভিনন্দনের পিতামাতাকে।

নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার উইং কমান্ডার অভিনন্দন ভার্থানকে পাকিস্তান মুক্তি দিচ্ছে!
ছেলেকে আনতে কমান্ডার অভিনন্দন এর বাবা-মা দেরী না করে চেন্নাই থেকে দিল্লী পৌঁছে যান।অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল এস ভার্থমান একজন অত্যন্ত সজ্জিত অফিসার এবং তার স্ত্রী শোভা ভার্থানন একজন ডাক্তার। যখন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি আজ ইসলামাবাদে যৌথ অধিবেশনে বলেছেন ওয়াগাহ সীমান্তের মাধ্যমে বিমান বাহিনীর যোদ্ধা পাইলটকে মুক্তি দেওয়া হবে। তখন তারা চেন্নাই এ বিমানে চড়ে। এরপরেই ঐ প্লেনের সমস্ত যাত্রীরা করতালি দিয়ে ও চিৎকার করে অভিবাদন জানায় তাদের পারিবারিক বীরত্বকে, ছবি তুলতে রীতিমত হুড়াহুড়ি শুরু হয়ে যায় তাদের ঘিরে।বিমানটি মধ্যরাতে এক ঘণ্টা পরে দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করে।তারা দিল্লিতে আসার পরেই অমৃতসর চলে যায়। ওয়াঘা সীমান্তে প্রায় দুপুর ২ টায় পাকিস্তান কর্তৃক হস্তান্তর করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তাদের ছেলে “আভি” এখন যুদ্ধবন্ধী দশাতে তবে তার দৃঢ়তা, সাহস এবং অনুগ্রহ ইতিহাস রচনা করেছে। অভি তার পরিবারের দেশসেবার পরম্পরা বজায় রেখেছেন। আভিনন্দন ভার্থানান এমন একটি পরিবার থেকে এসেছেন যারা প্রায় সকলেই দেশ সেবাই নিয়োজিত রেখেছেন নিজেদের। পরম বিশ্ব সেবা পদকসহ বেশ কয়েকটা সম্মাননা পেয়েছেন এয়ার মার্শাল এস ভার্থামান। তার পিতার পাশাপাশি, তাঁর দাদা সিংহাকুটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এয়ার ফোর্স-এ জাতিকে সেবা করেছিলেন। বুধবার এক বার্তায় তার পিতা বলেন, “আবি জীবিত, আহত না, এত বড় কথা বলার মত সাহস শুধু একটা দেশপ্রেমীরই থাকে‌।
আভিনন্দন সত্যিকারের সৈনিক, আমরা তার জন্য গর্বিত। ”

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিমানের যাত্রীরা করতালি দিয়ে ও চিৎকার করে অভিবাদন জানালো আভিনন্দনের পিতামাতাকে।

আপডেট : ১ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার

নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার উইং কমান্ডার অভিনন্দন ভার্থানকে পাকিস্তান মুক্তি দিচ্ছে!
ছেলেকে আনতে কমান্ডার অভিনন্দন এর বাবা-মা দেরী না করে চেন্নাই থেকে দিল্লী পৌঁছে যান।অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল এস ভার্থমান একজন অত্যন্ত সজ্জিত অফিসার এবং তার স্ত্রী শোভা ভার্থানন একজন ডাক্তার। যখন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি আজ ইসলামাবাদে যৌথ অধিবেশনে বলেছেন ওয়াগাহ সীমান্তের মাধ্যমে বিমান বাহিনীর যোদ্ধা পাইলটকে মুক্তি দেওয়া হবে। তখন তারা চেন্নাই এ বিমানে চড়ে। এরপরেই ঐ প্লেনের সমস্ত যাত্রীরা করতালি দিয়ে ও চিৎকার করে অভিবাদন জানায় তাদের পারিবারিক বীরত্বকে, ছবি তুলতে রীতিমত হুড়াহুড়ি শুরু হয়ে যায় তাদের ঘিরে।বিমানটি মধ্যরাতে এক ঘণ্টা পরে দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করে।তারা দিল্লিতে আসার পরেই অমৃতসর চলে যায়। ওয়াঘা সীমান্তে প্রায় দুপুর ২ টায় পাকিস্তান কর্তৃক হস্তান্তর করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তাদের ছেলে “আভি” এখন যুদ্ধবন্ধী দশাতে তবে তার দৃঢ়তা, সাহস এবং অনুগ্রহ ইতিহাস রচনা করেছে। অভি তার পরিবারের দেশসেবার পরম্পরা বজায় রেখেছেন। আভিনন্দন ভার্থানান এমন একটি পরিবার থেকে এসেছেন যারা প্রায় সকলেই দেশ সেবাই নিয়োজিত রেখেছেন নিজেদের। পরম বিশ্ব সেবা পদকসহ বেশ কয়েকটা সম্মাননা পেয়েছেন এয়ার মার্শাল এস ভার্থামান। তার পিতার পাশাপাশি, তাঁর দাদা সিংহাকুটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এয়ার ফোর্স-এ জাতিকে সেবা করেছিলেন। বুধবার এক বার্তায় তার পিতা বলেন, “আবি জীবিত, আহত না, এত বড় কথা বলার মত সাহস শুধু একটা দেশপ্রেমীরই থাকে‌।
আভিনন্দন সত্যিকারের সৈনিক, আমরা তার জন্য গর্বিত। ”