২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বিজেপির রাজ্য নেতা গ্রেপ্তার মেমারিতে

নূর আহমেদ : মেমারি, 23 মার্চ বুধবার রাতে মেমারি থানার পুলিশ বিজেপির রাজ্য নেতা সন্তোষ রায়কে পাল্লারোড স্থিত তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশসূত্রে জানা যায় ২০০৩ সালে চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে মারধর করা ও অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলায় বিজেপি নেতা সন্তোষ রায়কে গ্রেপ্তার করে। গত ১৮ নভেম্বর ২০০৩ সালে মেমারির পাল্লা রোডের তিন নম্বর ক্যানেল পাড়ে, চাঁচাই নীলকুঠির বাসিন্দা শ্রীবাস মধু নামের এক ব্যক্তিকে চোর সন্দেহে মারধরের ঘটনা ঘটে।

গুরুতর জখম হয়ে শ্রীবাস মধু নামের ওই ব্যক্তি বর্ধমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। শ্রীবাস মধুর আত্মীয় রবিন বিশ্বাস ওইদিন মেমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পত্রে বেশ কয়েকজনের নামের সাথে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য সন্তোষ রায়ের নামও উল্লেখ ছিল। গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সন্তোষ রায় নামের ওই ব্যক্তির গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে বর্ধমান আদালতে পেশ করে মেমারি থানার পুলিশ।

অন্যদিকে বিজেপি নেতা সন্তোষ রায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, যে সন্তোষ রায়ের নামে অভিযোগ হয়েছে তার বাবার নাম সুনীল রায়, আমার বাবার নাম সুশীল রায়। পুলিশ ভুলবশতঃ আমাকে গ্রেপ্তার করেছে।

যদিও আদালত আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ধৃত বিজেপি নেতাকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিজেপির রাজ্য নেতা গ্রেপ্তার মেমারিতে

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২৩, বৃহস্পতিবার

নূর আহমেদ : মেমারি, 23 মার্চ বুধবার রাতে মেমারি থানার পুলিশ বিজেপির রাজ্য নেতা সন্তোষ রায়কে পাল্লারোড স্থিত তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশসূত্রে জানা যায় ২০০৩ সালে চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে মারধর করা ও অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলায় বিজেপি নেতা সন্তোষ রায়কে গ্রেপ্তার করে। গত ১৮ নভেম্বর ২০০৩ সালে মেমারির পাল্লা রোডের তিন নম্বর ক্যানেল পাড়ে, চাঁচাই নীলকুঠির বাসিন্দা শ্রীবাস মধু নামের এক ব্যক্তিকে চোর সন্দেহে মারধরের ঘটনা ঘটে।

গুরুতর জখম হয়ে শ্রীবাস মধু নামের ওই ব্যক্তি বর্ধমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। শ্রীবাস মধুর আত্মীয় রবিন বিশ্বাস ওইদিন মেমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পত্রে বেশ কয়েকজনের নামের সাথে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য সন্তোষ রায়ের নামও উল্লেখ ছিল। গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সন্তোষ রায় নামের ওই ব্যক্তির গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে বর্ধমান আদালতে পেশ করে মেমারি থানার পুলিশ।

অন্যদিকে বিজেপি নেতা সন্তোষ রায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, যে সন্তোষ রায়ের নামে অভিযোগ হয়েছে তার বাবার নাম সুনীল রায়, আমার বাবার নাম সুশীল রায়। পুলিশ ভুলবশতঃ আমাকে গ্রেপ্তার করেছে।

যদিও আদালত আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ধৃত বিজেপি নেতাকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।