১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

“রাজ্যপাল সংবিধানের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন,তাঁকে অপসারিত করা হোক” অভিযোগ তৃণমূলের

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার
  • 13

“রাজ্যপাল সংবিধানের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন,তাঁকে অপসারিত করা হোক” অভিযোগ তৃণমূলের

 

 

 

নতুন গতি ডিজিটাল ডেস্ক : রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে অপসারণ করতে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিল তৃণমূল। বুধবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে এই স্মারকলিপি দেন তৃণমূলের পাঁচ সাংসদ। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন তাঁরা।

স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়রা। একযোগে তাঁদের অভিযোগ, রাজ্যপাল সংবিধানের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই জরুরিভিত্তিতে তাঁকে অপসারিত করা হোক। তাঁরা আরও লিখেছেন, রাজ্যপাল বিভিন্ন সময় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করেছেন।

স্মারকলিপিতে সরাসরি রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বিভেদের রাজনীতি করার অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল সাংসদরা। তাঁরা লিখেছেন, “কেন্দ্র ও রাজ্য ক্ষমতাসীন দুই দল একে অপরের বিরোধী। শুধুমাত্র এই কারণে রাজ্যপাল রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে বিভেদের রাজনীতি করছে। উনি রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান পদে রয়েছেন, তাই তিনি রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকবেন বলেই আশা করা যায়।” স্মারকলিপিতে রাজ্যপালের ব্যবহৃত কিছু শব্দ, টুইট, সাংবাদিক সম্মেলনেরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শাসকদল তৃণমূলকে অপমান করেছেন বলে অভিযোগ সাংসদদের। এমনকী, তাঁর বিরুদ্ধে সংবিধানের সীমারেখা লঙ্ঘনেরও অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলার রাজ্যপালের পদে বসার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে জগদীপ ধনকড়ের সম্পর্কে বিশেষ ভাল নয় বলেই অভিযোগ। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা-সহ একাধিক ইস্যুতে শাসকদলের তথা মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। পালটা তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির হয়ে কাজ করছেন তিনি। এরই মাঝে তাঁর অপসারণ চেয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল সাংসদ। এই ঘটনা বাংলার রাজনীতিতে নজিরবিহীন বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“রাজ্যপাল সংবিধানের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন,তাঁকে অপসারিত করা হোক” অভিযোগ তৃণমূলের

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

“রাজ্যপাল সংবিধানের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন,তাঁকে অপসারিত করা হোক” অভিযোগ তৃণমূলের

 

 

 

নতুন গতি ডিজিটাল ডেস্ক : রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে অপসারণ করতে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিল তৃণমূল। বুধবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে এই স্মারকলিপি দেন তৃণমূলের পাঁচ সাংসদ। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন তাঁরা।

স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়রা। একযোগে তাঁদের অভিযোগ, রাজ্যপাল সংবিধানের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই জরুরিভিত্তিতে তাঁকে অপসারিত করা হোক। তাঁরা আরও লিখেছেন, রাজ্যপাল বিভিন্ন সময় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করেছেন।

স্মারকলিপিতে সরাসরি রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বিভেদের রাজনীতি করার অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল সাংসদরা। তাঁরা লিখেছেন, “কেন্দ্র ও রাজ্য ক্ষমতাসীন দুই দল একে অপরের বিরোধী। শুধুমাত্র এই কারণে রাজ্যপাল রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে বিভেদের রাজনীতি করছে। উনি রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান পদে রয়েছেন, তাই তিনি রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকবেন বলেই আশা করা যায়।” স্মারকলিপিতে রাজ্যপালের ব্যবহৃত কিছু শব্দ, টুইট, সাংবাদিক সম্মেলনেরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শাসকদল তৃণমূলকে অপমান করেছেন বলে অভিযোগ সাংসদদের। এমনকী, তাঁর বিরুদ্ধে সংবিধানের সীমারেখা লঙ্ঘনেরও অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলার রাজ্যপালের পদে বসার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে জগদীপ ধনকড়ের সম্পর্কে বিশেষ ভাল নয় বলেই অভিযোগ। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা-সহ একাধিক ইস্যুতে শাসকদলের তথা মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। পালটা তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির হয়ে কাজ করছেন তিনি। এরই মাঝে তাঁর অপসারণ চেয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল সাংসদ। এই ঘটনা বাংলার রাজনীতিতে নজিরবিহীন বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।