০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শূন্যে পাঁচ গুলি ছুড়েই শুরু, ২২৬ বছরের সিঙ্গাবাদ জমিদারবাড়ির পুজো

মালদা: পুরনো রীতি মেনে আজও শূন্যে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালিয়ে দুর্গাপুজোর সূচনা হয়। দেখতে দেখতে ২২৬ বছরে পা দিয়েছে হবিবপুরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী তিলাসনের সিঙ্গাবাদ জমিদারবাড়ির পুজো। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে, জরাজীর্ণ বাড়ির বিভিন্ন অংশে ধরেছে ফাটল। তবু অক্ষুণ্ণ রয়েছে ঐতিহ্য।

জানা যায়, ব্যবসার সূত্রে উত্তরপ্রদেশ থেকে বাংলায় এসেছিলেন অবোধ নারায়ণ রায়। ডাল ব্যবসার কাজে সিঙ্গাবাদ স্টেশনে ট্রেনে ডাল এনে নৌকাপথে ঢাকা, রাজশাহী ও কলকাতার খিদিরপুর বন্দরে পাঠাতেন তিনি। ব্যবসার সুবিধার জন্য প্রায় তিন হাজার টাকায় ব্রিটিশদের কাছ থেকে জমিদারি কেনেন অবোধ নারায়ণ রায়। পরে এলাকার মঙ্গল কামনায় তিন সাধুর পরামর্শে শুরু করেন দেবী দুর্গার আরাধনা।
১৯৪৭ সালের দেশভাগে জমিদারি স্টেটের সিংহভাগ অংশ চলে যায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে, বর্তমান বাংলাদেশে। ভারতীয় ভূখণ্ডে সীমান্তের কাঁটাতার থেকে প্রায় ৫০ মিটার দূরে আজও দাঁড়িয়ে রয়েছে বিশাল রায় জমিদারবাড়ি। সময়ের ধাক্কায় জমিদারির জৌলুস হারালেও পুজোর ঐতিহ্যে পড়েনি ভাটা। পুরনো রীতি মেনেই আজও শূন্যে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছুড়েই শুরু হয় পুজো।

জগৎবল্লভপুরে কংগ্রেসের বিডিও অভিযান, জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুতুল দাহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শূন্যে পাঁচ গুলি ছুড়েই শুরু, ২২৬ বছরের সিঙ্গাবাদ জমিদারবাড়ির পুজো

আপডেট : ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার

মালদা: পুরনো রীতি মেনে আজও শূন্যে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালিয়ে দুর্গাপুজোর সূচনা হয়। দেখতে দেখতে ২২৬ বছরে পা দিয়েছে হবিবপুরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী তিলাসনের সিঙ্গাবাদ জমিদারবাড়ির পুজো। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে, জরাজীর্ণ বাড়ির বিভিন্ন অংশে ধরেছে ফাটল। তবু অক্ষুণ্ণ রয়েছে ঐতিহ্য।

জানা যায়, ব্যবসার সূত্রে উত্তরপ্রদেশ থেকে বাংলায় এসেছিলেন অবোধ নারায়ণ রায়। ডাল ব্যবসার কাজে সিঙ্গাবাদ স্টেশনে ট্রেনে ডাল এনে নৌকাপথে ঢাকা, রাজশাহী ও কলকাতার খিদিরপুর বন্দরে পাঠাতেন তিনি। ব্যবসার সুবিধার জন্য প্রায় তিন হাজার টাকায় ব্রিটিশদের কাছ থেকে জমিদারি কেনেন অবোধ নারায়ণ রায়। পরে এলাকার মঙ্গল কামনায় তিন সাধুর পরামর্শে শুরু করেন দেবী দুর্গার আরাধনা।
১৯৪৭ সালের দেশভাগে জমিদারি স্টেটের সিংহভাগ অংশ চলে যায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে, বর্তমান বাংলাদেশে। ভারতীয় ভূখণ্ডে সীমান্তের কাঁটাতার থেকে প্রায় ৫০ মিটার দূরে আজও দাঁড়িয়ে রয়েছে বিশাল রায় জমিদারবাড়ি। সময়ের ধাক্কায় জমিদারির জৌলুস হারালেও পুজোর ঐতিহ্যে পড়েনি ভাটা। পুরনো রীতি মেনেই আজও শূন্যে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছুড়েই শুরু হয় পুজো।