১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

“শত্রুর ভয়ে দেশ ছাড়তে নারাজ”: রাশিয়াতে সোজাসাপ্টা বার্তা জেলেনস্কির

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২, শুক্রবার
  • 16

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: শত্রুর ভয়ে দেশ ছেড়ে পালাবেন না। বরং তাঁর সৈন্যদের মনোবল বাড়াতে দেশেই থাকবেন। জানিয়ে দিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি।

শুক্রবার একটি ভিডিয়োবার্তায় তাঁকে বলতে শোনা যায় ‘‘রাশিয়ার এক নম্বর লক্ষ্য আমিই। দু’নম্বরে রয়েছে আমার পরিবার। রাশিয়া চায় আমাকে শেষ করে আমার দেশকে রাজনৈতিক ভাবে নিঃস্ব করে দিতে। কিন্তু আমি পালাব না। এখানেই থাকব। যেখানে আমার সেনারা প্রতি মুহূর্তে রাশিয়ার সঙ্গে লড়াই করছে।’’

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন যে গতিতে রাশিয়া এগোচ্ছে তাতে কিভে পৌঁছতেও খুব বেশি দিন সময় লাগার কথা নয়। সে ক্ষেত্রে ভোলোদিমিরের অনুমান সত্যি হলে খুব শীঘ্রই প্রেসিডেন্টের ভবন ঘেরাও করতে পারে রাশিয়ার সেনা। তাদের বাধা দেওয়ার জন্য বিদেশি শক্তির সাহায্যও পাবে না ইউক্রেন। কারণ আমেরিকা এবং তার নেটো বাহিনী জানিয়ে দিয়েছে, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি ইউক্রেনকে সাহায্য করবে না। শুধু অস্ত্র এবং অন্য সামগ্রী সরবরাহ করে সমর্থন করবে। এই পরিস্থিতিতে ‘শত্রু দেশ’ রাশিয়া সত্যিই যদি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর পরিবারের উপর চড়াও হয়, তবে তার পরিণাম কী হতে চলেছে তা নিয়ে আশঙ্কিত ইউক্রেনের বাসিন্দারা।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“শত্রুর ভয়ে দেশ ছাড়তে নারাজ”: রাশিয়াতে সোজাসাপ্টা বার্তা জেলেনস্কির

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২, শুক্রবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: শত্রুর ভয়ে দেশ ছেড়ে পালাবেন না। বরং তাঁর সৈন্যদের মনোবল বাড়াতে দেশেই থাকবেন। জানিয়ে দিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি।

শুক্রবার একটি ভিডিয়োবার্তায় তাঁকে বলতে শোনা যায় ‘‘রাশিয়ার এক নম্বর লক্ষ্য আমিই। দু’নম্বরে রয়েছে আমার পরিবার। রাশিয়া চায় আমাকে শেষ করে আমার দেশকে রাজনৈতিক ভাবে নিঃস্ব করে দিতে। কিন্তু আমি পালাব না। এখানেই থাকব। যেখানে আমার সেনারা প্রতি মুহূর্তে রাশিয়ার সঙ্গে লড়াই করছে।’’

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন যে গতিতে রাশিয়া এগোচ্ছে তাতে কিভে পৌঁছতেও খুব বেশি দিন সময় লাগার কথা নয়। সে ক্ষেত্রে ভোলোদিমিরের অনুমান সত্যি হলে খুব শীঘ্রই প্রেসিডেন্টের ভবন ঘেরাও করতে পারে রাশিয়ার সেনা। তাদের বাধা দেওয়ার জন্য বিদেশি শক্তির সাহায্যও পাবে না ইউক্রেন। কারণ আমেরিকা এবং তার নেটো বাহিনী জানিয়ে দিয়েছে, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি ইউক্রেনকে সাহায্য করবে না। শুধু অস্ত্র এবং অন্য সামগ্রী সরবরাহ করে সমর্থন করবে। এই পরিস্থিতিতে ‘শত্রু দেশ’ রাশিয়া সত্যিই যদি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর পরিবারের উপর চড়াও হয়, তবে তার পরিণাম কী হতে চলেছে তা নিয়ে আশঙ্কিত ইউক্রেনের বাসিন্দারা।