উজির আলি, মালদা: দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর মালদহের চাঁচলে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার নয়া ডিপো নিজস্ব জায়গাই গড়ে তুলেছে রাজ্যসরকার। সেও আবার চাঁচল শহরে নই! শহর থেকে তিন কিমি দূরত্ব ভিতরে কলিগ্রামে।নয়া ডিপো কয়েক মাসের মধ্যে চালু হতে চলেছে বলে খবর।স্বাভাবিকভাবে এলাকাবাসি খুশি হলেও, দাবি রয়েছে টারমিনাস নিয়ে। প্রান কেন্দ্র চাঁচল শহর থেকে তিন কিমি দূরে ডিপো। সেখানে গিয়ে বাসের সিট দখল করতে যেতে হবে। এমনটাই যেন দুর্ভোগে পড়তে হবে যাত্রীদের। ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিন বঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বাস চলে।চাঁচলে বাস টারমিনাস না হলে কলিগ্রামে রাত্রে ও ভোরবেলা বাস ধরতে চাঁচল সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের অসুবিধে হবে। কলিগ্রামে নয়া ডিপোতে গ্যারেজের ও অন্যান্য কাজ হোক। বাস ডিপো স্থান্তরিত হওয়ার আগে চাঁচল শহরে বাস টারমিনাস করা হোক। দাবি জানিয়েছেন, চাঁচল।
মার্চেন্টঅ্যাসোশিয়েশন, চাঁচলের নাগরিক মঞ্চ ও চাঁচলের আওয়াজের সদস্য সহ গোটা চাঁচল শহরবাসি।নিম্নলিখিত দাবিগুলি নিয়ে বৃহস্পতিবার চাঁচলের মহকুমা শাসকের হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয় তাদের তরফে। এদিন মহাকুমা শাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়া মুহুর্তে উপস্থিত ছিলেন, চাঁচল মার্চেন্ট অ্যাসোশিয়েনের সভাপতি প্রাণ গোপাল পোদ্দার, চাঁচল নাগরিক মঞ্চের সদস্য সুরজিৎ চ্যাটার্জী, শিক্ষক পার্থ সরকার,প্রবীণ সমাজসেবক সীতারাম সাহা,অমিতেষ পান্ডে,রোজিনা খাতুন ও অভিজিৎ দাস।
মহাকুমা শাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পরে চাঁচল মার্চেন্ট অ্যাসোশিয়েসনের সভাপতি প্রাণগোপাল পোদ্দার বলেন, কলিগ্রামে নয়া ডিপোর নির্মানের কাজ শুরু হওয়ার সাথে সাথে দুই বছর ধরে এই দাবী নিয়ে আন্দোলনে রয়েছি।মহকুমাশাসক সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিক এবং পরিবহন মন্ত্রীর কাছে এই মর্মে দাবিপত্র দিয়েছিলাম। এমনকি উত্তর মালদা সাংসদকেও বিষয়টি জানিয়েছি। নয়া ডিপো চালু হওয়ার আগে ফের মহকুমা শাসকের সাথে আলোচনা করলাম। এবং দাবিপত্র তুলে দিলাম। দাবী না মানা হলে নয়া এনবিএসটিসি ডিপো চালু হওয়ার সময় কলিগ্রামে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমরা অবস্থানে-বিক্ষোভে বসবো বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।এদিন স্মারকলিপি পেয়ে চাঁচলের মহকুমা শাসক সঞ্জয় পাল জানিয়েছেন, দাবি গুলো নিয়ে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার আধিকারিকদের সাথে আলোচনা করব।
নতুন গতি 





















