১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

জলমগ্ন ফারাক্কার নুর জাহানারা স্মৃতি হাই মাদ্রাসা, চরম ভোগান্তিতে ছাত্র-ছাত্রীরা

এম. আহমেদ, ফরাক্কা: ফারাক্কা ব্যারাজ থেকে অতিরিক্ত জল ছাড়ার জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়ল ফরাক্কার মহেশপুর বটতলার নুর জাহানারা স্মৃতি হাই মাদ্রাসা। মাদ্রাসার মূল ভবন, মাঠ ও চারপাশ হাঁটু জলের নিচে। ফলে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে পঠন-পাঠন। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীরা।
জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে গঙ্গার জলস্তর ক্রমশ বাড়ছিল। শনিবার রাত থেকে বাগমারি খাল দিয়ে সেই জল ঢুকতে শুরু করে মাদ্রাসা ও পার্শ্ববর্তী গ্রামে। রবিবার সকালে স্কুলে এসে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক দেখেন, গোটা স্কুল চত্বর হাঁটু জলে ডুবে রয়েছে। পাশের বাগান এলাকায় কোথাও কোথাও কোমর সমান জল। বাগানের আশপাশের বাড়ির ভিতরেও জল ঢুকে পড়েছে।
পরিস্থিতির কথা ফরাক্কা চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক এবং জেলা সংখ্যালঘু দফতরের আধিকারিককে জানানো হয়। তাঁদের নির্দেশে নিরাপত্তার কথা ভেবে সোম ও মঙ্গলবার দু’দিন মাদ্রাসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ, জল পেরিয়ে স্কুলে আসতে গেলে ছাত্র-ছাত্রীদের বড়সড় বিপদ ঘটতে পারে।
এলাকার জেলা পরিষদ সদস্য মহসিনা খাতুন বলেন, “গঙ্গার জল বাগমারি খাল দিয়ে ঢুকে মহেশপুর বটতলা এলাকা-সহ মাদ্রাসাটিকে ভাসিয়ে দিয়েছে। এলাকাটি নিচু হওয়ায় প্রতিবছরই এই সমস্যায় পড়তে হয়।”
প্রসঙ্গত, ফরাক্কা ব্যারাজে শনিবার ১৮.২০ লক্ষ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে, রবিবারও তা ১৮ লক্ষ কিউসেক রয়েছে। জলস্তর এখনও বিপদসীমার ১.৫৬ মিটার উপর দিয়ে বইছে।

সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মহিলা ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জলমগ্ন ফারাক্কার নুর জাহানারা স্মৃতি হাই মাদ্রাসা, চরম ভোগান্তিতে ছাত্র-ছাত্রীরা

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার
এম. আহমেদ, ফরাক্কা: ফারাক্কা ব্যারাজ থেকে অতিরিক্ত জল ছাড়ার জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়ল ফরাক্কার মহেশপুর বটতলার নুর জাহানারা স্মৃতি হাই মাদ্রাসা। মাদ্রাসার মূল ভবন, মাঠ ও চারপাশ হাঁটু জলের নিচে। ফলে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে পঠন-পাঠন। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীরা।
জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে গঙ্গার জলস্তর ক্রমশ বাড়ছিল। শনিবার রাত থেকে বাগমারি খাল দিয়ে সেই জল ঢুকতে শুরু করে মাদ্রাসা ও পার্শ্ববর্তী গ্রামে। রবিবার সকালে স্কুলে এসে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক দেখেন, গোটা স্কুল চত্বর হাঁটু জলে ডুবে রয়েছে। পাশের বাগান এলাকায় কোথাও কোথাও কোমর সমান জল। বাগানের আশপাশের বাড়ির ভিতরেও জল ঢুকে পড়েছে।
পরিস্থিতির কথা ফরাক্কা চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক এবং জেলা সংখ্যালঘু দফতরের আধিকারিককে জানানো হয়। তাঁদের নির্দেশে নিরাপত্তার কথা ভেবে সোম ও মঙ্গলবার দু’দিন মাদ্রাসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ, জল পেরিয়ে স্কুলে আসতে গেলে ছাত্র-ছাত্রীদের বড়সড় বিপদ ঘটতে পারে।
এলাকার জেলা পরিষদ সদস্য মহসিনা খাতুন বলেন, “গঙ্গার জল বাগমারি খাল দিয়ে ঢুকে মহেশপুর বটতলা এলাকা-সহ মাদ্রাসাটিকে ভাসিয়ে দিয়েছে। এলাকাটি নিচু হওয়ায় প্রতিবছরই এই সমস্যায় পড়তে হয়।”
প্রসঙ্গত, ফরাক্কা ব্যারাজে শনিবার ১৮.২০ লক্ষ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে, রবিবারও তা ১৮ লক্ষ কিউসেক রয়েছে। জলস্তর এখনও বিপদসীমার ১.৫৬ মিটার উপর দিয়ে বইছে।