০৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
০৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায় খুবই কষ্ট দিল

দীপক নন্দী, নিউ জার্সি থেকে: চোখের সামনে স্টেডিয়ামে বসে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায় দেখলাম। মনটা খুবই ভারাক্রান্ত। একজন ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে আর কোটি কোটি দর্শক প্রেমীদের মতো আমিও চেয়েছিলাম ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠুক। কিন্তু আজ ভালো খেলেও দুর্ভাগ্য ব্রাজিলের। তারা জয় পেল না। বিদায় নিতে হলো বিশ্বকাপ থেকে। আফসোস ছাড়া আর কিছুই করার নেই।

এদিনের ব্রাজিলের হারের ময়নাতদন্ত করতে গেলে চোখে পড়বে সহজ সব গোলের সুযোগ হারানোর ব্যাপারটা। ফুটবলে জিততে হলে চাই তো গোল। সেটাই যদি এত মিস করা হয় তাহলে জয়টা আসবে কিভাবে। একটা সুবর্ণ সুযোগ ছিল শুরুতেই পেনাল্টি থেকে গোল করার। একটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই ধরনের পেনাল্টি মিস দেখে স্টেডিয়াম এবং সারা বিশ্ব জুড়ে ব্রাজিলের কোটি কোটি সমর্থক হতাশ হয়েছেন। আর আমি তো দারুণ হতাশ হলাম। ভিনিসিয়ুসের মতো তারকা থাকতে পেনাল্টিটা কেন ব্রুনো গিমারাইস নিতে গেলেন? এখনো কিছুই বুঝতে পারছি না!

পেনাল্টি মিসের পরও এসেছিল গোলের অনেক সুযোগ। কিন্তু ফিনিশিং এর অভাবে সেখানেও গোল করতে ব্যর্থ ব্রাজিল। বিরতির পর মাঠে নেমে এনদ্রিক গোলকিপারকে একা পেয়েও বলটা বাইরে মারলেন! আর এমন সব গোলের সুযোগ হাতছাড়া করার খেসারতই দিতে হলো পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। গোল করতে না পারলে ম্যাচ জেতা যায় না—এই সত্যটা নির্মমভাবে উপলব্ধি করল ব্রাজিল।

এনিয়ে নরওয়ের গোলকিপার ওরইয়ান নিলান্ডের প্রশংসা করতেই হবে। এদিন গ্লাভস হাতে তিনি যে গোল কিপিং করলেন, তা এক কথায় অসাধারণ, অনবদ্য গোলকিপিং!

আর জোড়া গোল করে এই মুহূর্তে বিশ্ব ফুটবলের অ্যাটাকিং স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড জোড়া গোল করে নরওয়েকে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে তুলে দিলেন। এ কৃতিত্ব তাকে দিতেই হবে। আমার চোখে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় তিনিই।

আবার বলছি,ব্রাজিলের এই হারে স্বাভাবিকভাবেই মনটা খুবই খারাপ। শুধু আমার কেন, বিশ্বের কোটি কোটি ব্রাজিল সমর্থকের মনটা ভেঙে পড়েছে। ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনালেও যেতে পারবে না—এটা মেনে নেওয়া খুবই কষ্টেরই।

সুইজারল্যান্ডকে টপকে যে রেকর্ড এখন স্পেনের দখলে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায় খুবই কষ্ট দিল

আপডেট : ৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার

দীপক নন্দী, নিউ জার্সি থেকে: চোখের সামনে স্টেডিয়ামে বসে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায় দেখলাম। মনটা খুবই ভারাক্রান্ত। একজন ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে আর কোটি কোটি দর্শক প্রেমীদের মতো আমিও চেয়েছিলাম ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠুক। কিন্তু আজ ভালো খেলেও দুর্ভাগ্য ব্রাজিলের। তারা জয় পেল না। বিদায় নিতে হলো বিশ্বকাপ থেকে। আফসোস ছাড়া আর কিছুই করার নেই।

এদিনের ব্রাজিলের হারের ময়নাতদন্ত করতে গেলে চোখে পড়বে সহজ সব গোলের সুযোগ হারানোর ব্যাপারটা। ফুটবলে জিততে হলে চাই তো গোল। সেটাই যদি এত মিস করা হয় তাহলে জয়টা আসবে কিভাবে। একটা সুবর্ণ সুযোগ ছিল শুরুতেই পেনাল্টি থেকে গোল করার। একটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই ধরনের পেনাল্টি মিস দেখে স্টেডিয়াম এবং সারা বিশ্ব জুড়ে ব্রাজিলের কোটি কোটি সমর্থক হতাশ হয়েছেন। আর আমি তো দারুণ হতাশ হলাম। ভিনিসিয়ুসের মতো তারকা থাকতে পেনাল্টিটা কেন ব্রুনো গিমারাইস নিতে গেলেন? এখনো কিছুই বুঝতে পারছি না!

পেনাল্টি মিসের পরও এসেছিল গোলের অনেক সুযোগ। কিন্তু ফিনিশিং এর অভাবে সেখানেও গোল করতে ব্যর্থ ব্রাজিল। বিরতির পর মাঠে নেমে এনদ্রিক গোলকিপারকে একা পেয়েও বলটা বাইরে মারলেন! আর এমন সব গোলের সুযোগ হাতছাড়া করার খেসারতই দিতে হলো পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। গোল করতে না পারলে ম্যাচ জেতা যায় না—এই সত্যটা নির্মমভাবে উপলব্ধি করল ব্রাজিল।

এনিয়ে নরওয়ের গোলকিপার ওরইয়ান নিলান্ডের প্রশংসা করতেই হবে। এদিন গ্লাভস হাতে তিনি যে গোল কিপিং করলেন, তা এক কথায় অসাধারণ, অনবদ্য গোলকিপিং!

আর জোড়া গোল করে এই মুহূর্তে বিশ্ব ফুটবলের অ্যাটাকিং স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড জোড়া গোল করে নরওয়েকে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে তুলে দিলেন। এ কৃতিত্ব তাকে দিতেই হবে। আমার চোখে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় তিনিই।

আবার বলছি,ব্রাজিলের এই হারে স্বাভাবিকভাবেই মনটা খুবই খারাপ। শুধু আমার কেন, বিশ্বের কোটি কোটি ব্রাজিল সমর্থকের মনটা ভেঙে পড়েছে। ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনালেও যেতে পারবে না—এটা মেনে নেওয়া খুবই কষ্টেরই।