২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

রানাঘাট সাবওয়েটি পরিদর্শন করেন এ ডি আর এম শিয়ালদহ এস এস প্রিয়দর্শন

নিজস্ব সংবাদদাতা : নদিয়া জেলার অন্তর্গত রানাঘাট অত্যন্ত ব্যস্ততম একটি শহর। এখানে রয়েছে বিভিন্ন স্কুল কলেজ হাসপাতাল অফিস-আদালত। এছাড়াও রানাঘাট স্টেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশন হিসেবে গণ্য হয় নিত্যযাত্রীদের জন্য। তার কারণ এই স্টেশন দিয়েই বিভক্ত হয়ে যায় শিয়ালদহ ও বনগাঁ লাইনের ট্রেন। আবার অন্যদিকে এই লাইন দিয়ে ভাগ হয়ে যায় কৃষ্ণনগর ও গেদে লাইনের ট্রেন। রানাঘাট স্টেশনে আপডাউন মিলিয়ে অসংখ্য ট্রেন প্রতিদিন যাতায়াত করে।যে কারণে স্টেশন সংলগ্ন যে রাস্তা রয়েছে সেই রাস্তায় প্রতিনিয়ত ট্রেন যাওয়ার জন্য পড়ে থাকে রেলগেট। কিছুক্ষণ পরপর রেলগেট পড়ার জন্য আটকে থাকে একাধিক যানবাহন। যানবাহন আটকে থাকার কারণে হচ্ছে ট্র্যাফিক জ্যাম। যেই জ্যাম কাটাতে হিমশিম খেতে হয় প্রশাসনকেও। সেই কারণে অনেকদিন ধরেই একটি আন্ডারপাসের দাবি ছিল রানাঘাটবাসীর। যদিও একটি সাবওয়ে রয়েছে সেই জায়গাতে। বর্তমানে সেটি সেভাবে ব্যবহার করা হয় না বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেই সাবওয়েতে কখনও জমা জল কিংবা কখনও থাকে অন্ধকার।সাধারণ মানুষের এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার পূর্ব রেলের আধিকারিকদের কাছে একটি মোটোরেবেল রোড করার আবেদন জানান। আর সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার রানাঘাট সাবওয়েটি পরিদর্শন করেন এ ডি আর এম শিয়ালদহ এস এস প্রিয়দর্শন। রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকারের সাথে এদিন সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখেন তিঁনি। এছাড়াও ছিলেন রেলের অন্যান্য আধিকারিকেরা।বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার আশ্বাস দেন দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হবে।

সর্বাধিক পাঠিত

বীরভূমে ৭ লক্ষ টাকার জাল লটারির টিকিট উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রানাঘাট সাবওয়েটি পরিদর্শন করেন এ ডি আর এম শিয়ালদহ এস এস প্রিয়দর্শন

আপডেট : ১৫ মে ২০২২, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : নদিয়া জেলার অন্তর্গত রানাঘাট অত্যন্ত ব্যস্ততম একটি শহর। এখানে রয়েছে বিভিন্ন স্কুল কলেজ হাসপাতাল অফিস-আদালত। এছাড়াও রানাঘাট স্টেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশন হিসেবে গণ্য হয় নিত্যযাত্রীদের জন্য। তার কারণ এই স্টেশন দিয়েই বিভক্ত হয়ে যায় শিয়ালদহ ও বনগাঁ লাইনের ট্রেন। আবার অন্যদিকে এই লাইন দিয়ে ভাগ হয়ে যায় কৃষ্ণনগর ও গেদে লাইনের ট্রেন। রানাঘাট স্টেশনে আপডাউন মিলিয়ে অসংখ্য ট্রেন প্রতিদিন যাতায়াত করে।যে কারণে স্টেশন সংলগ্ন যে রাস্তা রয়েছে সেই রাস্তায় প্রতিনিয়ত ট্রেন যাওয়ার জন্য পড়ে থাকে রেলগেট। কিছুক্ষণ পরপর রেলগেট পড়ার জন্য আটকে থাকে একাধিক যানবাহন। যানবাহন আটকে থাকার কারণে হচ্ছে ট্র্যাফিক জ্যাম। যেই জ্যাম কাটাতে হিমশিম খেতে হয় প্রশাসনকেও। সেই কারণে অনেকদিন ধরেই একটি আন্ডারপাসের দাবি ছিল রানাঘাটবাসীর। যদিও একটি সাবওয়ে রয়েছে সেই জায়গাতে। বর্তমানে সেটি সেভাবে ব্যবহার করা হয় না বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেই সাবওয়েতে কখনও জমা জল কিংবা কখনও থাকে অন্ধকার।সাধারণ মানুষের এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার পূর্ব রেলের আধিকারিকদের কাছে একটি মোটোরেবেল রোড করার আবেদন জানান। আর সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার রানাঘাট সাবওয়েটি পরিদর্শন করেন এ ডি আর এম শিয়ালদহ এস এস প্রিয়দর্শন। রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকারের সাথে এদিন সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখেন তিঁনি। এছাড়াও ছিলেন রেলের অন্যান্য আধিকারিকেরা।বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার আশ্বাস দেন দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হবে।