০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিধবা ভাতার অ্যাকাউন্টে ৩২ কোটি! পাসবই দেখে হতবাক পরিচারিকা

পূর্ব বর্ধমান: মঙ্গলকোটের লাখুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আটঘরা গ্রামের বাসিন্দা ঝুমা দাসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে হঠাৎ প্রায় ৩২ কোটি টাকা জমা দেখানোকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্বামীহারা ঝুমা পরিচারিকার কাজ ও বিধবা ভাতার টাকায় কোনওরকমে সংসার চালান। তিন মাস ধরে বিধবা ভাতার টাকা না পেয়ে সোমবার রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাঙ্কের শাখায় পাসবই আপডেট করাতে যান তিনি। সেখানে দেখা যায়, গত ৪ জুলাই বিধবা ভাতা বাবদ ১ কোটি টাকা এবং আরও ৩১ কোটি ৯৭ লক্ষ ৩৭ হাজার ১৯৭ টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। বিপুল অঙ্ক দেখে হতবাক হয়ে বাড়ি ফিরে বিষয়টি প্রতিবেশীদের জানান এবং পরে মঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।পরে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে প্রযুক্তিগত বা কম্পিউটারজনিত ত্রুটি বলে জানিয়ে নতুন পাসবই দেয়। তবে ঝুমার অভিযোগ, নতুন পাসবইয়ে ১ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত কোনও লেনদেনের তথ্য নেই। ঝুমা দাস বলেন, “এই টাকা আমার নয়। তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনা হোক।” তাঁর ভাই গৌতম দাসেরও দাবি, এটি শুধুই প্রযুক্তিগত ত্রুটি নাকি অন্য কোনও গলদ, তা নিরপেক্ষ তদন্তে স্পষ্ট হওয়া উচিত। ইতিমধ্যেই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
সর্বাধিক পাঠিত

নলহাটির কয়থা সমবায় ফের বাম-কংগ্রেস জোটের দখলে, অনাস্থা ডেকেও হারল তৃণমূল

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিধবা ভাতার অ্যাকাউন্টে ৩২ কোটি! পাসবই দেখে হতবাক পরিচারিকা

আপডেট : ৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
পূর্ব বর্ধমান: মঙ্গলকোটের লাখুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আটঘরা গ্রামের বাসিন্দা ঝুমা দাসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে হঠাৎ প্রায় ৩২ কোটি টাকা জমা দেখানোকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্বামীহারা ঝুমা পরিচারিকার কাজ ও বিধবা ভাতার টাকায় কোনওরকমে সংসার চালান। তিন মাস ধরে বিধবা ভাতার টাকা না পেয়ে সোমবার রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাঙ্কের শাখায় পাসবই আপডেট করাতে যান তিনি। সেখানে দেখা যায়, গত ৪ জুলাই বিধবা ভাতা বাবদ ১ কোটি টাকা এবং আরও ৩১ কোটি ৯৭ লক্ষ ৩৭ হাজার ১৯৭ টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। বিপুল অঙ্ক দেখে হতবাক হয়ে বাড়ি ফিরে বিষয়টি প্রতিবেশীদের জানান এবং পরে মঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।পরে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে প্রযুক্তিগত বা কম্পিউটারজনিত ত্রুটি বলে জানিয়ে নতুন পাসবই দেয়। তবে ঝুমার অভিযোগ, নতুন পাসবইয়ে ১ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত কোনও লেনদেনের তথ্য নেই। ঝুমা দাস বলেন, “এই টাকা আমার নয়। তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনা হোক।” তাঁর ভাই গৌতম দাসেরও দাবি, এটি শুধুই প্রযুক্তিগত ত্রুটি নাকি অন্য কোনও গলদ, তা নিরপেক্ষ তদন্তে স্পষ্ট হওয়া উচিত। ইতিমধ্যেই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।