১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করছিলেন, রাগের মাথায় মহিলা সহকর্মীকে খুন

নিজস্ব সংবাদদাতা : বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করছিলেন, রাগের মাথায় মহিলা সহকর্মীকে খুন করে বসেন দিল্লি পুলিশের এক কনস্টেবল। ঘটনার দু’বছর পর তাঁকে গ্রেফতার করা হল। গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখা।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম সুরেন্দ্র। দিল্লি পুলিশের হেড কনস্টেবল হিসাবে চাকরি করতেন তিনি। বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও রুচিকা নামের আর এক কনস্টেবলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। ওই মহিলা তাঁকে বিয়ের জন্য চাপ দিতেন। সেই কারণেই এই খুন বলে প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশের ওই মহিলা কনস্টেবল দু’বছর আগে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। সম্প্রতি একটি ঘটনার সূত্রে এই নিখোঁজকাণ্ডে সুরেন্দ্রকে সন্দেহ হয় পুলিশের। কেঁচো খুঁড়তেই বেরিয়ে আসে কেউটে। নির্দিষ্ট একটি স্থান থেকে মহিলার কঙ্কাল উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা।পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ কনস্টেবল সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র ফেলে গিয়েছিলেন অভিযুক্ত। সেই থেকেই তাঁকে সন্দেহ করেন অন্য সহকর্মীরা। তদন্ত শুরু করে অপরাধদমন শাখা। এর পর সহজেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করা যায়। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

ডিভিসিতে মাছ ধরতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু মৎসজীবির

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করছিলেন, রাগের মাথায় মহিলা সহকর্মীকে খুন

আপডেট : ২ অক্টোবর ২০২৩, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করছিলেন, রাগের মাথায় মহিলা সহকর্মীকে খুন করে বসেন দিল্লি পুলিশের এক কনস্টেবল। ঘটনার দু’বছর পর তাঁকে গ্রেফতার করা হল। গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখা।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম সুরেন্দ্র। দিল্লি পুলিশের হেড কনস্টেবল হিসাবে চাকরি করতেন তিনি। বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও রুচিকা নামের আর এক কনস্টেবলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। ওই মহিলা তাঁকে বিয়ের জন্য চাপ দিতেন। সেই কারণেই এই খুন বলে প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশের ওই মহিলা কনস্টেবল দু’বছর আগে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। সম্প্রতি একটি ঘটনার সূত্রে এই নিখোঁজকাণ্ডে সুরেন্দ্রকে সন্দেহ হয় পুলিশের। কেঁচো খুঁড়তেই বেরিয়ে আসে কেউটে। নির্দিষ্ট একটি স্থান থেকে মহিলার কঙ্কাল উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা।পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ কনস্টেবল সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র ফেলে গিয়েছিলেন অভিযুক্ত। সেই থেকেই তাঁকে সন্দেহ করেন অন্য সহকর্মীরা। তদন্ত শুরু করে অপরাধদমন শাখা। এর পর সহজেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করা যায়। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।