০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

এবার প্রিয়দর্শীনির বিরুদ্ধে তহবিল তছরূপের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই বালু তো নজতে আছেই, এবার বালু কন্যা প্রিয়দর্শিনীও পুলিশের নজরে। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদে থাকাকালীন বিপুল খরচা করেছেন বালুর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। শুধুমাত্র গত অর্থবছরেই ক্যান্টিনের বিল ১ কোটি টাকার বেশি। এত বিপুল খরচা কীভাবে? প্রশ্ন তুলে ইতিমধ্যেই অভিযোগ জমা পড়েছে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই চাপানউতোর শুরু হয়েছে। আগেই এই বিপুল খরচ নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করেছিলেন ফাইন্যান্স অফিসারও। সূত্রের খবর, বিভিন্ন জায়গায় একাধিক প্রোগ্রামের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ওই ক্যান্টিনকে। এখন বিপুল খরচার কথা স্বীকার করেছেন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তৎকালীন সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। বিস্ফোরক দাবিও করেছেন তিনি। তাঁর সাফ কথা, তদন্ত হলে কমিটির কাছে সব বলব। এখন টেন্ডারেও প্রাথমিকভাবে অসঙ্গতির অভিযোগ জমা পড়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে।

চিরঞ্জীব বলছেন, “এতটা বিল নিয়ে আমি নিজেও নিশ্চিত ছিলাম না। এটা নিয়ে সেই সময় ফিন্যান্স অফিসারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি চিন্তিতও ছিলাম। সে জন্য ফের টেন্ডার ডাকা হয়। যে কোনও বিষয়ে তদন্ত হতেই পারে। আমাকে যদি ডাকা হয় তাহলে সেখানে আমি যা বলার সেটা বলব।” প্রসঙ্গত, বর্তমানে আশুতোষ কলেজের মাইক্রো বায়োলজির অধ্যাপক হিসাবে কাজ করছেন প্রিয়দর্শিনী। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে তাঁকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সচিব করা হয়। তার আগে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সেক্রেটারি ইন চার্জ বা দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব হিসাবে কাজ করছিলেন তাপস মুখোপাধ্যায়। কিন্তু কোনও স্থায়ী সচিব ছিল না। এদিকে রাজ্যে পালাবদলের পরেই তাঁকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিকাশ ভবনের স্কুল শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে তাঁকে সচিব পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়। ফের তাঁকে তাঁর পুরনো কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এবার তাঁর আমলে এই বিপুল খরচ নিয়ে স্বভাবতই চলছে চর্চা। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রিয়দর্শিনী।

সর্বাধিক পাঠিত

শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ছিল না বিদ্যুৎ সংযোগ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এবার প্রিয়দর্শীনির বিরুদ্ধে তহবিল তছরূপের অভিযোগ

আপডেট : ৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার

নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই বালু তো নজতে আছেই, এবার বালু কন্যা প্রিয়দর্শিনীও পুলিশের নজরে। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদে থাকাকালীন বিপুল খরচা করেছেন বালুর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। শুধুমাত্র গত অর্থবছরেই ক্যান্টিনের বিল ১ কোটি টাকার বেশি। এত বিপুল খরচা কীভাবে? প্রশ্ন তুলে ইতিমধ্যেই অভিযোগ জমা পড়েছে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই চাপানউতোর শুরু হয়েছে। আগেই এই বিপুল খরচ নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করেছিলেন ফাইন্যান্স অফিসারও। সূত্রের খবর, বিভিন্ন জায়গায় একাধিক প্রোগ্রামের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ওই ক্যান্টিনকে। এখন বিপুল খরচার কথা স্বীকার করেছেন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তৎকালীন সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। বিস্ফোরক দাবিও করেছেন তিনি। তাঁর সাফ কথা, তদন্ত হলে কমিটির কাছে সব বলব। এখন টেন্ডারেও প্রাথমিকভাবে অসঙ্গতির অভিযোগ জমা পড়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে।

চিরঞ্জীব বলছেন, “এতটা বিল নিয়ে আমি নিজেও নিশ্চিত ছিলাম না। এটা নিয়ে সেই সময় ফিন্যান্স অফিসারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি চিন্তিতও ছিলাম। সে জন্য ফের টেন্ডার ডাকা হয়। যে কোনও বিষয়ে তদন্ত হতেই পারে। আমাকে যদি ডাকা হয় তাহলে সেখানে আমি যা বলার সেটা বলব।” প্রসঙ্গত, বর্তমানে আশুতোষ কলেজের মাইক্রো বায়োলজির অধ্যাপক হিসাবে কাজ করছেন প্রিয়দর্শিনী। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে তাঁকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সচিব করা হয়। তার আগে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সেক্রেটারি ইন চার্জ বা দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব হিসাবে কাজ করছিলেন তাপস মুখোপাধ্যায়। কিন্তু কোনও স্থায়ী সচিব ছিল না। এদিকে রাজ্যে পালাবদলের পরেই তাঁকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিকাশ ভবনের স্কুল শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে তাঁকে সচিব পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়। ফের তাঁকে তাঁর পুরনো কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এবার তাঁর আমলে এই বিপুল খরচ নিয়ে স্বভাবতই চলছে চর্চা। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রিয়দর্শিনী।