১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

দু:‌স্থ, অসহায় পরিবারের পাশে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পরিবর্তন

মালদা: এক দু:‌স্থ, অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন পরিবর্তন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা।

ওই পরিবার এতটাই গরিব, আশেপাশের বাড়ি থেকে ভিক্ষে করে চলে সংসার। কোনও কোনও দিন অর্ধাহারে দিন কাটাতে হয়। কোনও দিন নিজে অভুক্ত থেকে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেন চপলা দাস। এদিন পুরো এক মাসের খাবার তুলে দেন সদস্যরা। ওই অসহায় আর্জি করে একটি ঘর তৈরি করে দেওয়ার ব্যাপারে। সদস্যরা সেই ব্যাপারেও চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে আশ্বাস দিয়ে গেছেন। ইংলিশবাজার থানার কাজিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্ডীপুরের দুয়ারবাসিনী গ্রামে একমাত্র দু:‌স্থ বলতেই উঠে আসে চপলা দাসের নাম। ৩ বছর আগে তাঁর স্বামী অসুস্থ হয়ে মারা যান। তারপর থেকেই অসহায় হয়ে পড়েন চপলাদেবী। এদিন চাল, ডাল, আলু, ডিম, সবজি-‌সহ এক মাসের খাবার পেয়ে খুশি তিনি। চপলা দেবী বলেন, ‘‌সদস্যরা যেভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে, আমি ধন্যবাদ জানাই ওদের। ওরা যা উপকার করলেন, তা ভোলার নই।’‌ পরিবর্তনএর সভাপতি তামান্না খান বলেন, ‘‌এই গ্রামে আমরা রোজ সকালে শিশুদের বিনে পয়সায় দুধ দিয়ে থাকি। আমাদের এক সদস্য গোপাল দাস দুধ দিতে এসে এই বাড়িটি নজরে আসে তাঁর। তারপর খোঁজখবর নিয়ে চপলাদেবী দৈন্যদশার কথা জানতে পারি। আপাতত এক মাসের খাবার দিয়ে গেলাম। উনি আমাদের কাছে একটি ঘরের দাবি করেছেন। আমরা পঞ্চায়েতের সঙ্গে কথা বলে দেখছি, ঘরের ব্যবস্থা করা যায় কিনা।’‌

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দু:‌স্থ, অসহায় পরিবারের পাশে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পরিবর্তন

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার

মালদা: এক দু:‌স্থ, অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন পরিবর্তন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা।

ওই পরিবার এতটাই গরিব, আশেপাশের বাড়ি থেকে ভিক্ষে করে চলে সংসার। কোনও কোনও দিন অর্ধাহারে দিন কাটাতে হয়। কোনও দিন নিজে অভুক্ত থেকে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেন চপলা দাস। এদিন পুরো এক মাসের খাবার তুলে দেন সদস্যরা। ওই অসহায় আর্জি করে একটি ঘর তৈরি করে দেওয়ার ব্যাপারে। সদস্যরা সেই ব্যাপারেও চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে আশ্বাস দিয়ে গেছেন। ইংলিশবাজার থানার কাজিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্ডীপুরের দুয়ারবাসিনী গ্রামে একমাত্র দু:‌স্থ বলতেই উঠে আসে চপলা দাসের নাম। ৩ বছর আগে তাঁর স্বামী অসুস্থ হয়ে মারা যান। তারপর থেকেই অসহায় হয়ে পড়েন চপলাদেবী। এদিন চাল, ডাল, আলু, ডিম, সবজি-‌সহ এক মাসের খাবার পেয়ে খুশি তিনি। চপলা দেবী বলেন, ‘‌সদস্যরা যেভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে, আমি ধন্যবাদ জানাই ওদের। ওরা যা উপকার করলেন, তা ভোলার নই।’‌ পরিবর্তনএর সভাপতি তামান্না খান বলেন, ‘‌এই গ্রামে আমরা রোজ সকালে শিশুদের বিনে পয়সায় দুধ দিয়ে থাকি। আমাদের এক সদস্য গোপাল দাস দুধ দিতে এসে এই বাড়িটি নজরে আসে তাঁর। তারপর খোঁজখবর নিয়ে চপলাদেবী দৈন্যদশার কথা জানতে পারি। আপাতত এক মাসের খাবার দিয়ে গেলাম। উনি আমাদের কাছে একটি ঘরের দাবি করেছেন। আমরা পঞ্চায়েতের সঙ্গে কথা বলে দেখছি, ঘরের ব্যবস্থা করা যায় কিনা।’‌