২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

পুলিশের মারে মৃত্যু হয়নি মইদুলের। প্রকাশিত হলো ময়নাতদন্তের রিপাের্ট 

পুলিশের মারে মৃত্যু হয়নি মইদুলের। প্রকাশিত হলো ময়নাতদন্তের রিপাের্ট

 

 

 

 

 

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : কমরেড মইদুল মিদ্যার ময়নাতদন্তের রিপাের্ট প্রকাশিত হলো আজ। অসুস্থতার কারণেই মাল্টিঅর্গান ফেলিওর হয়, পুলিশের মারে মৃত্যু হয়নি তাঁর। আজ ময়নাতদন্তের রিপাের্ট প্রকাশিত হওয়ার পরে এমনটাই জানাল পুলিশ। সুত্রের খবর, ময়নাতদন্তের রিপাের্ট বলছে, আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন মইদুল। তার জেরেই তাঁর একের পর এক অঙ্গ বিকল হয়ে যায়। পুলিশের লাঠির সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।

 

রিপাের্টে আরও বলা হয়েছে, মৃতের শরীরে ফুসফুস, হার্ট, কিডনির মতাে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলি আগেই বিকল হয়ে যায়। ১১ই ফেব্রুয়ারি বামেদের নবান্ন অভিযানে বাঁকুড়া থেকে এসে যােগ দিয়েছিলেন মইদুল। অভিযানের মিছিলে পুলিশ বেধড়ক লাঠি চালায়। এর পরেই জানবাজার এলাকা থেকে

মইদুলকে উদ্ধার করা হয়। বিধ্বস্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছিলেন তিনি। বলছিলেন, ‘আমি আর

বাঁচবুনি।’

 

সেই কথাই সত্যি হয়ে যায়। নার্সিংহােমে ভর্তি করার পরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সেখানেই মারা যান তিনি। অভিযােগ ওঠে, পুলিশের মারেই মৃত্যু হয়েছে মইদুলের। তাঁর শরীরে একাধিক

আঘাতের চিহ্নও ছিল বলে দাবি করা হয়।

এর পরে ময়নাতদন্ত করা হয় দেহের। ভিডিওগ্রাফিও করা হয় ময়নাতদন্তের। প্রাথমিক ময়নাতদন্তর রিপাের্টে দেখা যায়,

মইদুলের হাঁটুতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তাঁর শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কোনও অভ্যন্তরীণ অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। অর্থাৎ কিডনি, হৃদযন্ত্র-সহ অন্যান্য কোনও অঙ্গে আঘাতের

চিহ্ন ছিল না। এর পরে মইদুলের কিডনি, লিভার ও হার্ট পাঠানাে হয় ভিসেরা পরীক্ষার জন্য। তার পরেই চূড়ান্ত রিপাের্ট দিয়েছে ময়নাতদন্তকারী দল। আজ, মঙ্গলবার চূড়ান্ত

রিপাের্ট আসার পরে পুলিশ জানাল, অসুস্থ ছিলেন মইদুল। সেই অসুস্থতার জেরে আগে থেকেই তাঁর অঙ্গগুলি বিকল হতে শুরু করেছিল। মৃত্যুর কারণও সেটাই। শরীরের যে

আঘাত তা পড়ে গিয়ে হয়েছিল বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। সে আঘাত মৃত্যুর কারণ নয় বলেই দাবি পুলিশের।

 

এর পরে ময়নাতদন্ত করা হয় দেহের। ভিডিওগ্রাফিও করা হয় ময়নাতদন্তের। প্রাথমিক ময়নাতদন্তর রিপাের্টে দেখা যায়,

মইদুলের হাঁটুতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তাঁর শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কোনও অভ্যন্তরীণ অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন মেলেনি।

অর্থাৎ কিডনি, হৃদযন্ত্র-সহ অন্যান্য কোনও অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন ছিল না। এর পরে মইদুলের কিডনি, লিভার ও হার্ট

পাঠানাে হয় ভিসেরা পরীক্ষার জন্য। তার পরেই চূড়ান্ত রিপাের্ট দিয়েছে ময়নাতদন্তকারী দল। আজ, মঙ্গলবার চূড়ান্ত রিপাের্ট আসার পরে পুলিশ জানাল, অসুস্থ ছিলেন মইদুল।

সেই অসুস্থতার জেরে আগে থেকেই তাঁর অঙ্গগুলি বিকল হতে শুরু করেছিল। মৃত্যুর কারণও সেটাই। শরীরের যে আঘাত তা পড়ে গিয়ে হয়েছিল বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা একই সঙ্গে সে আঘাত মৃত্যুর কারণ নয় বলেই দাবি পুলিশের।

 

 

