২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

২১শে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে রক্ত দান শিবির জিয়াগঞ্জে

রহমতুল্লাহ, মুর্শিদাবাদ : তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ স্মরণ দিবস উপলক্ষে আগামী ২১শে জুলাই ধর্মতলায় অনুষ্ঠিতব্য মূল কর্মসূচিকে সফল করে তুলতে শনিবার এক প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয় জিয়াগঞ্জে, পাশাপাশি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হলো। সভায় নেতারা শহিদ দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে বক্তব্য রাখেন। শহিদদের আত্মবলিদান স্মরণ করে ধর্মতলার কর্মসূচিতে প্রতিটি অঞ্চল থেকে অধিক সংখ্যক মানুষ নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বাহাদুরপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন কান্দির বিধায়ক তথা জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার, প্রাক্তন বিধায়িকা সাওনি সিংহ রায়, পৌরপিতা প্রসেনজিৎ ঘোষ, মলয় রায়, অঞ্চল সভাপতি বাবলু সরকার, অরুন সাহা, পরিমল সরকার সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।

নেতারা বলেন, “২১শে জুলাই শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দিন নয়, এটি আত্মত্যাগের এক মহিমান্বিত অধ্যায়। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমাদের সকলকে ঐদিন ধর্মতলায় উপস্থিত থাকতে হবে।” সভায় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা জোগাতে নেতৃত্বরা শহিদ দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন এবং সকলকে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণের বার্তা দেন। স্থানীয় কর্মীদের মধ্যে এই সভা ঘিরে প্রবল উৎসাহ এবং উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২১শে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে রক্ত দান শিবির জিয়াগঞ্জে

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৫, রবিবার

রহমতুল্লাহ, মুর্শিদাবাদ : তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ স্মরণ দিবস উপলক্ষে আগামী ২১শে জুলাই ধর্মতলায় অনুষ্ঠিতব্য মূল কর্মসূচিকে সফল করে তুলতে শনিবার এক প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয় জিয়াগঞ্জে, পাশাপাশি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হলো। সভায় নেতারা শহিদ দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে বক্তব্য রাখেন। শহিদদের আত্মবলিদান স্মরণ করে ধর্মতলার কর্মসূচিতে প্রতিটি অঞ্চল থেকে অধিক সংখ্যক মানুষ নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বাহাদুরপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন কান্দির বিধায়ক তথা জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার, প্রাক্তন বিধায়িকা সাওনি সিংহ রায়, পৌরপিতা প্রসেনজিৎ ঘোষ, মলয় রায়, অঞ্চল সভাপতি বাবলু সরকার, অরুন সাহা, পরিমল সরকার সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।

নেতারা বলেন, “২১শে জুলাই শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দিন নয়, এটি আত্মত্যাগের এক মহিমান্বিত অধ্যায়। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমাদের সকলকে ঐদিন ধর্মতলায় উপস্থিত থাকতে হবে।” সভায় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা জোগাতে নেতৃত্বরা শহিদ দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন এবং সকলকে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণের বার্তা দেন। স্থানীয় কর্মীদের মধ্যে এই সভা ঘিরে প্রবল উৎসাহ এবং উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।