২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বিজেপি করার অপরাধে দুষ্কৃতী হামলা অব্যাহত বীরভূমে, অভিযোগ অস্বীকার শাসকদলের

নিশির কুমার হাজরা! বীরভূম!গতকাল রাত্রে নটার সময় পারুই থানার অবিনাশপুর অঞ্চলের হাট ইকড়া গ্রামে বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতী দল।

বাড়ির আসবাবপত্র থেকে শুরু করে রান্নার সামগ্রী কিছুই বাদ দেননি। সব কিছুই ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে ওই দুষ্কৃতীরা। ভাংচুরের পর ষাটোর্ধ্ব বয়স্ক বৃদ্ধা মহিলা কেউ ছাড়েনি তারা! অকথ্য মারধর ও অত্যাচার করেছে বলে সূত্রের খবর!

ঘটনা ঘটার পর প্রতিবেশীরা থানায় ফোন করে পুলিশকে জানালেও ঘটনাস্থলে পুলিশ আসেননি। নির্বিকার প্রশাসন। একজন বৃদ্ধার ওপর চলল অকথ্য নির্যাতন। অথচ পুলিশ প্রশাসন নিরব। ভাবাই যায় না মানুষ আজ কোন স্বর্গ রাজ্যে বসবাস করছে! বেঁচে থাকার সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক অধিকার আজ বিপন্ন হতে চলেছে। এ কথা রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভাবনার অবকাশ কোথায়? সংবাদমাধ্যমকে জানালেন পারুই গ্রামের জনৈক সমাজসেবী তথা বাম সমর্থক।

অন্যদিকে একই অপরাধে একই সময়ে অভিনাশ পুরের হাট্টিকরা গ্রামেও চলল ভাঙচুর ও অত্যাচার। পুলিশকে জানানো সত্ত্বেও ঘটনাস্থলে পুলিশ আসেন নি এবং এখনো পর্যন্ত ঘটনার কোন পুলিশি তদন্ত হয়নি বলে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ।

এক প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল নেতৃত্ব জানান, রাতের অন্ধকারে কে বা কারা বাড়িতে হামলা চালালো ভাঙচুর করল তা দেখার দায় পুলিশের। আমাদের দলের কেউ এ কাজ করতে পারে না। সারাদিন মানুষ চাষের কাজে মাঠে হাড়ভাঙ্গা খাটনিতে সন্ধের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে ক্লান্তিতে। ওসব হামলা ভাঙচুর করার সময় তাদের নেই। বিরোধীরা মিথ্যে অভিযোগ করে আমাদের বারবার অপমান করছে এবং শাসক দলের আদর্শ কে কালিমালিপ্ত করতে চাইছে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিজেপি করার অপরাধে দুষ্কৃতী হামলা অব্যাহত বীরভূমে, অভিযোগ অস্বীকার শাসকদলের

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার

নিশির কুমার হাজরা! বীরভূম!গতকাল রাত্রে নটার সময় পারুই থানার অবিনাশপুর অঞ্চলের হাট ইকড়া গ্রামে বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতী দল।

বাড়ির আসবাবপত্র থেকে শুরু করে রান্নার সামগ্রী কিছুই বাদ দেননি। সব কিছুই ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে ওই দুষ্কৃতীরা। ভাংচুরের পর ষাটোর্ধ্ব বয়স্ক বৃদ্ধা মহিলা কেউ ছাড়েনি তারা! অকথ্য মারধর ও অত্যাচার করেছে বলে সূত্রের খবর!

ঘটনা ঘটার পর প্রতিবেশীরা থানায় ফোন করে পুলিশকে জানালেও ঘটনাস্থলে পুলিশ আসেননি। নির্বিকার প্রশাসন। একজন বৃদ্ধার ওপর চলল অকথ্য নির্যাতন। অথচ পুলিশ প্রশাসন নিরব। ভাবাই যায় না মানুষ আজ কোন স্বর্গ রাজ্যে বসবাস করছে! বেঁচে থাকার সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক অধিকার আজ বিপন্ন হতে চলেছে। এ কথা রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভাবনার অবকাশ কোথায়? সংবাদমাধ্যমকে জানালেন পারুই গ্রামের জনৈক সমাজসেবী তথা বাম সমর্থক।

অন্যদিকে একই অপরাধে একই সময়ে অভিনাশ পুরের হাট্টিকরা গ্রামেও চলল ভাঙচুর ও অত্যাচার। পুলিশকে জানানো সত্ত্বেও ঘটনাস্থলে পুলিশ আসেন নি এবং এখনো পর্যন্ত ঘটনার কোন পুলিশি তদন্ত হয়নি বলে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ।

এক প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল নেতৃত্ব জানান, রাতের অন্ধকারে কে বা কারা বাড়িতে হামলা চালালো ভাঙচুর করল তা দেখার দায় পুলিশের। আমাদের দলের কেউ এ কাজ করতে পারে না। সারাদিন মানুষ চাষের কাজে মাঠে হাড়ভাঙ্গা খাটনিতে সন্ধের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে ক্লান্তিতে। ওসব হামলা ভাঙচুর করার সময় তাদের নেই। বিরোধীরা মিথ্যে অভিযোগ করে আমাদের বারবার অপমান করছে এবং শাসক দলের আদর্শ কে কালিমালিপ্ত করতে চাইছে।