২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩

ওয়াকফ নিয়ে কালাকানুনের বিরুদ্ধে সোচ্চার কামরুজ্জামান :সমাবেশ মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘীতে

সংবাদদাতা : ওয়াকফ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কালাকানুন তৈরির বিরুদ্ধে সোচ্চার সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান। ১৯ নভেম্বর ২০২৪ কলকাতার শহীদ মিনার ময়দানে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের আহবানে মহাসমাবেশের ঘোষণা করেন। বুধবার মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘী ঈদগাহ ময়দানে ইমাম মোয়াজ্জিন কাউন্সিল ও গো যুবক যুব ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে কামরুজ্জামান বলেন ওয়াকফ সম্পত্তি হচ্ছে মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থানের সম্পত্তি। দরিদ্র মুসলমানদের কল্যাণে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দানকৃত সম্পত্তি। এই সম্পত্তি মোদি সরকারের দখলের অপচেষ্টা শরীরে এক ফোটা রক্ত থাকতে মেনে নেব না। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী বলেন এক দেশ এক আইন হবে !! তাহলে ওয়াকফ সম্পত্তির পরিচালন কমিটিতে দুজন হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি থাকলে দেবত্ব সম্পত্তি তথা মন্দির কমিটিতে দুজন মুসলিম প্রতিনিধি রাখার কথা বলা হচ্ছে না কেন ?? আসলে মোদি সরকার এক দেশের ধর্মের ভিত্তিতে আলাদা আলাদা আইন ও অনুশাসন চাইছেন। একই সঙ্গে রামগিরি মহারাজ ও নরসিংহনন্দ মহারাজের মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে অবমাননা করার মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান। এই দুই মহারাজের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান। এদিন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইমাম মোয়াজ্জিন কাউন্সিলের সাগরদিঘী ব্লক কমিটির সভাপতি মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, কাজী মহসিন আজিম, মাওলানা নিজামুদ্দিন, শাহীন হোসেন, বদরুল আলম প্রমূখ।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ওয়াকফ নিয়ে কালাকানুনের বিরুদ্ধে সোচ্চার কামরুজ্জামান :সমাবেশ মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘীতে

আপডেট : ৬ নভেম্বর ২০২৪, বুধবার

সংবাদদাতা : ওয়াকফ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কালাকানুন তৈরির বিরুদ্ধে সোচ্চার সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান। ১৯ নভেম্বর ২০২৪ কলকাতার শহীদ মিনার ময়দানে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের আহবানে মহাসমাবেশের ঘোষণা করেন। বুধবার মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘী ঈদগাহ ময়দানে ইমাম মোয়াজ্জিন কাউন্সিল ও গো যুবক যুব ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে কামরুজ্জামান বলেন ওয়াকফ সম্পত্তি হচ্ছে মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থানের সম্পত্তি। দরিদ্র মুসলমানদের কল্যাণে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দানকৃত সম্পত্তি। এই সম্পত্তি মোদি সরকারের দখলের অপচেষ্টা শরীরে এক ফোটা রক্ত থাকতে মেনে নেব না। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী বলেন এক দেশ এক আইন হবে !! তাহলে ওয়াকফ সম্পত্তির পরিচালন কমিটিতে দুজন হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি থাকলে দেবত্ব সম্পত্তি তথা মন্দির কমিটিতে দুজন মুসলিম প্রতিনিধি রাখার কথা বলা হচ্ছে না কেন ?? আসলে মোদি সরকার এক দেশের ধর্মের ভিত্তিতে আলাদা আলাদা আইন ও অনুশাসন চাইছেন। একই সঙ্গে রামগিরি মহারাজ ও নরসিংহনন্দ মহারাজের মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে অবমাননা করার মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান। এই দুই মহারাজের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান। এদিন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইমাম মোয়াজ্জিন কাউন্সিলের সাগরদিঘী ব্লক কমিটির সভাপতি মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, কাজী মহসিন আজিম, মাওলানা নিজামুদ্দিন, শাহীন হোসেন, বদরুল আলম প্রমূখ।