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুলিশের মারে মৃত্যু হয়নি মইদুলের। প্রকাশিত হলো ময়নাতদন্তের রিপাের্ট 

আপডেট : ৯ মার্চ ২০২১, মঙ্গলবার

পুলিশের মারে মৃত্যু হয়নি মইদুলের। প্রকাশিত হলো ময়নাতদন্তের রিপাের্ট

 

 

 

 

 

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : কমরেড মইদুল মিদ্যার ময়নাতদন্তের রিপাের্ট প্রকাশিত হলো আজ। অসুস্থতার কারণেই মাল্টিঅর্গান ফেলিওর হয়, পুলিশের মারে মৃত্যু হয়নি তাঁর। আজ ময়নাতদন্তের রিপাের্ট প্রকাশিত হওয়ার পরে এমনটাই জানাল পুলিশ। সুত্রের খবর, ময়নাতদন্তের রিপাের্ট বলছে, আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন মইদুল। তার জেরেই তাঁর একের পর এক অঙ্গ বিকল হয়ে যায়। পুলিশের লাঠির সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।

 

রিপাের্টে আরও বলা হয়েছে, মৃতের শরীরে ফুসফুস, হার্ট, কিডনির মতাে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলি আগেই বিকল হয়ে যায়। ১১ই ফেব্রুয়ারি বামেদের নবান্ন অভিযানে বাঁকুড়া থেকে এসে যােগ দিয়েছিলেন মইদুল। অভিযানের মিছিলে পুলিশ বেধড়ক লাঠি চালায়। এর পরেই জানবাজার এলাকা থেকে

মইদুলকে উদ্ধার করা হয়। বিধ্বস্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছিলেন তিনি। বলছিলেন, ‘আমি আর

বাঁচবুনি।’

 

সেই কথাই সত্যি হয়ে যায়। নার্সিংহােমে ভর্তি করার পরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সেখানেই মারা যান তিনি। অভিযােগ ওঠে, পুলিশের মারেই মৃত্যু হয়েছে মইদুলের। তাঁর শরীরে একাধিক

আঘাতের চিহ্নও ছিল বলে দাবি করা হয়।

এর পরে ময়নাতদন্ত করা হয় দেহের। ভিডিওগ্রাফিও করা হয় ময়নাতদন্তের। প্রাথমিক ময়নাতদন্তর রিপাের্টে দেখা যায়,

মইদুলের হাঁটুতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তাঁর শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কোনও অভ্যন্তরীণ অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। অর্থাৎ কিডনি, হৃদযন্ত্র-সহ অন্যান্য কোনও অঙ্গে আঘাতের

চিহ্ন ছিল না। এর পরে মইদুলের কিডনি, লিভার ও হার্ট পাঠানাে হয় ভিসেরা পরীক্ষার জন্য। তার পরেই চূড়ান্ত রিপাের্ট দিয়েছে ময়নাতদন্তকারী দল। আজ, মঙ্গলবার চূড়ান্ত

রিপাের্ট আসার পরে পুলিশ জানাল, অসুস্থ ছিলেন মইদুল। সেই অসুস্থতার জেরে আগে থেকেই তাঁর অঙ্গগুলি বিকল হতে শুরু করেছিল। মৃত্যুর কারণও সেটাই। শরীরের যে

আঘাত তা পড়ে গিয়ে হয়েছিল বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। সে আঘাত মৃত্যুর কারণ নয় বলেই দাবি পুলিশের।

 

এর পরে ময়নাতদন্ত করা হয় দেহের। ভিডিওগ্রাফিও করা হয় ময়নাতদন্তের। প্রাথমিক ময়নাতদন্তর রিপাের্টে দেখা যায়,

মইদুলের হাঁটুতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তাঁর শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কোনও অভ্যন্তরীণ অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন মেলেনি।

অর্থাৎ কিডনি, হৃদযন্ত্র-সহ অন্যান্য কোনও অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন ছিল না। এর পরে মইদুলের কিডনি, লিভার ও হার্ট

পাঠানাে হয় ভিসেরা পরীক্ষার জন্য। তার পরেই চূড়ান্ত রিপাের্ট দিয়েছে ময়নাতদন্তকারী দল। আজ, মঙ্গলবার চূড়ান্ত রিপাের্ট আসার পরে পুলিশ জানাল, অসুস্থ ছিলেন মইদুল।

সেই অসুস্থতার জেরে আগে থেকেই তাঁর অঙ্গগুলি বিকল হতে শুরু করেছিল। মৃত্যুর কারণও সেটাই। শরীরের যে আঘাত তা পড়ে গিয়ে হয়েছিল বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা একই সঙ্গে সে আঘাত মৃত্যুর কারণ নয় বলেই দাবি পুলিশের।