১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পঠনপাঠন শুরু হলো বাঁকুড়ায়

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২১, শুক্রবার
  • 49

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পঠনপাঠন শুরু হলো বাঁকুড়ায়

 

 

আব্দুল হাই, বাঁকুড়াঃ – দীর্ঘ ১১ মাস পর আজ ১২ ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাজ্য জুড়ে স্কুলের পঠনপাঠন শুরু হলো। সেইমত আজ বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী শহরের বি জে হাইস্কুলে শুরু হলো নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পঠনপাঠন। স্কুল ঢোকার মুখে পড়ুয়াদের হাতে স্যানিটাইজার দেওয়া হয় এবং পড়ুয়াদের মুখে মাস্ক আছে কিনা এই স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষিকারা নজর রাখেন। স্কুলের নামে এক ছাত্রী বলে, অনেক দিন পর বই খাতা নিয়ে স্কুলে ঢুকলাম খুব ভালো লাগছে। তবে স্কুল বন্ধ থাকলেও আমাদের অনলাইনে পঠনপাঠন চালু ছিল। এক ছাত্র বলে, স্কুলে পড়াশোনা যেটা হয় সেটা অন্য কোন জায়গায় এতটা ভালো হয় না। কি আর করা যাবে করোনায় তো আমাদের সব কিছু কেড়ে নিয়েছিল। ছাত্রটি আরো বলে তবে একটাই খারাপ লাগছে স্কুলে এসেও বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করতে পারছি না। এই স্কুলে প্রধান শিক্ষক মনোরজ্ঞন চোংরে বলেন, শিক্ষা দফতরের নির্দেশ মেনে চলছি। স্কুল খোলার আগে গোটা স্কুল চত্বর ও সমস্ত ক্লাস রুম স্যানিটাইজ এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়। যাতে ছাত্র ও ছাত্রীদের কোন রকম সমস্যার মুখে পড়তে না হয়। আজ প্রতিটি ছাত্র ও ছাত্রীদের হাতে স্যানিটাইজার দেওয়া হয়। এক একটি ক্লাসে দু জন করে পড়ুয়া বসেছে।

সর্বাধিক পাঠিত

বোলপুরে রাজধানী সার্কাসের শুভ উদ্বোধন, প্রথম দিনেই দর্শকদের ভিড়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পঠনপাঠন শুরু হলো বাঁকুড়ায়

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২১, শুক্রবার

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পঠনপাঠন শুরু হলো বাঁকুড়ায়

 

 

আব্দুল হাই, বাঁকুড়াঃ – দীর্ঘ ১১ মাস পর আজ ১২ ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাজ্য জুড়ে স্কুলের পঠনপাঠন শুরু হলো। সেইমত আজ বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী শহরের বি জে হাইস্কুলে শুরু হলো নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পঠনপাঠন। স্কুল ঢোকার মুখে পড়ুয়াদের হাতে স্যানিটাইজার দেওয়া হয় এবং পড়ুয়াদের মুখে মাস্ক আছে কিনা এই স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষিকারা নজর রাখেন। স্কুলের নামে এক ছাত্রী বলে, অনেক দিন পর বই খাতা নিয়ে স্কুলে ঢুকলাম খুব ভালো লাগছে। তবে স্কুল বন্ধ থাকলেও আমাদের অনলাইনে পঠনপাঠন চালু ছিল। এক ছাত্র বলে, স্কুলে পড়াশোনা যেটা হয় সেটা অন্য কোন জায়গায় এতটা ভালো হয় না। কি আর করা যাবে করোনায় তো আমাদের সব কিছু কেড়ে নিয়েছিল। ছাত্রটি আরো বলে তবে একটাই খারাপ লাগছে স্কুলে এসেও বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করতে পারছি না। এই স্কুলে প্রধান শিক্ষক মনোরজ্ঞন চোংরে বলেন, শিক্ষা দফতরের নির্দেশ মেনে চলছি। স্কুল খোলার আগে গোটা স্কুল চত্বর ও সমস্ত ক্লাস রুম স্যানিটাইজ এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়। যাতে ছাত্র ও ছাত্রীদের কোন রকম সমস্যার মুখে পড়তে না হয়। আজ প্রতিটি ছাত্র ও ছাত্রীদের হাতে স্যানিটাইজার দেওয়া হয়। এক একটি ক্লাসে দু জন করে পড়ুয়া বসেছে।