২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

১৫০ জন দু:স্থকে একমাসের খাদ্যসমগ্রী দিল চাঁচলের আজাদ গ্রাম উন্নয়ন সমিতি।

নতুন গতি নিউজডেস্ক: লকডাউন বেড়েছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষদের সমস্যাও। এরমধ্যেই তাদের পাশে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পাশাপাশি দাঁড়িয়েছেন অনেকেই। তাদের রেশন মিললেও তা দিয়ে কয়েকদিনের বেশি চলছে না। তাই এবার ওই দুঃস্থ বাসিন্দাদের সাহায্যে এগিয়ে আসল চাঁচলের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা খানপুর আজাদ গ্রাম উন্নয়ন সমিতি। বুধবার মাগুড়ায় একটি বেসরকারি স্কুলে শিবির করে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে দুঃস্থদের হাতে ত্রান তুলে দেওয়া হয়! এদিন মালদা জেলার চাঁচল-২ ব্লকের খানপুর, রতুয়ার শ্রীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিরামপুর, মাগুড়া, কুমারগঞ্জ এলাকার ১৫০ জন দুঃস্থ বাসিন্দাকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়। প্রত্যেককে ২৫ কিলোগ্রাম চাল, ৫ কিলোগ্রাম আটা, তার কিলোগ্রাম চিনি, তিন কিলোগ্রাম মুড়ি, ৫০০ গ্রাম খেজুর, জুসের প্যাকেট ও মাস্ক দেওয়া হয়।

 

শিবিরে ত্রান বিলি করার আগে করোনার সংক্রমন থেকে বাঁচতে বাসিন্দাদের সচেতনও করা হয়। অকারণে তারা যেন বাড়ি থেকে বের না হন তার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে বের হলে যেন মাস্ক পড়ে বের হন তা নিয়েও সচেতন করেন সংস্থার সদস্যরা। লকডাউনের জেরে সমস্যায় পড়া মানুষদের পাশে প্রয়োজনে ফের তারা দাঁড়াবেন বলে জানিয়েছেন সংস্থার সম্পাদক আব্দুর রশিদ।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

১৫০ জন দু:স্থকে একমাসের খাদ্যসমগ্রী দিল চাঁচলের আজাদ গ্রাম উন্নয়ন সমিতি।

আপডেট : ৬ মে ২০২০, বুধবার

নতুন গতি নিউজডেস্ক: লকডাউন বেড়েছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষদের সমস্যাও। এরমধ্যেই তাদের পাশে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পাশাপাশি দাঁড়িয়েছেন অনেকেই। তাদের রেশন মিললেও তা দিয়ে কয়েকদিনের বেশি চলছে না। তাই এবার ওই দুঃস্থ বাসিন্দাদের সাহায্যে এগিয়ে আসল চাঁচলের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা খানপুর আজাদ গ্রাম উন্নয়ন সমিতি। বুধবার মাগুড়ায় একটি বেসরকারি স্কুলে শিবির করে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে দুঃস্থদের হাতে ত্রান তুলে দেওয়া হয়! এদিন মালদা জেলার চাঁচল-২ ব্লকের খানপুর, রতুয়ার শ্রীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিরামপুর, মাগুড়া, কুমারগঞ্জ এলাকার ১৫০ জন দুঃস্থ বাসিন্দাকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়। প্রত্যেককে ২৫ কিলোগ্রাম চাল, ৫ কিলোগ্রাম আটা, তার কিলোগ্রাম চিনি, তিন কিলোগ্রাম মুড়ি, ৫০০ গ্রাম খেজুর, জুসের প্যাকেট ও মাস্ক দেওয়া হয়।

 

শিবিরে ত্রান বিলি করার আগে করোনার সংক্রমন থেকে বাঁচতে বাসিন্দাদের সচেতনও করা হয়। অকারণে তারা যেন বাড়ি থেকে বের না হন তার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে বের হলে যেন মাস্ক পড়ে বের হন তা নিয়েও সচেতন করেন সংস্থার সদস্যরা। লকডাউনের জেরে সমস্যায় পড়া মানুষদের পাশে প্রয়োজনে ফের তারা দাঁড়াবেন বলে জানিয়েছেন সংস্থার সম্পাদক আব্দুর রশিদ।