২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

নজরকাড়া আর্ট প্রতিভা চমক গোটা রাজ্যে সহ দেশ-বিদেশে

 

মালদা; ২৩ মার্চ:

পাইপ থেকে শুরু করে জামায় রং কিংবা অয়েল কালার হাতের কাছে যা পারছে তাই দিয়ে সাদা কাগজ গাছের পাতাতে। ফুটিয়ে তুলছে চমকপ্রদ ছবি। যা দেখে গোটা রাজ্যে সহ দেশ-বিদেশেও তাক লাগিয়ে দিয়েছে। বুলবুলচন্ডী আর এন রোই গার্লস হাই স্কুল ষষ্ঠ শ্রেনীর সোমদত্তা দে। মালদা জেলার হবিবপুরএর বুলবুলচন্ডী আর এন রোই গার্লস হাই স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পাঠরত সোমদত্তা দে একেবারে ম্যাজিক করে দিয়েছে যাকে বলে। তার বয়সী সবাই যখন ক্লাস সিক্সের অঙ্ক কষতে গলদঘর্ম, সেই বয়সেই দূর্দান্ত সব ছবি এঁকে সকলের তাক লাগিয়ে দিচ্ছে এই খুদে। বছর এগারোর সোমদত্তা স্বরবিতান আর্টস স্কুল এ শিক্ষক সৌরভ হালদার এর কাছেই অংকন সেখে কিন্তু বিগত এক বছর ধরে লকডাউন এর কারণে বাড়িতেই বসে নিয়মিত প্রেকটিস চালাই
বিভিন্ন উৎসব থেকে শুরু করে, পোর্ট্রেট সবকিছু তুলির টানে ফুটিয়ে তুলে অবাক করছে সবাইকে।

মা শুতাপা দে পেশায় শিক্ষিকা । ছোটোবেলা থেকেই আঁকার প্রতি ঝোঁক ছিল সোমদত্তার এর খুব ছোট্ট বয়স থেকে রং পেনসিলের সাথে জুড়ে যায় এই প্রতিভাবান ,সোমদত্তা দে। বাড়িতেই নিয়মিত প্র্যাকটিস করছে, এমনটাই জানা গেছে পরিবার সূত্রে। বাড়িতে নিজেই একের পর এক দূর্দান্ত সব ছবি এঁকে ফেলেছে সে। বিভিন্ন অনলাইন এবং অফলাইন অঙ্কন প্রতিযোগিতায় বড্ডো ভালোবেসে অংশ গ্রহণ করে সে এবং যথারীতি প্রাইজও তুলে আনে। ব্লক স্তরে, জেলা স্তরে, রাজ্য স্তরে সবেতেই অংশ গ্রহণ করেছে এই ক্ষুদে। তার মধ্যে ব্লক স্তরে ও জেলা স্তরে প্রথম স্থান অধিকার করে মা বাবার নাম উজ্জ্বল করেছে সোমদত্তা দে। এছাড়াও অনলাইনে বিভিন্ন ন্যাশনাল স্তরে এবং ইন্টারন্যাশনাল স্তরের প্রতিযোগিতাতেও অংশগ্রহণ করে আমেরিকা থেকে ও পুরস্কার তুলে সে।

ছোট দের পড়াশোনার পাশাপাশি তারা যা করতে চায় তাতে উৎসাহ দেওয়া উচিত। কে জানে আপনার বাড়ির বাচ্চা তার মধ্যেই হয়তো ভবিষ্যত প্রজন্মের কোনো শিল্পী লুকিয়ে থাকতে পারে।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নজরকাড়া আর্ট প্রতিভা চমক গোটা রাজ্যে সহ দেশ-বিদেশে

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২১, বুধবার

 

মালদা; ২৩ মার্চ:

পাইপ থেকে শুরু করে জামায় রং কিংবা অয়েল কালার হাতের কাছে যা পারছে তাই দিয়ে সাদা কাগজ গাছের পাতাতে। ফুটিয়ে তুলছে চমকপ্রদ ছবি। যা দেখে গোটা রাজ্যে সহ দেশ-বিদেশেও তাক লাগিয়ে দিয়েছে। বুলবুলচন্ডী আর এন রোই গার্লস হাই স্কুল ষষ্ঠ শ্রেনীর সোমদত্তা দে। মালদা জেলার হবিবপুরএর বুলবুলচন্ডী আর এন রোই গার্লস হাই স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পাঠরত সোমদত্তা দে একেবারে ম্যাজিক করে দিয়েছে যাকে বলে। তার বয়সী সবাই যখন ক্লাস সিক্সের অঙ্ক কষতে গলদঘর্ম, সেই বয়সেই দূর্দান্ত সব ছবি এঁকে সকলের তাক লাগিয়ে দিচ্ছে এই খুদে। বছর এগারোর সোমদত্তা স্বরবিতান আর্টস স্কুল এ শিক্ষক সৌরভ হালদার এর কাছেই অংকন সেখে কিন্তু বিগত এক বছর ধরে লকডাউন এর কারণে বাড়িতেই বসে নিয়মিত প্রেকটিস চালাই
বিভিন্ন উৎসব থেকে শুরু করে, পোর্ট্রেট সবকিছু তুলির টানে ফুটিয়ে তুলে অবাক করছে সবাইকে।

মা শুতাপা দে পেশায় শিক্ষিকা । ছোটোবেলা থেকেই আঁকার প্রতি ঝোঁক ছিল সোমদত্তার এর খুব ছোট্ট বয়স থেকে রং পেনসিলের সাথে জুড়ে যায় এই প্রতিভাবান ,সোমদত্তা দে। বাড়িতেই নিয়মিত প্র্যাকটিস করছে, এমনটাই জানা গেছে পরিবার সূত্রে। বাড়িতে নিজেই একের পর এক দূর্দান্ত সব ছবি এঁকে ফেলেছে সে। বিভিন্ন অনলাইন এবং অফলাইন অঙ্কন প্রতিযোগিতায় বড্ডো ভালোবেসে অংশ গ্রহণ করে সে এবং যথারীতি প্রাইজও তুলে আনে। ব্লক স্তরে, জেলা স্তরে, রাজ্য স্তরে সবেতেই অংশ গ্রহণ করেছে এই ক্ষুদে। তার মধ্যে ব্লক স্তরে ও জেলা স্তরে প্রথম স্থান অধিকার করে মা বাবার নাম উজ্জ্বল করেছে সোমদত্তা দে। এছাড়াও অনলাইনে বিভিন্ন ন্যাশনাল স্তরে এবং ইন্টারন্যাশনাল স্তরের প্রতিযোগিতাতেও অংশগ্রহণ করে আমেরিকা থেকে ও পুরস্কার তুলে সে।

ছোট দের পড়াশোনার পাশাপাশি তারা যা করতে চায় তাতে উৎসাহ দেওয়া উচিত। কে জানে আপনার বাড়ির বাচ্চা তার মধ্যেই হয়তো ভবিষ্যত প্রজন্মের কোনো শিল্পী লুকিয়ে থাকতে পারে।