২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

গণধর্ষণের শিকার এক আদিবাসী নাবালিকা বোলপুর থানার অন্তর্গত মুলুকে

নিজস্ব সংবাদদাতা : ফের গণধর্ষণের শিকার এক আদিবাসী নাবালিকা। টাকা শোধ করতে না পারায় বাবা নিজের মেয়েকে তুলে দিয়েছিল স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের হাতে। তারপরই ওই আদিবাসী নাবালিকা গণধর্ষণের শিকার হয় বলে অভিযোগ৷ ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুর থানার অন্তর্গত মুলুকে৷

অভিযোগ, প্রথমে ওই নাবালিকা নির্যাতনের শিকার হয়ে বর্ধমানে চিকিৎসা করাতে যান এবং সেখান থেকে চিকিৎসা করে ফিরে আসার পর ফের গণধর্ষণের শিকার হন। এরপরেই বিষয়টি সামনে আসে এবং ওই নাবালিকাকে বোলপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ অন্যদিকে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হতেই পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে মূল অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য দীপ্তিমান ঘোষকে গ্রেফতার করে। পরে গ্রেফতার হয় নির্যাতিতার বাবা সহ আরও দুজন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া চারজনকে মঙ্গলবার বোলপুর আদালতে তোলা হয় এবং তাদের ১০দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।মঙ্গলবার নির্যাতিতা আদিবাসী নাবালিকাকে দেখতে বোলপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যান বীরভূম জেলা শাসক বিধান রায়। তিনি ওই নির্যাতিতা আদিবাসী নাবালিকার সঙ্গে দেখা করে জানান, সোমবার এখানে ভর্তি হয়েছিল ওই নাবালিকা। ভর্তি হওয়ার পরেই মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। তার শারীরিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হয়েছে। যদি আরও ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, তাহলে বাইরেও পাঠানো হবে।

 

সর্বাধিক পাঠিত

বীরভূমে ৭ লক্ষ টাকার জাল লটারির টিকিট উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গণধর্ষণের শিকার এক আদিবাসী নাবালিকা বোলপুর থানার অন্তর্গত মুলুকে

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২২, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : ফের গণধর্ষণের শিকার এক আদিবাসী নাবালিকা। টাকা শোধ করতে না পারায় বাবা নিজের মেয়েকে তুলে দিয়েছিল স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের হাতে। তারপরই ওই আদিবাসী নাবালিকা গণধর্ষণের শিকার হয় বলে অভিযোগ৷ ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুর থানার অন্তর্গত মুলুকে৷

অভিযোগ, প্রথমে ওই নাবালিকা নির্যাতনের শিকার হয়ে বর্ধমানে চিকিৎসা করাতে যান এবং সেখান থেকে চিকিৎসা করে ফিরে আসার পর ফের গণধর্ষণের শিকার হন। এরপরেই বিষয়টি সামনে আসে এবং ওই নাবালিকাকে বোলপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ অন্যদিকে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হতেই পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে মূল অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য দীপ্তিমান ঘোষকে গ্রেফতার করে। পরে গ্রেফতার হয় নির্যাতিতার বাবা সহ আরও দুজন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া চারজনকে মঙ্গলবার বোলপুর আদালতে তোলা হয় এবং তাদের ১০দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।মঙ্গলবার নির্যাতিতা আদিবাসী নাবালিকাকে দেখতে বোলপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যান বীরভূম জেলা শাসক বিধান রায়। তিনি ওই নির্যাতিতা আদিবাসী নাবালিকার সঙ্গে দেখা করে জানান, সোমবার এখানে ভর্তি হয়েছিল ওই নাবালিকা। ভর্তি হওয়ার পরেই মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। তার শারীরিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হয়েছে। যদি আরও ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, তাহলে বাইরেও পাঠানো হবে।