০৩ জুন ২০২৬, বুধবার, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০৩ জুন ২০২৬, বুধবার, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে নিশীথ প্রামানিকের প্রশংসা বাবুনের

আনজুম মুনির, কলকাতা: “অরূপের সঙ্গে বনিবনা হতো না, নিশীথের সঙ্গে কাজ করতে চাই। ২০১৩ সাল থেকেই আমি কোণঠাসা। যন্ত্রণা কেউ বোঝেনি।” সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুলে এভাবেই শিবির বদলের ইঙ্গিত দেন বাবুন। কিন্তু সত্যিই কী মমতার আমলে কোণঠাসা ছিলেন মমতারই ভাই? জল্পনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

রাজ্যে পরিবর্তনের পর ইতিমধ্যে বক্সিং এবং হ্যান্ডবল সংস্থা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মমতার ভাই। বাবুন বন্দ্য়োপাধ্যায় আবার ইতিহাস মনে করিয়ে বলছেন, “যে ক্রীড়ামন্ত্রী থাকেন আমি তাঁর সঙ্গেই কাজ করি। সুভাষ চক্রবর্তী থাকাকালীন তাঁর সঙ্গেও সম্পর্ক রেখেছি। মদন মিত্রের সঙ্গেও ঠিক ছিল। কিন্তু অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে পারিনি। কারণ আমাকে কোনওদিন উনি ভালো চোখে দেখেননি। আমার কাজে কোনওদিন সাপোর্ট করেনি। নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমি ওনার সঙ্গেও কাজ করব।”

এরপরই খানিক হতাশার সুরে বলেন, “আমি ২০১৩ সাল থেকে কোণঠাসা। কষ্ট কাউকে বলতে পারিনি।” তবে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলছেন, “ওর যন্ত্রণা তো দিদিও বুঝতে পারেনি। ওকে ত্যাজ্য ভাই করেছিল। ও একবার তো বিজেপি করবে বলে দিল্লি চলে গিয়েছিল। আসলে এখন দেখছে দিদিকে দিয়ে আর কাজ নেই। কিন্তু দিদিকে দিয়েই এরা কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেছে।”

“এমন চোরা গোপ্তা কাজ করার কিছু ছিল না” নব তৃণমূল ব্লককে একহাত কুনালের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে নিশীথ প্রামানিকের প্রশংসা বাবুনের

আপডেট : ৩ জুন ২০২৬, বুধবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: “অরূপের সঙ্গে বনিবনা হতো না, নিশীথের সঙ্গে কাজ করতে চাই। ২০১৩ সাল থেকেই আমি কোণঠাসা। যন্ত্রণা কেউ বোঝেনি।” সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুলে এভাবেই শিবির বদলের ইঙ্গিত দেন বাবুন। কিন্তু সত্যিই কী মমতার আমলে কোণঠাসা ছিলেন মমতারই ভাই? জল্পনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

রাজ্যে পরিবর্তনের পর ইতিমধ্যে বক্সিং এবং হ্যান্ডবল সংস্থা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মমতার ভাই। বাবুন বন্দ্য়োপাধ্যায় আবার ইতিহাস মনে করিয়ে বলছেন, “যে ক্রীড়ামন্ত্রী থাকেন আমি তাঁর সঙ্গেই কাজ করি। সুভাষ চক্রবর্তী থাকাকালীন তাঁর সঙ্গেও সম্পর্ক রেখেছি। মদন মিত্রের সঙ্গেও ঠিক ছিল। কিন্তু অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে পারিনি। কারণ আমাকে কোনওদিন উনি ভালো চোখে দেখেননি। আমার কাজে কোনওদিন সাপোর্ট করেনি। নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমি ওনার সঙ্গেও কাজ করব।”

এরপরই খানিক হতাশার সুরে বলেন, “আমি ২০১৩ সাল থেকে কোণঠাসা। কষ্ট কাউকে বলতে পারিনি।” তবে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলছেন, “ওর যন্ত্রণা তো দিদিও বুঝতে পারেনি। ওকে ত্যাজ্য ভাই করেছিল। ও একবার তো বিজেপি করবে বলে দিল্লি চলে গিয়েছিল। আসলে এখন দেখছে দিদিকে দিয়ে আর কাজ নেই। কিন্তু দিদিকে দিয়েই এরা কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেছে।”