১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

পড়াশোনার খরচ নিয়ে চিন্তায় একরাটের পরিবার

সংবাদদাতা, মেদিনীপুর* : ডাক্তার হতে চায় একরাট,বাধা দ্রারিদ্র্য।অভাব-অনটনের সঙ্গে লড়াই করেও নজরকাড়া ফল করেছে একরাট সাহা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা গ্রামের বাসিন্দা খলতপুর হাইমাদ্রাসার ছাত্র এররাট সাহা এবার উচ্চ-মাধ্যমিকে ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র একরাটের মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৫৩। একরাটের বাবা গিয়াসুদ্দিন সাহা একজন দিনমজুর,মা সবনাউনিস বিবি গৃহবধু। যখন যা কাজ পান সেই কাজ করে সংসার ও ছেলের পড়াশোনার কাজ চালান গিয়াসউদ্দিন বাবু।মাটির দেওয়ালের উপর খড়ের ছাউনি,তার নিচেই মাথা গোঁজার এক চিলতে আশ্রয়ে পরিবার নিয়ে থাকেন গিয়াসউদ্দিন বাবুরা।

একরাটরা তিন ভাই বোন। এই আর্থিক প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও নজরকাড়া রেজাল্ট করেছে একরাট। একরাট ডাক্তার হতে চায়। এখন একরাটসহ গোটা পরিবারের চিন্তা এখান উচ্চ-শিক্ষার খরচ নিয়ে।তাই ছেলের রেজাল্ট ভালো হলেও চিন্তায় রয়েছে একরাটের পরিবার। উল্লেখ্য দুবছর আগে মাধ্যমিকে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে মাদ্রাসা বোর্ডে গোটা রাজ্যে ১৫ তম স্থান দখল করেছিল একরাট। যদি কোন সহৃদয় ব্যক্তি সাহায্য করতে চান- ৯৪৩৪২০৫০৭৩/ ৮৯৬৭০৩৩৮৮৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পড়াশোনার খরচ নিয়ে চিন্তায় একরাটের পরিবার

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২০, শনিবার

সংবাদদাতা, মেদিনীপুর* : ডাক্তার হতে চায় একরাট,বাধা দ্রারিদ্র্য।অভাব-অনটনের সঙ্গে লড়াই করেও নজরকাড়া ফল করেছে একরাট সাহা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা গ্রামের বাসিন্দা খলতপুর হাইমাদ্রাসার ছাত্র এররাট সাহা এবার উচ্চ-মাধ্যমিকে ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র একরাটের মোট প্রাপ্ত নম্বর ৪৫৩। একরাটের বাবা গিয়াসুদ্দিন সাহা একজন দিনমজুর,মা সবনাউনিস বিবি গৃহবধু। যখন যা কাজ পান সেই কাজ করে সংসার ও ছেলের পড়াশোনার কাজ চালান গিয়াসউদ্দিন বাবু।মাটির দেওয়ালের উপর খড়ের ছাউনি,তার নিচেই মাথা গোঁজার এক চিলতে আশ্রয়ে পরিবার নিয়ে থাকেন গিয়াসউদ্দিন বাবুরা।

একরাটরা তিন ভাই বোন। এই আর্থিক প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও নজরকাড়া রেজাল্ট করেছে একরাট। একরাট ডাক্তার হতে চায়। এখন একরাটসহ গোটা পরিবারের চিন্তা এখান উচ্চ-শিক্ষার খরচ নিয়ে।তাই ছেলের রেজাল্ট ভালো হলেও চিন্তায় রয়েছে একরাটের পরিবার। উল্লেখ্য দুবছর আগে মাধ্যমিকে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে মাদ্রাসা বোর্ডে গোটা রাজ্যে ১৫ তম স্থান দখল করেছিল একরাট। যদি কোন সহৃদয় ব্যক্তি সাহায্য করতে চান- ৯৪৩৪২০৫০৭৩/ ৮৯৬৭০৩৩৮৮৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।