২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ভারতীয় জলসীমা থেকে আটক ৮৮ জন বাংলাদেশী মৎসজীবি

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২, শুক্রবার
  • 8

নিজস্ব সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় জলসীমা থেকে তিনটি বাংলাদেশি ট্রলার সহ ৮৮ জন বাংলাদেশীকে আটক করল ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী। মঙ্গলবার দুপুরে ভারতীয় জলসীমানার ৩৫ নটিক্যাল মাইল ভেতরে বেআইনিভাবে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়েছিল ট্রলারগুলো। ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর জাহাজ ভারত-বাংলাদেশ জলসীমায় টহলদারি চালানোর সময় তিনটি ট্রলার নজরে আসে। প্রত্যেক ট্রলারে খুব বেশি হলে ১৫জন করে মৎস্যজীবীদের থাকার কথা, তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় উপকূল রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দেখতে পান ৮৮জনকে বাংলাদেশীকে। তখনই সন্দেহ তৈরি হয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর। বুধবার দুপুরে তিনটি ট্রলার সহ ৮৮ জন মৎসজীবীকে নিয়ে আসা হয় ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্য বন্দরে। পরে উপকূল রক্ষী বাহিনীর ফ্রেজারগঞ্জ ঘাটির কমান্ডিং অফিসার এন.পি সিংহের উপস্থিতিতে আটক এফবি আল রাফি, এফবি সোনার মদিনা, এফবি ফাতেমা নামের তিনটি ট্রলার সহ ৮৮জন বাংলাদেশীকে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ধৃতরা পুলিশের জেরায় মৎস্যজীবী বলে দাবি করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ধৃতরা সকলেই বাংলাদেশের চট্টগ্রাম এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। ধৃতদের জেরা করে তিনটি ট্রলারে এতগুলো মৎস্যজীবী কেন ছিল, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। কারণ, ওই মৎস্যজীবি ট্রলারে মৎস্যজীবীদের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীরা উঠে পড়েছিল কি না, সেটাও ভালো করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ধৃত ৮৩জন বাংলাদেশিকে কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। বাকি পাঁচজন নবালককে সিডব্লুসিতে পেশ করা হয়েছে।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভারতীয় জলসীমা থেকে আটক ৮৮ জন বাংলাদেশী মৎসজীবি

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২, শুক্রবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় জলসীমা থেকে তিনটি বাংলাদেশি ট্রলার সহ ৮৮ জন বাংলাদেশীকে আটক করল ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী। মঙ্গলবার দুপুরে ভারতীয় জলসীমানার ৩৫ নটিক্যাল মাইল ভেতরে বেআইনিভাবে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়েছিল ট্রলারগুলো। ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর জাহাজ ভারত-বাংলাদেশ জলসীমায় টহলদারি চালানোর সময় তিনটি ট্রলার নজরে আসে। প্রত্যেক ট্রলারে খুব বেশি হলে ১৫জন করে মৎস্যজীবীদের থাকার কথা, তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় উপকূল রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দেখতে পান ৮৮জনকে বাংলাদেশীকে। তখনই সন্দেহ তৈরি হয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর। বুধবার দুপুরে তিনটি ট্রলার সহ ৮৮ জন মৎসজীবীকে নিয়ে আসা হয় ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্য বন্দরে। পরে উপকূল রক্ষী বাহিনীর ফ্রেজারগঞ্জ ঘাটির কমান্ডিং অফিসার এন.পি সিংহের উপস্থিতিতে আটক এফবি আল রাফি, এফবি সোনার মদিনা, এফবি ফাতেমা নামের তিনটি ট্রলার সহ ৮৮জন বাংলাদেশীকে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ধৃতরা পুলিশের জেরায় মৎস্যজীবী বলে দাবি করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ধৃতরা সকলেই বাংলাদেশের চট্টগ্রাম এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। ধৃতদের জেরা করে তিনটি ট্রলারে এতগুলো মৎস্যজীবী কেন ছিল, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। কারণ, ওই মৎস্যজীবি ট্রলারে মৎস্যজীবীদের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীরা উঠে পড়েছিল কি না, সেটাও ভালো করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ধৃত ৮৩জন বাংলাদেশিকে কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। বাকি পাঁচজন নবালককে সিডব্লুসিতে পেশ করা হয়েছে।