২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বীরভূমের রাজনগরে নাবালিকার বিয়ে রুখলো প্রশাসন

খান আরশাদ, রাজনগর : বীরভূমে রাজনগর থানার ভবানীপুর অঞ্চলের নিঝুরি গ্রামে এক আদিবাসী নাবালিকার বিয়ে রুখলো প্রশাসন। নিঝুরি গ্রামের ১৪ বছরের নাবালিকার বিয়ে আগামী বুধবার ঠিক হয়েছিল পাশের এক গ্রামে। আগাম খবর পেয়ে নববর্ষের দিন সোমবার বীরভূম চাইল্ড লাইনের সিউড়ি শাখার সদস্যরা, রাজনগর থানার ওসি সঞ্চয়ন ব্যানার্জ্জী ও রাজনগর ব্লক প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে ওই নাবালিকার বাড়ী যান। সেখানে তাঁরা নাবালিকা ও তার মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। ওই নাবালিকার মা বলেন তাঁর স্বামী মারা গেছে বেশ কিছুদিন আগে। তাঁর দুই মেয়ে। বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। এটি তাঁর ছোট মেয়ে। তার বয়স ১৪। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ত। বর্তমানে পড়া ছেড়ে দিয়েছে। ওই নাবালিকার বাবা মারা যাওয়াতে বাড়ীতে এখন রোজগেরে বলতে কেউ নেই। তাই মেয়ের বিয়ে দিয়ে বরকে ঘরজামাই হিসেবে রাখতে চায় নাবালিকার মা । এসব শোনার পর ওসি সঞ্চয়ন ব্যানার্জ্জী, চাইল্ডলাইনের মৃনালকান্তি চক্রবর্ত্তী, শুচিস্মিতা চক্রবর্ত্তী, ব্লক প্রতিনিধি প্রীতম ঘোষ, এ.এস.আই. সুশীল কিস্কু ওই নাবালিকা ও তার মা-কে কম বয়সে বিয়ের কুফল ও মেয়ের সরকারী সুযোগ সুবিধা সমন্ধে বোঝান। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে মা ও মেয়েকে সবরকম সাহায্যদানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।মেয়ের মাও প্রতিশ্রুতি দেয় তার মেয়েকে স্কুলে পড়াবে ও ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেনা।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বীরভূমের রাজনগরে নাবালিকার বিয়ে রুখলো প্রশাসন

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার

খান আরশাদ, রাজনগর : বীরভূমে রাজনগর থানার ভবানীপুর অঞ্চলের নিঝুরি গ্রামে এক আদিবাসী নাবালিকার বিয়ে রুখলো প্রশাসন। নিঝুরি গ্রামের ১৪ বছরের নাবালিকার বিয়ে আগামী বুধবার ঠিক হয়েছিল পাশের এক গ্রামে। আগাম খবর পেয়ে নববর্ষের দিন সোমবার বীরভূম চাইল্ড লাইনের সিউড়ি শাখার সদস্যরা, রাজনগর থানার ওসি সঞ্চয়ন ব্যানার্জ্জী ও রাজনগর ব্লক প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে ওই নাবালিকার বাড়ী যান। সেখানে তাঁরা নাবালিকা ও তার মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। ওই নাবালিকার মা বলেন তাঁর স্বামী মারা গেছে বেশ কিছুদিন আগে। তাঁর দুই মেয়ে। বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। এটি তাঁর ছোট মেয়ে। তার বয়স ১৪। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ত। বর্তমানে পড়া ছেড়ে দিয়েছে। ওই নাবালিকার বাবা মারা যাওয়াতে বাড়ীতে এখন রোজগেরে বলতে কেউ নেই। তাই মেয়ের বিয়ে দিয়ে বরকে ঘরজামাই হিসেবে রাখতে চায় নাবালিকার মা । এসব শোনার পর ওসি সঞ্চয়ন ব্যানার্জ্জী, চাইল্ডলাইনের মৃনালকান্তি চক্রবর্ত্তী, শুচিস্মিতা চক্রবর্ত্তী, ব্লক প্রতিনিধি প্রীতম ঘোষ, এ.এস.আই. সুশীল কিস্কু ওই নাবালিকা ও তার মা-কে কম বয়সে বিয়ের কুফল ও মেয়ের সরকারী সুযোগ সুবিধা সমন্ধে বোঝান। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে মা ও মেয়েকে সবরকম সাহায্যদানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।মেয়ের মাও প্রতিশ্রুতি দেয় তার মেয়েকে স্কুলে পড়াবে ও ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেনা।