২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

নাবালিক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার মেমারির যুবক

নূর আহমেদ, মেমারি, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ : দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে নাবালিকা বালিকাকে ধর্ষণ করার অভিযোগে গ্রেপ্তার মেমারি যুবক। ধৃতের নাম উত্তম সরকার (৩৪)। নাবালিকা বালিকার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে মেমারি থানার পুলিশ অভিযুক্ত উত্তম সরকারকে গ্রেপ্তার করে। পক্সো আইনে মামলা রুজু করে ধৃত উত্তম সরকারকে মঙ্গলবার সকালে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মেমারির মহেশডাঙ্গা ক্যাম্প দক্ষিণপাড় নিবাসী উত্তম সরকার ১২বছর ৭ মাস বয়সের বালিকাকে আর্থিক দূরাবস্থার সুযোগ নিয়ে ধর্ষণ করে। ২ বছর আগে নাবালিকার মা মারা যায়। পরিবারে দিনমজুর বাবা ও একটি ছোট ভাই। গত অক্টোবর মাসে মাতৃহীনা বালিকার বাবার পা ভেঙে যায়। পড়াশুনোর সাথে সাথে সংসার চালানোর দায়ভার পরে নাবালিকার উপর। পরিবারের আর্থিক অবস্থা শোচনীয়, রুজিরোজগার কিছুই ছিল না। পূর্ব পরিচিত হওয়ায় উত্তম সরকারে নাবালিকার বাড়িতে যাওয়া আসা ছিল। চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া, ওষুধের খরচ সহ বিভিন্ন ভাবে নাবালিকার বাবাকে সাহায্য করত এই সময়। কিন্তু ধৃত উত্তম সরকার দারিদ্রতা ও অসহায়তার সুযোগ নিয়ে নাবালিকাকে বাড়িতে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এমনকি বিষয়টি কাউকে জানলে ফল ভালো হবে না বলে। নাবালিকা ভয়ে ও অসহায় হয়ে চুপ করে যায়। কিন্তু প্রতিবেশীরা ব্যপারটি জানতে পেরে সোমবার রাতে ধৃত উত্তম সরকারকে এলাকায় ব্যপক মারধোর করে। মেমারি থানায় গণপ্রহারের ঘটনার খবর গেলে পুলিশ এসে ধৃত উত্তম সরকারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় ও প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর থানায় নিয়ে আসে। নাবালিকা বালিকার বাবা সোমবার রাতেই মেমারি থানায় ধর্ষনের অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ তদন্তের পর উত্তম সরকারকে পক্সো আইনে গ্রেপ্তার করে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নাবালিক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার মেমারির যুবক

আপডেট : ৩ ডিসেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার

নূর আহমেদ, মেমারি, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ : দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে নাবালিকা বালিকাকে ধর্ষণ করার অভিযোগে গ্রেপ্তার মেমারি যুবক। ধৃতের নাম উত্তম সরকার (৩৪)। নাবালিকা বালিকার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে মেমারি থানার পুলিশ অভিযুক্ত উত্তম সরকারকে গ্রেপ্তার করে। পক্সো আইনে মামলা রুজু করে ধৃত উত্তম সরকারকে মঙ্গলবার সকালে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মেমারির মহেশডাঙ্গা ক্যাম্প দক্ষিণপাড় নিবাসী উত্তম সরকার ১২বছর ৭ মাস বয়সের বালিকাকে আর্থিক দূরাবস্থার সুযোগ নিয়ে ধর্ষণ করে। ২ বছর আগে নাবালিকার মা মারা যায়। পরিবারে দিনমজুর বাবা ও একটি ছোট ভাই। গত অক্টোবর মাসে মাতৃহীনা বালিকার বাবার পা ভেঙে যায়। পড়াশুনোর সাথে সাথে সংসার চালানোর দায়ভার পরে নাবালিকার উপর। পরিবারের আর্থিক অবস্থা শোচনীয়, রুজিরোজগার কিছুই ছিল না। পূর্ব পরিচিত হওয়ায় উত্তম সরকারে নাবালিকার বাড়িতে যাওয়া আসা ছিল। চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া, ওষুধের খরচ সহ বিভিন্ন ভাবে নাবালিকার বাবাকে সাহায্য করত এই সময়। কিন্তু ধৃত উত্তম সরকার দারিদ্রতা ও অসহায়তার সুযোগ নিয়ে নাবালিকাকে বাড়িতে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এমনকি বিষয়টি কাউকে জানলে ফল ভালো হবে না বলে। নাবালিকা ভয়ে ও অসহায় হয়ে চুপ করে যায়। কিন্তু প্রতিবেশীরা ব্যপারটি জানতে পেরে সোমবার রাতে ধৃত উত্তম সরকারকে এলাকায় ব্যপক মারধোর করে। মেমারি থানায় গণপ্রহারের ঘটনার খবর গেলে পুলিশ এসে ধৃত উত্তম সরকারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় ও প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর থানায় নিয়ে আসে। নাবালিকা বালিকার বাবা সোমবার রাতেই মেমারি থানায় ধর্ষনের অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ তদন্তের পর উত্তম সরকারকে পক্সো আইনে গ্রেপ্তার করে।