১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সবুজে ঢাকবে শিক্ষাঙ্গন

 


নিজস্ব প্রতিনিধি : সবুজে ঢাকবে শিক্ষাঙ্গন। স্কুলের অব্যবহৃত জমিতে, খোলা বারান্দায়, ছাদে এমনকী দেওয়ালের গায়ে মাথা তুলবে সবুজ গাছগাছালি। সবুজ রক্ষায় এমনই পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য বন দপ্তর। এই প্রকল্পে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদও।

সম্প্রতি নজরুল মঞ্চে ‘সবুজের অভিযান’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সবুজায়নের কাজে স্কুলপড়ুয়াদের সামিল করতে পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পড়ুয়াদের হাত দিয়ে তিনি গাছের চারা বিলি করতে বলেন। মুখ্যমন্ত্রীর দেখানো পথেই স্কুলে সবুজ রক্ষার পাঠ শুরু করতে চাইছে বন দপ্তর। এই কাজের অংশীদার করা হবে পড়ুয়াদেরও। গাছ লাগানো ও তার পরিচর্যার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। সমস্ত খরচ বহন করবে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।

সবুজ রক্ষার পাশাপাশি কলকাতা শহরকে পাখিদের বসবাসের উপযোগী করে তুলতে বন দপ্তর পেয়ারা, আম, জাম, জামরুল, কাঁঠালের মতো বিভিন্ন ফলের গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌন্দর্যায়নের জন্য শহরে প্রচুর ফুলের গাছও লাগানো হবে।

স্কুলে সবুজায়নের জন্য প্রাথমিক খসড়া পরিকল্পনা তৈরী করেছে রাজ্য বন দপ্তরের অধীন আরবান রিক্রিয়েশনাল ফরেস্ট্রি ডিভিশন। তাতে ঠিক হয়েছে, স্কুলে যেখানে যত টুকু ফাঁকা জমি পাওয়া যাবে, সেখানেই নানা ধরনের গাছ লাগানো হবে। যেখানে জমি নেই, সেখানেও বিকল্প উপায়ে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করবে বন দপ্তর। বানানো হবে গ্রিন ওয়াল, রুফ টপ গার্ডেন, কিচেন গার্ডেন, বাটারফ্লাই গার্ডেন, মেডিসিনাল গার্ডেন ও ভার্টিক্যাল গার্ডেন।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সবুজে ঢাকবে শিক্ষাঙ্গন

আপডেট : ১৭ অগাস্ট ২০১৯, শনিবার

 


নিজস্ব প্রতিনিধি : সবুজে ঢাকবে শিক্ষাঙ্গন। স্কুলের অব্যবহৃত জমিতে, খোলা বারান্দায়, ছাদে এমনকী দেওয়ালের গায়ে মাথা তুলবে সবুজ গাছগাছালি। সবুজ রক্ষায় এমনই পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য বন দপ্তর। এই প্রকল্পে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদও।

সম্প্রতি নজরুল মঞ্চে ‘সবুজের অভিযান’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সবুজায়নের কাজে স্কুলপড়ুয়াদের সামিল করতে পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পড়ুয়াদের হাত দিয়ে তিনি গাছের চারা বিলি করতে বলেন। মুখ্যমন্ত্রীর দেখানো পথেই স্কুলে সবুজ রক্ষার পাঠ শুরু করতে চাইছে বন দপ্তর। এই কাজের অংশীদার করা হবে পড়ুয়াদেরও। গাছ লাগানো ও তার পরিচর্যার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। সমস্ত খরচ বহন করবে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।

সবুজ রক্ষার পাশাপাশি কলকাতা শহরকে পাখিদের বসবাসের উপযোগী করে তুলতে বন দপ্তর পেয়ারা, আম, জাম, জামরুল, কাঁঠালের মতো বিভিন্ন ফলের গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌন্দর্যায়নের জন্য শহরে প্রচুর ফুলের গাছও লাগানো হবে।

স্কুলে সবুজায়নের জন্য প্রাথমিক খসড়া পরিকল্পনা তৈরী করেছে রাজ্য বন দপ্তরের অধীন আরবান রিক্রিয়েশনাল ফরেস্ট্রি ডিভিশন। তাতে ঠিক হয়েছে, স্কুলে যেখানে যত টুকু ফাঁকা জমি পাওয়া যাবে, সেখানেই নানা ধরনের গাছ লাগানো হবে। যেখানে জমি নেই, সেখানেও বিকল্প উপায়ে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করবে বন দপ্তর। বানানো হবে গ্রিন ওয়াল, রুফ টপ গার্ডেন, কিচেন গার্ডেন, বাটারফ্লাই গার্ডেন, মেডিসিনাল গার্ডেন ও ভার্টিক্যাল গার্ডেন।