১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

লাইট নেই জল নেই খাবার নেই চরম শোচনীয় অবস্থা সিকিম বাসীর!

নিজস্ব সংবাদদাতা : আটচল্লিশ ঘন্টা হয়ে গেল এখনো সিকিমের মানুষের মন থেকে ভুলতে পারেন নি সেই ভয়াবহ রাতের কথা। যদিও সেনাবাহিনীর জওয়ানেরা একেবারে শুরু থেকে ঝাপিয়ে পড়ছেন উদ্বারকার্যে। তবে সমস্যা তাদের কাছে আরো ভয়ানক আকার ধারন করেছে। বিকেল তিনটের পরে একেবারে অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে সিকিম।এর উপরে কালো আকাশ এবং ঠান্ডা। একমাত্র ভরসা চার্জার লাইট। সেই আলোতে ঠিকভাবে কাজ করতে পারছেন না জওয়ানেরা। গোটা সিকিমেই এখন জলের সমস্যা ভয়ানক আকার ধারন করেছে। পানীয় জল একেবারে নোনতা হয়ে যাওয়াতে কেউ খেতে পারছেন না জল। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দাম দিয়ে তাদের কিনতে হচ্ছে পানীয় জলের বোতল।খাবার বলতে ওয়াই ওয়াই, বিষ্কুট এবং চা কোনভাবে সেই খেয়ে রাত কাটিয়েছেন অনেকে। সিকিমের স্থানীয় বাসিন্দারা অনেক জায়গাতে কেটলি করে স্যুপ পৌছে দিচ্ছেন গরম থাকার জন্য। তবে দিনের চাইতে রাত অনেক বড় হওয়ায় উদ্বার করতে অনেক সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন জওয়ানেরা। তবে সাহায্য এসে পৌছালে অনেক সমস্যা কমবে বলে জানিয়েছেন তারা। তারা জানিয়েছেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তুলতে সপ্তাহ খানেক লাগবে কিংবা তার বেশী।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

লাইট নেই জল নেই খাবার নেই চরম শোচনীয় অবস্থা সিকিম বাসীর!

আপডেট : ৬ অক্টোবর ২০২৩, শুক্রবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : আটচল্লিশ ঘন্টা হয়ে গেল এখনো সিকিমের মানুষের মন থেকে ভুলতে পারেন নি সেই ভয়াবহ রাতের কথা। যদিও সেনাবাহিনীর জওয়ানেরা একেবারে শুরু থেকে ঝাপিয়ে পড়ছেন উদ্বারকার্যে। তবে সমস্যা তাদের কাছে আরো ভয়ানক আকার ধারন করেছে। বিকেল তিনটের পরে একেবারে অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে সিকিম।এর উপরে কালো আকাশ এবং ঠান্ডা। একমাত্র ভরসা চার্জার লাইট। সেই আলোতে ঠিকভাবে কাজ করতে পারছেন না জওয়ানেরা। গোটা সিকিমেই এখন জলের সমস্যা ভয়ানক আকার ধারন করেছে। পানীয় জল একেবারে নোনতা হয়ে যাওয়াতে কেউ খেতে পারছেন না জল। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দাম দিয়ে তাদের কিনতে হচ্ছে পানীয় জলের বোতল।খাবার বলতে ওয়াই ওয়াই, বিষ্কুট এবং চা কোনভাবে সেই খেয়ে রাত কাটিয়েছেন অনেকে। সিকিমের স্থানীয় বাসিন্দারা অনেক জায়গাতে কেটলি করে স্যুপ পৌছে দিচ্ছেন গরম থাকার জন্য। তবে দিনের চাইতে রাত অনেক বড় হওয়ায় উদ্বার করতে অনেক সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন জওয়ানেরা। তবে সাহায্য এসে পৌছালে অনেক সমস্যা কমবে বলে জানিয়েছেন তারা। তারা জানিয়েছেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তুলতে সপ্তাহ খানেক লাগবে কিংবা তার বেশী।