২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

মালদা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আশীষ কুন্ডু।

আশিস কুন্ডু, মালদা,  ২৩ জুলাই। মালদা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আশীষ কুন্ডু। মঙ্গলবার বিকেল ৪ টায় সাংবাদিক বৈঠক ডেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কথা জানিয়ে দেন তিনি।

কেন পদত্যাগ ? তার উত্তরে আশীষ কুন্ডু জানিয়েছেন,  তাঁর সময়সীমা ২ বছর হয়ে গেছে।

যদিও আশীষ কুন্ডুর পদত্যাগ নিয়ে নানা জল্পনা উস্কে দিয়েছে। বেতন বৃদ্ধিতে শিক্ষকদের আন্দোলন। সেই আন্দোলনে শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো। কারন, তিনিও শহরের একটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক।

আবার শোনা যাচ্ছে, জেলা নেতৃত্বের সাথে বনিবনা না হাওয়া। ২১ জুলাই কলকাতায় আশীষ কুন্ডুকে খোদ রাজ্য নেতৃত্ব পদত্যাগ করতে পরামর্শ দেন। আবার শোনা যাচ্ছে বিজেপিতে পা বাড়িয়ে রাখলেন না তো।

এদিন বিকেলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠক করে তার পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানিয়ে দেন আশিষবাবু ।

যদিও তৃণমূল দলের একটি সূত্রের খবর , আশিসবাবুর কাজকর্ম নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিস্তর অভিযোগ উতেঠ শুরু করেছিলো। একাংশ শিক্ষকদের প্রতি দুর্ব্যবহার নিয়েও ছিল বিস্তর অভিযোগ । এমনকি একুশে জুলাই তৃণমূলের শহীদ দিবসে কলকাতায় আশীষবাবুকে পদত্যাগের কোথাও নাকি বলা হয়েছে রাজ্য নেতৃত্বের পক্ষ থেকে। যদিও এসব ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেন নি আশিস কুন্ডু । আপাতত শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দায়ভার এখন ডিআই-এর উপরে থাকছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে পদত্যাগী জেলা  প্রাথমিক সংসদের শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান আশিস কুন্ডু বলেন,  আমি এখানে দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেক কাজ করেছি । ভবনের উন্নয়ন থেকে শুরু করে বহু কাজ হয়েছে । বেশ কিছু বলাতে কথা হচ্ছিল সেই সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দু’বছর সময়সীমা হয়ে গিয়েছে । তাই আমি স্বেচ্ছায় শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছি।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মালদা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আশীষ কুন্ডু।

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার

আশিস কুন্ডু, মালদা,  ২৩ জুলাই। মালদা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আশীষ কুন্ডু। মঙ্গলবার বিকেল ৪ টায় সাংবাদিক বৈঠক ডেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কথা জানিয়ে দেন তিনি।

কেন পদত্যাগ ? তার উত্তরে আশীষ কুন্ডু জানিয়েছেন,  তাঁর সময়সীমা ২ বছর হয়ে গেছে।

যদিও আশীষ কুন্ডুর পদত্যাগ নিয়ে নানা জল্পনা উস্কে দিয়েছে। বেতন বৃদ্ধিতে শিক্ষকদের আন্দোলন। সেই আন্দোলনে শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো। কারন, তিনিও শহরের একটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক।

আবার শোনা যাচ্ছে, জেলা নেতৃত্বের সাথে বনিবনা না হাওয়া। ২১ জুলাই কলকাতায় আশীষ কুন্ডুকে খোদ রাজ্য নেতৃত্ব পদত্যাগ করতে পরামর্শ দেন। আবার শোনা যাচ্ছে বিজেপিতে পা বাড়িয়ে রাখলেন না তো।

এদিন বিকেলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠক করে তার পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানিয়ে দেন আশিষবাবু ।

যদিও তৃণমূল দলের একটি সূত্রের খবর , আশিসবাবুর কাজকর্ম নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিস্তর অভিযোগ উতেঠ শুরু করেছিলো। একাংশ শিক্ষকদের প্রতি দুর্ব্যবহার নিয়েও ছিল বিস্তর অভিযোগ । এমনকি একুশে জুলাই তৃণমূলের শহীদ দিবসে কলকাতায় আশীষবাবুকে পদত্যাগের কোথাও নাকি বলা হয়েছে রাজ্য নেতৃত্বের পক্ষ থেকে। যদিও এসব ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেন নি আশিস কুন্ডু । আপাতত শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দায়ভার এখন ডিআই-এর উপরে থাকছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে পদত্যাগী জেলা  প্রাথমিক সংসদের শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান আশিস কুন্ডু বলেন,  আমি এখানে দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেক কাজ করেছি । ভবনের উন্নয়ন থেকে শুরু করে বহু কাজ হয়েছে । বেশ কিছু বলাতে কথা হচ্ছিল সেই সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দু’বছর সময়সীমা হয়ে গিয়েছে । তাই আমি স্বেচ্ছায় শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছি।