নয়াদিল্লি: প্রায় ২২ হাজার ৬ কোটি টাকার ঋণ। সেই বিপুল ঋণের দায় থেকে মুক্তি পেতে ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে মাত্র সাড়ে ৬ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এসেল গ্রুপের কর্ণধার তথা জি মিডিয়ার প্রাক্তন কর্ণধার সুভাষ চন্দ্র। ২৮ আগস্ট সেই প্রস্তাবে সায় দিয়েছিল ন্যাশনাল কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনাল (NCLT)। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তেই এবার স্থগিতাদেশ জারি করল ট্রাইব্যুনালের পাঁচ সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ।
NCLT-র বিশেষ বেঞ্চের বক্তব্য, আগের রায়ে ঋণদাতাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত যথাযথ ভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তাই আপাতত আগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে না। পাশাপাশি ঋণখেলাপির কোনও সম্পত্তি বিক্রির উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
পাঁচ সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ জানিয়েছে, গোটা বিষয়টি নতুন করে বিস্তারিত ভাবে শুনতে হবে। এরপরই সুভাষ চন্দ্রের প্রস্তাবিত ঋণ পরিশোধের পরিকল্পনা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সুভাষ চন্দ্রের বিভিন্ন সংস্থার নামে মোট প্রায় ২২,০০৬ কোটি টাকার ঋণ রয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ঋণের গ্যারান্টার ছিলেন সুভাষ চন্দ্র নিজেই। আদালতে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এত বিপুল পরিমাণ ঋণ শোধ করার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাঁর নেই।
ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৬ কোটি টাকা পরিশোধ করতে পারবেন তিনি—এমনই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ মোট ঋণের মাত্র প্রায় ০.০৩ শতাংশ পরিশোধের প্রস্তাব ছিল সেটি।
আগের শুনানিতে NCLT-র বিচারক জানিয়েছিলেন, সুভাষ চন্দ্রের প্রস্তাব নিয়ে ঋণদাতাদের মতামত নেওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ ঋণদাতা প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছিলেন বলে জানানো হয়।
তবে LIC Housing Finance, HDFC, Axis Bank এবং Canara Bank-এর মতো কয়েকটি ঋণদাতা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিল।
এবার সেই ঋণদাতাদের মতামত ফের খতিয়ে দেখা হবে। নতুন করে শুনানি শেষে NCLT-র বিশেষ বেঞ্চই ঠিক করবে, সুভাষ চন্দ্রের প্রস্তাবিত এই ঋণ পরিশোধের পরিকল্পনা আদৌ গ্রহণযোগ্য কি না।
নতুন গতি 

























