মালদা: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে মঙ্গলবার মালদার রতুয়া-২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আমিরুদ্দিনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের উপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। মোট ২৪ জন সদস্যের মধ্যে ১৫ জন তাঁর বিরুদ্ধে ভোট দেন। এর ফলে সভাপতি পদ থেকে আমিরুদ্দিনের অপসারণ কার্যত নিশ্চিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২৪টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ১১টি, কংগ্রেস ৮টি এবং সিপিআই(এম) ৩টি আসনে জয়ী হয়। পরে সর্বসম্মতিক্রমে তৃণমূল কংগ্রেসের আমিরুদ্দিন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন। গত ৩১ জুলাই ১৩ জন সদস্যের বিরোধিতায় তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়। সেই প্রস্তাবকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন আমিরুদ্দিন। পরবর্তীতে কলকাতা হাইকোর্ট পুনরায় অনাস্থা প্রস্তাবের উপর ভোটাভুটির নির্দেশ দেয়।
পঞ্চায়েত সদস্য মোহাম্মদ জিয়াউল হকের অভিযোগ, দীর্ঘ তিন বছর ধরে এলাকায় উন্নয়নের কাজ কার্যত থমকে রয়েছে। মঙ্গলবারের ভোটাভুটির পর রতুয়া-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে কংগ্রেস ও সিপিআই(এম)-এর যৌথ নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
নতুন গতি 






















