১৩ জুন ২০২৬, শনিবার, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৩ জুন ২০২৬, শনিবার, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন বাবুল, অনেকটা দু’নৌকোয় পা দেওয়ার মতো

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ নীরবতা পরে একটা বড়ো পোষ্ট করলেন বাবুল সুপ্রিয়। তিনি লিখেছেন, “নিজের দলের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার পূর্ণ অধিকার আপনার আছে। আমিও তা করেছি। সেই অবস্থানকে সম্মান জানাতে হলে সাংসদ বা বিধায়ক পদ থেকেও সরে দাঁড়ানো উচিত। কারণ, আপনি দলের প্রতীক,নেতৃত্ব ও ব্যানারের অধীনে ভোটে লড়েছিলেন।” একই সঙ্গে নাম না করে ঋতব্রতকে খোঁচা তাঁর।

এদিন, বাবুল মুখ খুলেছেন মমতার বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, সরকারি অর্থ তছরুপ করা হয়েছে এমন অভিযোগ শোনার পরই সুপ্রিমোর উচিত ছিল ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি লিখেছেন, “দিদি নিশ্চয়ই একটা বড় ভুল করেছিলেন। ক্ষমতায় আসার প্রথম দিন থেকেই যারা দুর্নীতি, সরকারি অর্থ তছরুপ বা নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে। তাদের অনেকেই এখন ওই ‘৬০’-এর অংশ! বাকিদের কেউ ভোটে হেরেছে, কেউ জেলে যাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “তবে একজন মানুষ আমাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে! কখনও ভাবিনি, আমাদের চারপাশে একটা সাপ মানুষের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।এখন শুধু আশা করি, ভারতীয় জনতা পার্টি বা BJP যেন অন্য অনেক রাজ্যের মতো তাদের দলে টেনে নেওয়ার ভুল না করে।” রাজনৈতিক মহলের ধারণা,দলের ভাল সময়ে কোনওদিন সেভাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেননি। দল হারতেই সঙ্গে সঙ্গে এভাবে অন্দরে বিভাজন তৈরি নিয়ে সরব তিনি।

সর্বাধিক পাঠিত

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন: সেমিফাইনালে উঠলেন সিন্ধু, কোয়ার্টার ফাইনালে ইয়ামাগুচির কাছে হারলেন তানভি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন বাবুল, অনেকটা দু’নৌকোয় পা দেওয়ার মতো

আপডেট : ৬ জুন ২০২৬, শনিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ নীরবতা পরে একটা বড়ো পোষ্ট করলেন বাবুল সুপ্রিয়। তিনি লিখেছেন, “নিজের দলের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার পূর্ণ অধিকার আপনার আছে। আমিও তা করেছি। সেই অবস্থানকে সম্মান জানাতে হলে সাংসদ বা বিধায়ক পদ থেকেও সরে দাঁড়ানো উচিত। কারণ, আপনি দলের প্রতীক,নেতৃত্ব ও ব্যানারের অধীনে ভোটে লড়েছিলেন।” একই সঙ্গে নাম না করে ঋতব্রতকে খোঁচা তাঁর।

এদিন, বাবুল মুখ খুলেছেন মমতার বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, সরকারি অর্থ তছরুপ করা হয়েছে এমন অভিযোগ শোনার পরই সুপ্রিমোর উচিত ছিল ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি লিখেছেন, “দিদি নিশ্চয়ই একটা বড় ভুল করেছিলেন। ক্ষমতায় আসার প্রথম দিন থেকেই যারা দুর্নীতি, সরকারি অর্থ তছরুপ বা নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে। তাদের অনেকেই এখন ওই ‘৬০’-এর অংশ! বাকিদের কেউ ভোটে হেরেছে, কেউ জেলে যাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “তবে একজন মানুষ আমাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে! কখনও ভাবিনি, আমাদের চারপাশে একটা সাপ মানুষের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।এখন শুধু আশা করি, ভারতীয় জনতা পার্টি বা BJP যেন অন্য অনেক রাজ্যের মতো তাদের দলে টেনে নেওয়ার ভুল না করে।” রাজনৈতিক মহলের ধারণা,দলের ভাল সময়ে কোনওদিন সেভাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেননি। দল হারতেই সঙ্গে সঙ্গে এভাবে অন্দরে বিভাজন তৈরি নিয়ে সরব তিনি।