১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

ইমাম ও মোয়াজ্জ্বিন দের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে রাজ্য সরকার

ইমাম ও মোয়াজ্জ্বিন দের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে রাজ্য সরকার

রোজা খাতুন : পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মসজিদে কর্মরত ইমাম ও মোয়াজ্জ্বিনদের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে রাজ্য সরকার। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মসজিদে কর্মরত ইমামদের মাসিক ভাতা প্রদান প্রকল্প চালু করে। মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জ্বিন দের মাসিক ২৫০০ ও ১০০০ করে টাকা প্রদান করা হয়। তাদেরকে প্রতিবছর নভেম্বর মাসে লাইফ সার্টিফিকেটও সংশ্লিট ব্লক বা জেলা সংখ্যালঘু কার্যালয়ে জমা করতে হবে। এবারও নিয়মমেনে রাজ্য সরকারের বোর্ড অফ ওয়াকফ দফতর থেকে দুই পাতার ফর্ম দেওয়া হয়েছে। যেখানে প্রথম পাতায় ইমাম ও মোয়াজ্জ্বিনরা তাদের মসজিদ ও ব্যাক্তিগত তথ্য ফিলাপ করবেন, দ্বিতীয় পাতায় মোট ৮ টি পয়েন্ট তাদের পূরন করতে হবে। যেখানে মসজিদটি ওয়াকফ বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত কিনা সেসব তথ্য যেমন দিতে হবে তেমনি সরকার নির্দেশিত জনকল্যাণমুখী প্রকল্পে তাদের যে অংশগ্রহন করিয়ে সমাজের ভালো কাজে মনোনিবেশ করাতে চায় সে বিষয়েও উল্লেখ করতে হবে। যেমন পালস পোলিও, কন্যাশ্রী, সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীদের সরকারী বৃত্তি প্রদান, সাম্প্রদায়িক ও সামাজিক সম্প্রতী রক্ষার্থে ইমাম মোয়াজ্জ্বিনদের সক্রিয় অংশগ্রহন করা সহ বিভিন্ন কাজে তাদের অন্তভূর্ক্ত করানোর প্রচেষ্টায় সরকার যে ইমাম মোয়াজ্জ্বিনদের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে তা পরিস্কার।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইমাম ও মোয়াজ্জ্বিন দের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে রাজ্য সরকার

আপডেট : ২২ জানুয়ারী ২০২৩, রবিবার

ইমাম ও মোয়াজ্জ্বিন দের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে রাজ্য সরকার

রোজা খাতুন : পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মসজিদে কর্মরত ইমাম ও মোয়াজ্জ্বিনদের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে রাজ্য সরকার। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মসজিদে কর্মরত ইমামদের মাসিক ভাতা প্রদান প্রকল্প চালু করে। মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জ্বিন দের মাসিক ২৫০০ ও ১০০০ করে টাকা প্রদান করা হয়। তাদেরকে প্রতিবছর নভেম্বর মাসে লাইফ সার্টিফিকেটও সংশ্লিট ব্লক বা জেলা সংখ্যালঘু কার্যালয়ে জমা করতে হবে। এবারও নিয়মমেনে রাজ্য সরকারের বোর্ড অফ ওয়াকফ দফতর থেকে দুই পাতার ফর্ম দেওয়া হয়েছে। যেখানে প্রথম পাতায় ইমাম ও মোয়াজ্জ্বিনরা তাদের মসজিদ ও ব্যাক্তিগত তথ্য ফিলাপ করবেন, দ্বিতীয় পাতায় মোট ৮ টি পয়েন্ট তাদের পূরন করতে হবে। যেখানে মসজিদটি ওয়াকফ বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত কিনা সেসব তথ্য যেমন দিতে হবে তেমনি সরকার নির্দেশিত জনকল্যাণমুখী প্রকল্পে তাদের যে অংশগ্রহন করিয়ে সমাজের ভালো কাজে মনোনিবেশ করাতে চায় সে বিষয়েও উল্লেখ করতে হবে। যেমন পালস পোলিও, কন্যাশ্রী, সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীদের সরকারী বৃত্তি প্রদান, সাম্প্রদায়িক ও সামাজিক সম্প্রতী রক্ষার্থে ইমাম মোয়াজ্জ্বিনদের সক্রিয় অংশগ্রহন করা সহ বিভিন্ন কাজে তাদের অন্তভূর্ক্ত করানোর প্রচেষ্টায় সরকার যে ইমাম মোয়াজ্জ্বিনদের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে তা পরিস্কার।