খান আরশাদ, বীরভূম:
গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে বীরভূমে খুন হল এক তৃনমূল কর্মী।বীরভূমের খয়রাশোল এলাকা ফের খুনোখুনিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল। বেশ কিছুদিন ধরেই তৃনমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে। দিন কয়েক আগেই কাঁকরতলা থানার জামালপুর গ্রামে বালির বখরা নিয়ে তৃণমূলের যুযুধান দুই গোষ্ঠীর মধ্যে শুরু হয় বোমাবাজি। যার জেরে একজনের একটি পা উড়ে যায় বোমার আঘাতে। সেই ঘটনার রেশ মিটতে না মিটতেই ফের শুক্রবার রাতে এক তৃণমূল কর্মী খুন হল কাঁকরতলা থানার বড়রা গ্রামে। বড়রা গ্রামের তৃনমূল কর্মী সেখ নিয়ামুল সন্ধ্যা নাগাদ বড়রা বাসস্টপ থেকে নিজ বাড়ী যাওয়ার পথে দুষ্কৃতিরীরা তার ওপর লোহার রড, পাথর সহ ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করে কালো শেখ সহ তার দলবল, বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের। নিয়ামুলের কোমর, হাঁটু,পা ভেঙে দেওয়ার ফলে শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হতে থাকে। স্থানীয়রা খবর পেয়ে মারাত্মক ভাবে জখম নিয়ামুলকে উদ্ধার করে প্রথমে নাকড়াকোন্দা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে সিউড়ী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যায় সেখ নিয়ামুল। পুনরায় সিউড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে সেখানে ময়নাতদন্ত করানো হয়। এদিকে মৃত্যুর খবর চাউর হতেই বড়রা অঞ্চলে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই এলাকায় পৌঁছয় জেলা পুলিশের পদস্থ আধিকারিকেরা সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী।
শনিবার ময়নাতদন্তের পর মরদেহ আনা হয় বড়রা গ্রামে। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা।
অভিযুক্ত কালো শেখ পলাতক। শনিবার কালো শেখের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি অভিযান চালায়। যে জায়গায় এই ঘটনা ঘটে পুলিশ তার কিছুটা দূরে তিনটি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে। বম্ব স্কোয়ার্ডের টিম এসে বোমা গুলিকে নিষ্ক্রিয় করে। পুলিশ অভিযুক্ত কালু শেখের সন্ধান চালাচ্ছে।
নতুন গতি 





















