২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মাংসভুক উদ্ভিদের দেখা মিলল বীরভূমের রাজনগরের গভীর জঙ্গলে

 

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

মাংসভুক উদ্ভিদের দেখা মিলল বীরভূমের রাজনগরের গভীর জঙ্গলে। এই উদ্ভিদটির প্রকৃত নাম ড্রসেরা বা সূর্যশিশির।
পৃথিবীতে বেশ কিছু উদ্ভিদ রয়েছে যেগুলো কীট-পতঙ্গ খেয়ে থাকে, ড্রসেরা বা সূর্যশিশির এরকমই একটি উদ্ভিদ। আফ্রিকার অ্যামাজনের জঙ্গলে মাংসাশী বেশ কিছু গাছ রয়েছে যেগুলো ছোট ছোট কীটপতঙ্গ এমন কি ব্যাঙ, ইঁদুরকেও ধরে ধরে খেয়ে ফেলে।
ইঁদুর, ব্যাঙ খাওয়া এসব উদ্ভিদের দেখা না মিললেও পতঙ্গভুক এক উদ্ভিদের দেখা মিলল বীরভূমের ঝাড়খন্ড সীমান্তবর্তী রাজনগরের এক জঙ্গলে।
পতঙ্গভুক এই ছোট্ট উদ্ভিদের নাম ড্রসেরা বা সূর্য শিশির।
রাজনগরের একটি জঙ্গলের মধ্যে স্যাঁতস্যাঁতে একটি জায়গায় এই পতঙ্গভুক উদ্ভিদের দেখা মিলল।

রাজনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিষয়ের প্রাক্তন শিক্ষক গৌর হরি দত্ত জানালেন এই উদ্ভিদের গা থেকে এক ধরনের এনজাইম নির্গত হয়। এর ওপরে সকালের সূর্যের ছ’টা পড়লে শিশির বিন্দুর মতো দেখতে মনে হয়। এই ড্রসেরা বা সূর্যশিশির উদ্ভিদের গায়ে থাকে অসংখ্য কর্শিকা। যখনই ছোট ছোট কোন কীটপতঙ্গ এই সূর্যশিশির উদ্ভিদের গায়ে বসে তখনই এই কর্সিকাগুলো থেকে বেরোনো এক ধরনের এনজাইম এই ছোট্ট ছোট্ট কীট-পতঙ্গ গুলিকে মেরে ফেলে। এই কীটপতঙ্গ খেয়েই বেঁচে থাকে এই উদ্ভিদ। আশ্চর্যজনক এই উদ্ভিদের কথা আমরা অনেকেই ছোটবেলায় সাধারণ জ্ঞানের বইয়ে পড়েছি।
আশ্চর্যজনক এই উদ্ভিদের সচরাচর আমাদের এলাকায় সাধারণত দেখা মেলে না।
ঝাড়খন্ড  সীমান্তবর্তী বীরভূমের রাজনগরের একটি গভীর জঙ্গলে প্রায় বিরল প্রজাতির এই উদ্ভিদের দেখা মিলল।

 

 

 

 

 

 

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মাংসভুক উদ্ভিদের দেখা মিলল বীরভূমের রাজনগরের গভীর জঙ্গলে

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৫, সোমবার

 

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

মাংসভুক উদ্ভিদের দেখা মিলল বীরভূমের রাজনগরের গভীর জঙ্গলে। এই উদ্ভিদটির প্রকৃত নাম ড্রসেরা বা সূর্যশিশির।
পৃথিবীতে বেশ কিছু উদ্ভিদ রয়েছে যেগুলো কীট-পতঙ্গ খেয়ে থাকে, ড্রসেরা বা সূর্যশিশির এরকমই একটি উদ্ভিদ। আফ্রিকার অ্যামাজনের জঙ্গলে মাংসাশী বেশ কিছু গাছ রয়েছে যেগুলো ছোট ছোট কীটপতঙ্গ এমন কি ব্যাঙ, ইঁদুরকেও ধরে ধরে খেয়ে ফেলে।
ইঁদুর, ব্যাঙ খাওয়া এসব উদ্ভিদের দেখা না মিললেও পতঙ্গভুক এক উদ্ভিদের দেখা মিলল বীরভূমের ঝাড়খন্ড সীমান্তবর্তী রাজনগরের এক জঙ্গলে।
পতঙ্গভুক এই ছোট্ট উদ্ভিদের নাম ড্রসেরা বা সূর্য শিশির।
রাজনগরের একটি জঙ্গলের মধ্যে স্যাঁতস্যাঁতে একটি জায়গায় এই পতঙ্গভুক উদ্ভিদের দেখা মিলল।

রাজনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিষয়ের প্রাক্তন শিক্ষক গৌর হরি দত্ত জানালেন এই উদ্ভিদের গা থেকে এক ধরনের এনজাইম নির্গত হয়। এর ওপরে সকালের সূর্যের ছ’টা পড়লে শিশির বিন্দুর মতো দেখতে মনে হয়। এই ড্রসেরা বা সূর্যশিশির উদ্ভিদের গায়ে থাকে অসংখ্য কর্শিকা। যখনই ছোট ছোট কোন কীটপতঙ্গ এই সূর্যশিশির উদ্ভিদের গায়ে বসে তখনই এই কর্সিকাগুলো থেকে বেরোনো এক ধরনের এনজাইম এই ছোট্ট ছোট্ট কীট-পতঙ্গ গুলিকে মেরে ফেলে। এই কীটপতঙ্গ খেয়েই বেঁচে থাকে এই উদ্ভিদ। আশ্চর্যজনক এই উদ্ভিদের কথা আমরা অনেকেই ছোটবেলায় সাধারণ জ্ঞানের বইয়ে পড়েছি।
আশ্চর্যজনক এই উদ্ভিদের সচরাচর আমাদের এলাকায় সাধারণত দেখা মেলে না।
ঝাড়খন্ড  সীমান্তবর্তী বীরভূমের রাজনগরের একটি গভীর জঙ্গলে প্রায় বিরল প্রজাতির এই উদ্ভিদের দেখা মিলল।