১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

রেকর্ড পতন ভারতীয় টাকার দামে! এক মার্কিন ডলারের দাম দাঁড়াল ৭৭ টাকা ৭৩ পয়সা

দেবজিৎ মুখার্জি: রেকর্ড পতন হল ভারতীয় টাকার দামে। মঙ্গলবার ভারতীয় মুদ্রায় এক মার্কিন ডলারের দাম দাঁড়াল ৭৭ টাকা ৭৩ পয়সা। যা এখনও পর্যন্ত সর্বনিম্ন।

ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, চিনে নতুন করে লকডাউনের প্রভাব পড়েছে টাকার দামে। বিদেশি মুদ্রার কারবারিরা বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। তেল আমদানি করার জন্য ডলারের চাহিদা বাড়ছে। বিদেশের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম অস্থির হওয়ার জন্যই ভারতীয় টাকার উপর এতটা প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি, গত সপ্তাহে মূল্যবৃদ্ধি রোধ করতে আমেরিকার ফেডেরাল রিজার্ভ তাদের সুদের হার বাড়িয়েছে। ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা উদ্বৃত্ত অর্থ ভারতীয় বাজারে বিনিয়োগ করতে পারছেন না। উলটে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন তাঁরা।

দেশের মুদ্রাস্ফীতি সামাল দিতে দীর্ঘসময় পর রেপো রেট বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া। যার প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। রিজার্ভ ব্যাংক রেপো রেট বাড়ানোর পর থেকে দেশের অন্যান্য ব্যাংকগুলোও সুদ বাড়াচ্ছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের হাতে অর্থের জোগান কমছে। উপরন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশীয় বিনিয়োগকারীরাও নতুন করে বিনিয়োগ করতে চাইছেন না।

ডিভিসিতে মাছ ধরতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু মৎসজীবির

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রেকর্ড পতন ভারতীয় টাকার দামে! এক মার্কিন ডলারের দাম দাঁড়াল ৭৭ টাকা ৭৩ পয়সা

আপডেট : ১৭ মে ২০২২, মঙ্গলবার

দেবজিৎ মুখার্জি: রেকর্ড পতন হল ভারতীয় টাকার দামে। মঙ্গলবার ভারতীয় মুদ্রায় এক মার্কিন ডলারের দাম দাঁড়াল ৭৭ টাকা ৭৩ পয়সা। যা এখনও পর্যন্ত সর্বনিম্ন।

ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, চিনে নতুন করে লকডাউনের প্রভাব পড়েছে টাকার দামে। বিদেশি মুদ্রার কারবারিরা বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। তেল আমদানি করার জন্য ডলারের চাহিদা বাড়ছে। বিদেশের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম অস্থির হওয়ার জন্যই ভারতীয় টাকার উপর এতটা প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি, গত সপ্তাহে মূল্যবৃদ্ধি রোধ করতে আমেরিকার ফেডেরাল রিজার্ভ তাদের সুদের হার বাড়িয়েছে। ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা উদ্বৃত্ত অর্থ ভারতীয় বাজারে বিনিয়োগ করতে পারছেন না। উলটে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন তাঁরা।

দেশের মুদ্রাস্ফীতি সামাল দিতে দীর্ঘসময় পর রেপো রেট বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া। যার প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। রিজার্ভ ব্যাংক রেপো রেট বাড়ানোর পর থেকে দেশের অন্যান্য ব্যাংকগুলোও সুদ বাড়াচ্ছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের হাতে অর্থের জোগান কমছে। উপরন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশীয় বিনিয়োগকারীরাও নতুন করে বিনিয়োগ করতে চাইছেন না।