১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

আপত্তিজনক শব্দ ব্যবহারের জন্য সেন্সর বোর্ডের কোপে বাংলা ছবি ‘আষাঢ়ে গপ্পো’, ক্ষোভ প্রকাশ করলেন পরিচালক অরিন্দম

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আপত্তিজনক শব্দ ব্যবহারের জন্য সেন্সর বোর্ডের কোপে বাংলা ছবি ‘আষাঢ়ে গপ্পো’।

২০১২ সালে ‘আষাঢে গপ্পো’ ছবিটি তৈরি করেছিলেন অরিন্দম। ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন আবির চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, পায়েল সরকার, সম্পূর্ণা লাহিড়ী, খরাজ মুখোপাধ্যায়ের মতো তারকা। সেই সময় নানা কারণে ছবিটি মুক্তি পায়নি। এতদিন বাদে তা মুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্রের জন্য পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানে ‘সীতে’, ‘হনু’র মতো শব্দ নিয়ে বাদ দিতে বলা হয়।

এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিচালক অরিন্দমের বক্তব্য “না আমি রামায়ণকে বিকৃত করেছি, না কোনওরকম অশ্লীলতা রয়েছে এর মধ্যে। যা ঘটনা সেটাই করেছি। বলা হল ‘হনু’ বাদ দিতে হবে। আমি বললাম তাহলে হনুমান করে দিচ্ছি। না এটা বাদ দিতে হবে। আমি জানতে চাইতে চাইলাম কেন বাদ দিতে হবে। বলা হল, আমরা বলছি তাই বাদ দিতে হবে। এর তো কোনও উত্তর হয় না!”

তিনি আরো জানান “সেন্সর বোর্ডকে কেউ যদি নিজের সম্পত্তি বানিয়ে নেয় কিছু তো বলার নেই। কিছু মানুষ, যাঁদের সিনেমা সম্পর্কে কোনও আইডিয়া নেই, তাঁরা যদি সেন্সর বোর্ডে থাকেন, যেটা হওয়ার সেটাই হচ্ছে।”

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আপত্তিজনক শব্দ ব্যবহারের জন্য সেন্সর বোর্ডের কোপে বাংলা ছবি ‘আষাঢ়ে গপ্পো’, ক্ষোভ প্রকাশ করলেন পরিচালক অরিন্দম

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২২, বুধবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আপত্তিজনক শব্দ ব্যবহারের জন্য সেন্সর বোর্ডের কোপে বাংলা ছবি ‘আষাঢ়ে গপ্পো’।

২০১২ সালে ‘আষাঢে গপ্পো’ ছবিটি তৈরি করেছিলেন অরিন্দম। ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন আবির চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, পায়েল সরকার, সম্পূর্ণা লাহিড়ী, খরাজ মুখোপাধ্যায়ের মতো তারকা। সেই সময় নানা কারণে ছবিটি মুক্তি পায়নি। এতদিন বাদে তা মুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্রের জন্য পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানে ‘সীতে’, ‘হনু’র মতো শব্দ নিয়ে বাদ দিতে বলা হয়।

এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিচালক অরিন্দমের বক্তব্য “না আমি রামায়ণকে বিকৃত করেছি, না কোনওরকম অশ্লীলতা রয়েছে এর মধ্যে। যা ঘটনা সেটাই করেছি। বলা হল ‘হনু’ বাদ দিতে হবে। আমি বললাম তাহলে হনুমান করে দিচ্ছি। না এটা বাদ দিতে হবে। আমি জানতে চাইতে চাইলাম কেন বাদ দিতে হবে। বলা হল, আমরা বলছি তাই বাদ দিতে হবে। এর তো কোনও উত্তর হয় না!”

তিনি আরো জানান “সেন্সর বোর্ডকে কেউ যদি নিজের সম্পত্তি বানিয়ে নেয় কিছু তো বলার নেই। কিছু মানুষ, যাঁদের সিনেমা সম্পর্কে কোনও আইডিয়া নেই, তাঁরা যদি সেন্সর বোর্ডে থাকেন, যেটা হওয়ার সেটাই হচ্ছে।”