২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

অগ্নিমূল্যের বাজারে অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বাস্তব মাত্র ২০ টাকায় মিলছে পঞ্চপদ খাবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : ভোজন রসিকদের জন্য সুখবর৷ কম দামে মিলছে পঞ্চপদ খাবার৷ মাত্র ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে সকালের জলখাবার। এই অগ্নিমূল্যের বাজারে অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বাস্তবে রূপান্তরিত করে দেখিয়েছেন কৃষ্ণনগর এলাকার প্রদীপ গড়াই। ২০১৭ সালে প্রথম খুলেছিলেন একটি চায়ের দোকান। তখন থেকেই তাঁর ভাবনা কীভাবে কম টাকায় সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষকে পেট ভরে খাবার দেওয়া যায়। যেমন ভাবা তেমনি কাজ৷ এখন মাত্র ২০ টাকায় দিয়ে থাকেন একটি মানুষের সকালের প্রয়োজনীয় জলখাবার। এর মধ্যে রয়েছে একটি ডিম সিদ্ধ, হাফ পাউরুটি টোস্ট, একটি কলা, এক বাটি ঘুগনি ও একটি লিকার চা। তবে যদি কেউ দুধ চা খেয়ে থাকেন তাহলে বাড়তি দুই টাকা বেশি দিতে হবে বলে জানালেন বিক্রেতা।ব্যবসায়ী প্রদীপ গড়াই জানান, ২০ টাকায় পঞ্চপদ দিয়ে জলখাবার বিক্রি করে খুব একটা অর্থ লাভ হয় না৷কিন্তু জলখাবার খাওয়ার পরে অনেকেই বাড়তি কোনও কিছু ক্রয় করে থাকেন তার দোকান থেকে, সেই সমস্ত জিনিসপত্র বিক্রি করেই যা লাভ হয়৷আর ওইটুকু আয় দিয়েই কোনরকমে সংসার চালাতে হয়৷ ইতিমধ্যেই তার দোকানের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে জেলা থেকে জেলার বাইরেও। জেলার বাইরে থেকেও অনেক মানুষ এসে তার খাবার খেয়ে সুনাম করেছেন এবং তার সাথে ছবিও তুলেছেন বলে জানান তিনি। তবে বাঁধ সেধেছিল করোনা। ২০১৯ সালে লকডাউন এরপর থেকে তার আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ হতে থাকে৷ সেই অর্থনৈতিক ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি৷ তবুও ওই একই দামে পঞ্চপদের খাবার তুলে দিচ্ছেন ক্রেতাদের পাতে৷

সর্বাধিক পাঠিত

বীরভূমে ৭ লক্ষ টাকার জাল লটারির টিকিট উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অগ্নিমূল্যের বাজারে অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বাস্তব মাত্র ২০ টাকায় মিলছে পঞ্চপদ খাবার

আপডেট : ৫ মে ২০২২, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : ভোজন রসিকদের জন্য সুখবর৷ কম দামে মিলছে পঞ্চপদ খাবার৷ মাত্র ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে সকালের জলখাবার। এই অগ্নিমূল্যের বাজারে অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বাস্তবে রূপান্তরিত করে দেখিয়েছেন কৃষ্ণনগর এলাকার প্রদীপ গড়াই। ২০১৭ সালে প্রথম খুলেছিলেন একটি চায়ের দোকান। তখন থেকেই তাঁর ভাবনা কীভাবে কম টাকায় সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষকে পেট ভরে খাবার দেওয়া যায়। যেমন ভাবা তেমনি কাজ৷ এখন মাত্র ২০ টাকায় দিয়ে থাকেন একটি মানুষের সকালের প্রয়োজনীয় জলখাবার। এর মধ্যে রয়েছে একটি ডিম সিদ্ধ, হাফ পাউরুটি টোস্ট, একটি কলা, এক বাটি ঘুগনি ও একটি লিকার চা। তবে যদি কেউ দুধ চা খেয়ে থাকেন তাহলে বাড়তি দুই টাকা বেশি দিতে হবে বলে জানালেন বিক্রেতা।ব্যবসায়ী প্রদীপ গড়াই জানান, ২০ টাকায় পঞ্চপদ দিয়ে জলখাবার বিক্রি করে খুব একটা অর্থ লাভ হয় না৷কিন্তু জলখাবার খাওয়ার পরে অনেকেই বাড়তি কোনও কিছু ক্রয় করে থাকেন তার দোকান থেকে, সেই সমস্ত জিনিসপত্র বিক্রি করেই যা লাভ হয়৷আর ওইটুকু আয় দিয়েই কোনরকমে সংসার চালাতে হয়৷ ইতিমধ্যেই তার দোকানের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে জেলা থেকে জেলার বাইরেও। জেলার বাইরে থেকেও অনেক মানুষ এসে তার খাবার খেয়ে সুনাম করেছেন এবং তার সাথে ছবিও তুলেছেন বলে জানান তিনি। তবে বাঁধ সেধেছিল করোনা। ২০১৯ সালে লকডাউন এরপর থেকে তার আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ হতে থাকে৷ সেই অর্থনৈতিক ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি৷ তবুও ওই একই দামে পঞ্চপদের খাবার তুলে দিচ্ছেন ক্রেতাদের পাতে৷