১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

মিলছে না মতের সংঘাতে পাহাড়ের হোটেল অ্যাসোসিয়েসন এবং সমতলের হোটেল অ্যাসোসিয়েসনের মধ্যে

নিজস্ব সংবাদদাতা :মিলছে না মতের সংঘাতে পাহাড়ের হোটেল অ্যাসোসিয়েসন এবং সমতলের হোটেল অ্যাসোসিয়েসনের মধ্যে।গত এক বছর থেকেই তৈরী হয়েছে ঝামেলা। সংঘাত দুই অ্যাসোসিয়েসনের মধ্যে।কারন পর্যটকদের সরাসরি পাহাড়ে টেনে নিচ্ছে পাহাড়ের হোটেল মালিকেরা। এমনকি পর্যটকদের এনজেপী ষ্টেশন থেকেই সরাসরি পাহাড়ে যাবার ব্যাপারে পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। শিলিগুড়ির এক বড় হোটেলের মালিকের বক্তব্য আগে ট্রেন থেকে নেমে পর্যটকেরা দু/একদিন শিলিগুড়িতে থাকতেন বা সমতলে থাকতেন এখন সেটা একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। সৌজন্যে পাহাড়ের হোটেলগুলির অতিরিক্ত বাড়বাড়ন্ত। লাভের আশায় তারা সমতলে এসে পর্যটকদের টানছেন।আর এতেই ক্ষুদ্ব সমতলের হোটেল মালিকেরা। তারা জানিয়েছেন লাটাগুড়ি,মাদারীহাট এবং শুকনাও ঘোরবার জন্য খারাপ কিছু নয়,কিন্তুু পর্যটকেরা একেবারে পাহাড়েই যেতে পছন্দ করছেন এই সব পাহাড়ের কিছু হোটেল এজেন্টদের জন্য। এক হোটেল মালিক জানিয়েছেন শিলিগুড়ি এবং তার আশেপাশের এবং কিছু বাইরে হোটলগুলির অবস্থা প্রচণ্ডভাবে খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কর্মীদের বেতনের টাকা পযর্ন্ত জোগার করতে পারা যাচ্ছে না,আর তিনগুন লাভ করে চলেছে পাহাড়ের হোটেলগুলি। এইভাবে চলতে থাকলে আমাদের হোটেল বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না বলে জানিয়েছেন তারা।এ নিয়ে তারা শিলিগুড়ির মেয়রের কাছেও অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মিলছে না মতের সংঘাতে পাহাড়ের হোটেল অ্যাসোসিয়েসন এবং সমতলের হোটেল অ্যাসোসিয়েসনের মধ্যে

আপডেট : ১২ মে ২০২৩, শুক্রবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :মিলছে না মতের সংঘাতে পাহাড়ের হোটেল অ্যাসোসিয়েসন এবং সমতলের হোটেল অ্যাসোসিয়েসনের মধ্যে।গত এক বছর থেকেই তৈরী হয়েছে ঝামেলা। সংঘাত দুই অ্যাসোসিয়েসনের মধ্যে।কারন পর্যটকদের সরাসরি পাহাড়ে টেনে নিচ্ছে পাহাড়ের হোটেল মালিকেরা। এমনকি পর্যটকদের এনজেপী ষ্টেশন থেকেই সরাসরি পাহাড়ে যাবার ব্যাপারে পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। শিলিগুড়ির এক বড় হোটেলের মালিকের বক্তব্য আগে ট্রেন থেকে নেমে পর্যটকেরা দু/একদিন শিলিগুড়িতে থাকতেন বা সমতলে থাকতেন এখন সেটা একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। সৌজন্যে পাহাড়ের হোটেলগুলির অতিরিক্ত বাড়বাড়ন্ত। লাভের আশায় তারা সমতলে এসে পর্যটকদের টানছেন।আর এতেই ক্ষুদ্ব সমতলের হোটেল মালিকেরা। তারা জানিয়েছেন লাটাগুড়ি,মাদারীহাট এবং শুকনাও ঘোরবার জন্য খারাপ কিছু নয়,কিন্তুু পর্যটকেরা একেবারে পাহাড়েই যেতে পছন্দ করছেন এই সব পাহাড়ের কিছু হোটেল এজেন্টদের জন্য। এক হোটেল মালিক জানিয়েছেন শিলিগুড়ি এবং তার আশেপাশের এবং কিছু বাইরে হোটলগুলির অবস্থা প্রচণ্ডভাবে খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কর্মীদের বেতনের টাকা পযর্ন্ত জোগার করতে পারা যাচ্ছে না,আর তিনগুন লাভ করে চলেছে পাহাড়ের হোটেলগুলি। এইভাবে চলতে থাকলে আমাদের হোটেল বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না বলে জানিয়েছেন তারা।এ নিয়ে তারা শিলিগুড়ির মেয়রের কাছেও অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন।