২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

চলে গেলেন মতুয়াদের বড়মা বীণাপাণি দেবী, গান স্যালুট দিয়ে বিদায় জানানো হবে তাকে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

নতুন গতি নিউজ ডেস্কঃচলে গেলেন মতুয়াদের বড়মা বীণাপাণি দেবী। বুধবার এসএসকে এম হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বয়সজনিত কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভরতি হন। পরে তাঁর দেহের একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যায়। চিকিৎসায় আর সাড়া দিচ্ছিলেন না বীণাপাণি দেবী।

মতুয়া মহাসংঘের বড়মা বীণাপাণি দেবীর বয়স একশো পেরিয়ে গিয়েছে। বার্ধক্যজনিত সমস্যায় গাইঘাটের ঠাকুরবাড়িতে কার্যত শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই তাঁর শারীরিক অবস্থা অবনতি হয়। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন বীণাপাণি দেবী। তাঁর পুত্রবধূ মমতাবালা ঠাকুর বনগাঁর সাংসদ। তিনি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় শতায়ু বড়মার। পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক ছিল যে, জ্ঞান হারান তিনি। তড়িঘড়ি বীণাপাণিদেবীকে ভরতি করা হয় কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, শ্বাসকষ্টের সমস্যা তো ছিলই, তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রাও ওঠানামা করছিল। কল্যাণীর হাসপাতালে বড়মাকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত রবিবার বীণাপাণিদেবীকে আনা হয় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। বড়মার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করে রাজ্য সরকার। কিন্তু বড়মার শারীরিক অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। শেষমেশ মঙ্গলবার পাঁচজন চিকিৎসককে নিয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ডও গঠন করা হয়। কিন্তু তাতেও বাঁচানো সম্ভব হল না বড়মাকে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চলে গেলেন মতুয়াদের বড়মা বীণাপাণি দেবী, গান স্যালুট দিয়ে বিদায় জানানো হবে তাকে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট : ৫ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্কঃচলে গেলেন মতুয়াদের বড়মা বীণাপাণি দেবী। বুধবার এসএসকে এম হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বয়সজনিত কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভরতি হন। পরে তাঁর দেহের একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যায়। চিকিৎসায় আর সাড়া দিচ্ছিলেন না বীণাপাণি দেবী।

মতুয়া মহাসংঘের বড়মা বীণাপাণি দেবীর বয়স একশো পেরিয়ে গিয়েছে। বার্ধক্যজনিত সমস্যায় গাইঘাটের ঠাকুরবাড়িতে কার্যত শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই তাঁর শারীরিক অবস্থা অবনতি হয়। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন বীণাপাণি দেবী। তাঁর পুত্রবধূ মমতাবালা ঠাকুর বনগাঁর সাংসদ। তিনি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় শতায়ু বড়মার। পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক ছিল যে, জ্ঞান হারান তিনি। তড়িঘড়ি বীণাপাণিদেবীকে ভরতি করা হয় কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, শ্বাসকষ্টের সমস্যা তো ছিলই, তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রাও ওঠানামা করছিল। কল্যাণীর হাসপাতালে বড়মাকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত রবিবার বীণাপাণিদেবীকে আনা হয় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। বড়মার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করে রাজ্য সরকার। কিন্তু বড়মার শারীরিক অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। শেষমেশ মঙ্গলবার পাঁচজন চিকিৎসককে নিয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ডও গঠন করা হয়। কিন্তু তাতেও বাঁচানো সম্ভব হল না বড়মাকে।