২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ঐতিহ্যে অমলিন রাজশেখর বসুর এলাকায় শুরু বড়শুল উৎসব।

লুতুব আলি, বড়শুল, পূর্ব বর্ধমান : ঐতিহ্যে অমলিন রাজশেখর বসুর এলাকায় শুরু বড়শুল উৎসব। অবিভক্ত বর্ধমানের বড়শুল এলাকার ভূমিপুত্র তথা বিশ্ব বরেণ্য সাহিত্যিক রাজশেখর বসুর জন্মস্থান বামুন পাড়া গ্রামে। এই বামুন পাড়া গ্রামের অনতি দূরে বড়শুল অবস্থিত। ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের শুভ্র সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বড়শুল উৎসবের সূচনা হয়। এদিন সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক। অনুষ্ঠানের নান্দনিক সূচনা পর্বে প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্য দিয়ে সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন। স্বাগত ভাষণে উৎসব কমিটির সম্পাদক তথা বড়শুল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রমেশ চন্দ্র সরকার সমস্ত অনুষ্ঠানের কথা উপস্থাপিত করেন। বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, বাংলার নব রূপকার, মা মাটি মানুষের জননেত্রী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উৎসব ও মেলা করার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছেন সেই দর্শনকে সামনে রেখে বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বড়শুল উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। একটি উৎসব পরোক্ষভাবে শত শত মানুষের রুটি, রুজি র ব্যবস্থা হয় এবং মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন গড়ে ওঠে। বড়শুল উৎসব কমিটির কোষাধ্যক্ষ শেখ মোহাম্মদ হাবিব জানান, বর্ণময় এই বড়শুল উৎসব আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের স্টল বসেছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সমগ্র বড়শুল এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। উৎসবের বিভিন্ন দিনের সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানে থাকছে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বহিরাগত শিল্পীদের সঙ্গীত অনুষ্ঠান, নৃত্যানুষ্ঠান, কবিতা আবৃত্তি, বিভিন্ন ধরনের আলোচনা। উৎসব উপলক্ষে প্রাণ প্রেম প্রয়াস নামে একটি স্মরণিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই স্মরণিকায় এই এলাকার বিশ্ব বরেণ্য সাহিত্যিক রাজশেখর বসুর বর্ণময় জীবনের নানান দিকগুলি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। এছাড়াও সম্পাদকীয়তে স্বর্গীয় মুখ্যমন্ত্রী ডা: বিধান চন্দ্র রায়ের মানস কন্যা বড়শুল সিডিপির প্রজেক্ট এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যা অনেকের নজর কেড়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রাখি কোনার, সহ-সভাপতি দেবদ্বীপ রায়, বড়শুল ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নাজিরা বেগম, পূর্ব বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসির সভাপতি সন্দীপ বসু, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ শেখ কামরুল হাসান, সৌভিক পান, পরেশ কাহার, বড়শুল সিডিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. বিশ্বজিৎ ঘটক, এই বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটির সভাপতি তারকনাথ রায়, গৌরাঙ্গ লাল বসু, অনিল সরকার, শেখ নাজির, শেখ শফিক, জয়ন্ত বৈদ্য, শেখ রতন, শেখ মাহফুজ প্রমুখ।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ঐতিহ্যে অমলিন রাজশেখর বসুর এলাকায় শুরু বড়শুল উৎসব।

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪, বুধবার

লুতুব আলি, বড়শুল, পূর্ব বর্ধমান : ঐতিহ্যে অমলিন রাজশেখর বসুর এলাকায় শুরু বড়শুল উৎসব। অবিভক্ত বর্ধমানের বড়শুল এলাকার ভূমিপুত্র তথা বিশ্ব বরেণ্য সাহিত্যিক রাজশেখর বসুর জন্মস্থান বামুন পাড়া গ্রামে। এই বামুন পাড়া গ্রামের অনতি দূরে বড়শুল অবস্থিত। ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের শুভ্র সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বড়শুল উৎসবের সূচনা হয়। এদিন সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক। অনুষ্ঠানের নান্দনিক সূচনা পর্বে প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্য দিয়ে সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন। স্বাগত ভাষণে উৎসব কমিটির সম্পাদক তথা বড়শুল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রমেশ চন্দ্র সরকার সমস্ত অনুষ্ঠানের কথা উপস্থাপিত করেন। বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, বাংলার নব রূপকার, মা মাটি মানুষের জননেত্রী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উৎসব ও মেলা করার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছেন সেই দর্শনকে সামনে রেখে বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বড়শুল উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। একটি উৎসব পরোক্ষভাবে শত শত মানুষের রুটি, রুজি র ব্যবস্থা হয় এবং মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন গড়ে ওঠে। বড়শুল উৎসব কমিটির কোষাধ্যক্ষ শেখ মোহাম্মদ হাবিব জানান, বর্ণময় এই বড়শুল উৎসব আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের স্টল বসেছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সমগ্র বড়শুল এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। উৎসবের বিভিন্ন দিনের সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানে থাকছে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বহিরাগত শিল্পীদের সঙ্গীত অনুষ্ঠান, নৃত্যানুষ্ঠান, কবিতা আবৃত্তি, বিভিন্ন ধরনের আলোচনা। উৎসব উপলক্ষে প্রাণ প্রেম প্রয়াস নামে একটি স্মরণিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই স্মরণিকায় এই এলাকার বিশ্ব বরেণ্য সাহিত্যিক রাজশেখর বসুর বর্ণময় জীবনের নানান দিকগুলি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। এছাড়াও সম্পাদকীয়তে স্বর্গীয় মুখ্যমন্ত্রী ডা: বিধান চন্দ্র রায়ের মানস কন্যা বড়শুল সিডিপির প্রজেক্ট এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যা অনেকের নজর কেড়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রাখি কোনার, সহ-সভাপতি দেবদ্বীপ রায়, বড়শুল ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নাজিরা বেগম, পূর্ব বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসির সভাপতি সন্দীপ বসু, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ শেখ কামরুল হাসান, সৌভিক পান, পরেশ কাহার, বড়শুল সিডিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. বিশ্বজিৎ ঘটক, এই বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটির সভাপতি তারকনাথ রায়, গৌরাঙ্গ লাল বসু, অনিল সরকার, শেখ নাজির, শেখ শফিক, জয়ন্ত বৈদ্য, শেখ রতন, শেখ মাহফুজ প্রমুখ।