১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

রবীন্দ্র ভারতী সোসাইটির টানে বৃটিশ লেখক

সম্প্রীতি মোল্লা : গত বুধবার  সন্ধ্যাবেলায় রবীন্দ্রভারতী সোসাইটিতে (জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ী) এসেছিলেন ইংল্যান্ডের সাফোক থেকে শ্রী কিথ হামফ্রে। কিথ হামফ্রে সেই ১৯৭১ থেকেই কলকাতায় আসছেন । কলকাতার প্রাসাদ ছেড়ে তার আকর্ষণ মূলত উত্তর ও মধ্য কলকাতার রাস্তাগুলোর ভূগোল ও ইতিহাস সম্মন্ধে জানা।  এই বিষয়ে তিনি দুটি বই লিখেছেন – Walking Calcutta এবং Calcutta revisited। তাঁকে সোসাইটির সম্পাদক শ্রী সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান ও অন্য সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।  সোসাইটির সদস্যদের সঙ্গে তাঁর এই বিষয় বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রাশ্চাত্য আঙ্গিকে  ত্রিভাষিক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনের  মাধ্যমে – বাংলা, ইংরিজি ও ফরাসি ভাষায় সংগীত পরিবেশন করেন শ্রীমতি ছন্দা দত্ত ও সোসাইটির সদস্যগন।অনুষ্ঠান শেষে শ্রী কিথ হামফ্রে ও শ্রীমতি প্যাট্রিসিয়া হামফ্রে কে একটি ছোট উপহার দিয়ে সম্মান জানানো হয়। রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি এইভাবে বাংলার সংস্কৃতিকে সারা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরছে।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রবীন্দ্র ভারতী সোসাইটির টানে বৃটিশ লেখক

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২২, শুক্রবার

সম্প্রীতি মোল্লা : গত বুধবার  সন্ধ্যাবেলায় রবীন্দ্রভারতী সোসাইটিতে (জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ী) এসেছিলেন ইংল্যান্ডের সাফোক থেকে শ্রী কিথ হামফ্রে। কিথ হামফ্রে সেই ১৯৭১ থেকেই কলকাতায় আসছেন । কলকাতার প্রাসাদ ছেড়ে তার আকর্ষণ মূলত উত্তর ও মধ্য কলকাতার রাস্তাগুলোর ভূগোল ও ইতিহাস সম্মন্ধে জানা।  এই বিষয়ে তিনি দুটি বই লিখেছেন – Walking Calcutta এবং Calcutta revisited। তাঁকে সোসাইটির সম্পাদক শ্রী সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান ও অন্য সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।  সোসাইটির সদস্যদের সঙ্গে তাঁর এই বিষয় বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রাশ্চাত্য আঙ্গিকে  ত্রিভাষিক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনের  মাধ্যমে – বাংলা, ইংরিজি ও ফরাসি ভাষায় সংগীত পরিবেশন করেন শ্রীমতি ছন্দা দত্ত ও সোসাইটির সদস্যগন।অনুষ্ঠান শেষে শ্রী কিথ হামফ্রে ও শ্রীমতি প্যাট্রিসিয়া হামফ্রে কে একটি ছোট উপহার দিয়ে সম্মান জানানো হয়। রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি এইভাবে বাংলার সংস্কৃতিকে সারা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরছে।