২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী দশম শ্রেণীর ছাত্রী

মালদায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী দশম শ্রেণীর ছাত্রী

নতুন গতি, মালদা: দশম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো ইংলিশ বাজারের তেলিপুকুরের নেতাজি কলোনি এলাকায়। নিজের বাড়ির শৌচাগারের পাশের সজনে গাছে ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। জানা গেছে, মৃত ছাত্রীর নাম শাবনাম খাতুন(১৯)। সে ইংলিশ বাজারের প্রন্তপল্লি গার্লস হাই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। তার পরিবারের লোকেরা জানান, বেশ কিছদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিল শবনম। তারই দুই বান্ধবীকে আর্থিক সাহায্য করতে বাড়ির লোকের অজান্তে এক মহাজনের কাছ থেকে তিরিশ হাজার টাকা ধার নিয়ে তাদের দিয়েছিল শবনম। কিছুদিনের মধ্যে সেই টাকা তার বান্ধবীরা ফেরত দিয়ে দেবে এমনটাই কথা ছিল। কিন্তু মহাজনের তাগাদা আসায় সে টাকা বান্ধবীদের কাছে ফেরত চাইতে গেলে তারা টাকা ফেরত করতে অস্বীকার করেন। এই নিয়ে বিবাদ হয় তাদের মধ্যে। অন্যদিকে মহাজন টাকা না পাওয়ায় এসে উপস্থিত হন শবনমের বাড়িতে। চরম অপমানের স্বীকার হতে হয় শবনম ও তার পরিবারের লোকদের। এই অপমান সহ্য করতে না পারায় আত্মহত্যা করে শবনম বলে পরিবারের দাবি। মৃতার দাদা শফিকুল ইসলাম জানান, “আমাদের অজান্তে শবনম তার বান্ধবীদের মহাজনের কাছ থেকে টাকা ধার করে তার দুই বান্ধবীদের দেয়। আর সেই টাকা তার বান্ধবীরা ফেরত করতে না পারায় বিপাকে পড়তে হয় আমার বোন শবনমকে। অপমানিত হতে হয় মহাজনের কাছে। তার দুই বান্ধবী আজ এমনটা না করলে হয়তো আমাদের বোনকে এরম অকালে ছেড়ে চলে যেতে হতো না। ” মৃত ছাত্রীর পরিবারে রয়েছেন তার মা ও তিন দাদা। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী দশম শ্রেণীর ছাত্রী

আপডেট : ৫ মার্চ ২০২১, শুক্রবার

মালদায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী দশম শ্রেণীর ছাত্রী

নতুন গতি, মালদা: দশম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো ইংলিশ বাজারের তেলিপুকুরের নেতাজি কলোনি এলাকায়। নিজের বাড়ির শৌচাগারের পাশের সজনে গাছে ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। জানা গেছে, মৃত ছাত্রীর নাম শাবনাম খাতুন(১৯)। সে ইংলিশ বাজারের প্রন্তপল্লি গার্লস হাই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। তার পরিবারের লোকেরা জানান, বেশ কিছদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিল শবনম। তারই দুই বান্ধবীকে আর্থিক সাহায্য করতে বাড়ির লোকের অজান্তে এক মহাজনের কাছ থেকে তিরিশ হাজার টাকা ধার নিয়ে তাদের দিয়েছিল শবনম। কিছুদিনের মধ্যে সেই টাকা তার বান্ধবীরা ফেরত দিয়ে দেবে এমনটাই কথা ছিল। কিন্তু মহাজনের তাগাদা আসায় সে টাকা বান্ধবীদের কাছে ফেরত চাইতে গেলে তারা টাকা ফেরত করতে অস্বীকার করেন। এই নিয়ে বিবাদ হয় তাদের মধ্যে। অন্যদিকে মহাজন টাকা না পাওয়ায় এসে উপস্থিত হন শবনমের বাড়িতে। চরম অপমানের স্বীকার হতে হয় শবনম ও তার পরিবারের লোকদের। এই অপমান সহ্য করতে না পারায় আত্মহত্যা করে শবনম বলে পরিবারের দাবি। মৃতার দাদা শফিকুল ইসলাম জানান, “আমাদের অজান্তে শবনম তার বান্ধবীদের মহাজনের কাছ থেকে টাকা ধার করে তার দুই বান্ধবীদের দেয়। আর সেই টাকা তার বান্ধবীরা ফেরত করতে না পারায় বিপাকে পড়তে হয় আমার বোন শবনমকে। অপমানিত হতে হয় মহাজনের কাছে। তার দুই বান্ধবী আজ এমনটা না করলে হয়তো আমাদের বোনকে এরম অকালে ছেড়ে চলে যেতে হতো না। ” মৃত ছাত্রীর পরিবারে রয়েছেন তার মা ও তিন দাদা। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।